• বুধবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২২, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪২৯
  • ||

আমি কারো কাছে যেতে চাই না: রহিমা বেগম

প্রকাশ:  ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৪:৫৬ | আপডেট : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৪:৫৯
খুলনা প্রতিনিধি

নিখোঁজের ২৯ দিন পর ফরিদপুরের বোয়ালমারী থেকে জীবিত উদ্ধার রহিমা বেগম কারো কাছে যেতে চান না বলে জানিয়েছেন পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআিই) পুলিশ সুপার সৈয়দ মোশফিকুর রহমান।

রোববার (২৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে খুলনায় প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।

সৈয়দ মোশফিকুর রহমান বলেন, থানা পুলিশের কাছ থেকে রহিমা বেগমকে নেওয়ার পর থেকেই তিনি মুখ বন্ধ করে আছেন। বারবার বলছেন ‘আমি কারো কাছে যেতে চাই না, কারো সঙ্গে কথা বলতে চাই না’। আজ তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতে পাঠানো হবে।

তিনি বলেন, ঘটনার সঙ্গে কারা জড়িত তা জানার জন্য পুলিশ তদন্ত করছে। তদন্তে যারা দোষী প্রমাণিত হবে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রহিমার মেয়ে মরিয়ম মান্নান পুলিশকে বিভ্রান্ত করেছেন অভিযোগ করে পুলিশ সুপার বলেন, মরিয়ম মান্নান বিভিন্ন সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছেন। তিনি কেন এটা করেছেন তা এখনো জানা সম্ভব হয়নি। তবে যাই হোক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বিশ্বাস করতে হবে। আমরা চেষ্টা করছি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করতে।

রহিমা বেগমকে নিয়ে অপহরণ মামলাটি টক অব দ্য কান্ট্রি উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ মামলার তদন্তে আমরা কোনো ত্রুটি রাখতে চাই না।

গ্রেপ্তার হওয়া ছয়জনের বিষয়ে পুলিশ সুপার বলেন, তাদের বিষয়ে আমরা তদন্ত করবো। এ ঘটনার সঙ্গে তাদের কোনো সম্পৃক্ততা আছে কি-না তা জানার চেষ্টা করছি। তদন্তে তাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ প্রমাণিত না হলে আদালতে জানাবো।

ফরিদপুরের বোয়ালমারী থেকে নিয়ে আসা তিনজনের বিষয়ে সৈয়দ মোশফিকুর রহমান বলেন, আমরা তাদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করবো। ক্যাম্পের কাছ থেকে তাদের আমরা এখনো বুঝে নেইনি। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

পুলিশ সুপার বলেন, ময়মনসিংহের ফুলপুরে মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মরিয়ম মান্নানকে আমরা সর্বাত্মক সহযোগিতা করেছি। পিবিআই ময়মনসিংহ ইউনিট সেই মরদেহের ডিএনএ টেস্ট করার জন্য সহযোগিতা করেছে। তবে আমরা যেহেতু ভিকটিমকে পেয়ে গেছি, তাই এখন আর ডিএনএ টেস্টের প্রয়োজন হবে না।

গত ২৭ আগস্ট রাত আনুমানিক ১০টার দিকে খুলনা মহানগরীর মহেশ্বরপাশার উত্তর বণিকপাড়ার নিজ বাসা থেকে টিউবওয়েলে পানি আনতে নিয়ে নিখোঁজ হন রহিমা বেগম। এরপর আর ঘরে ফেরেননি তিনি। স্বামী ও ভাড়াটিয়ারা নলকূপের পাশে ঝোপঝাড়ে তার ব্যবহৃত ওড়না, স্যান্ডেল ও বালতি দেখতে পান। সেই রাতে মাকে খুঁজতে আত্মীয়স্বজন, আশপাশসহ সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজ করেন সন্তানরা।

রহিমা বেগমের কন্যা মরিয়ম মান্নান মায়ের খোঁজ চেয়ে দেশবাসীর কাছে আকুতি জানান। যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। মরিয়মের আকুতি মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে যায়।

পূর্বপশ্চিমবিডি/এসএম

রহিমা বেগম,খুলনা,পুলিশ,গ্রেপ্তার
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

সারাদেশ

অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close