• বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৪ আশ্বিন ১৪২৯
  • ||

ওসমানী মেডিকেল কলেজের আন্দোলন স্থগিত

প্রকাশ:  ০৪ আগস্ট ২০২২, ২২:২৯ | আপডেট : ০৪ আগস্ট ২০২২, ২২:৩২
নিজস্ব প্রতিবেদক

সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এক ইন্টার্ন চিকিৎসকের শ্লীলতাহানি ও দুই শিক্ষার্থীর ওপর হামলার অভিযোগের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় প্রধান আসামি দিব্য সরকারকে গ্রেপ্তার করলে অবশেষে বৃহস্পতিবার দুপুরে আন্দোলন স্থগিত ঘোষণা করেছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। তবে আন্দোলনকারীরা এক সপ্তাহ সময় বেঁধে দিয়েছেন। এর মধ্যে বাকি আসামিরা গ্রেপ্তার না হলে পুনরায় তারা আন্দোলনে নামাবেন বলে হুশিয়ারি দিয়েছেন।

সম্পর্কিত খবর

    আন্দোলনকারীদের পক্ষে ওসমানী মেডিকেলের ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আহমেদ মুন্তাকিম চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, এই ঘটনায় প্রধান আসামি দিব্যকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।

    তিনি বলেন, জেলা প্রশাসক ও ওসমানীর পরিচালক সহ শিক্ষকদের অনুরোধে আমরা কর্মসূচি স্থগিত ঘোষণা করে আমরা সাতদিন সময় বেঁধে দিচ্ছি। তিনি বলেন, হাসপাতালের প্রতিটি ওয়ার্ডে যে নিরাপত্তা ত্রুটি, সেই ত্রুটি দূর করা না হয়, বিশেষ করে নারী ইন্টার্নিদের নিরাপত্তায় ঘাটতি। তিনি বলেন, নিজেদের নিরাপত্তা না থাকলে অন্যদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা দেওয়া সম্ভব না।

    বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২টায় নগরীর শাহপরান এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয় প্রধান আসামি দিব্য সরকারকে। তিনি নগরীর কাজলশাহ এলাকার ৫২নং বাসার রমনীকান্ত সরকারের ছেলে। সিলেট মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার আজবাহার আলী শেখ জানিয়েছেন, দিব্য সরকারের রিমান্ড চাওয়া হবে না। তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হবে।

    উল্লেখ্য ওসমানী মেডিকেল কলেজের এক ইন্টার্ন চিকিৎসকের সঙ্গে গত রোববার রাতে বাগবিতণ্ডা হয় এক রোগীর দুই স্বজনের। ইন্টার্ন চিকিৎসকদের অভিযোগ, বহিরাগতরা নারী চিকিৎসকের শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে। ইন্টার্ন চিকিৎসকরা সংঘবদ্ধ হয়ে ওই দুজনকে পুলিশে সোপর্দ করেন। এ ঘটনার জের ধরে গত সোমবার রাত ৯টার দিকে ওসমানী মেডিকেল কলেজের শেষ বর্ষের ছাত্র ইমন আহমদ (২৪) ও তৃতীয় বর্ষের ছাত্র রুদ্র নাথ (২২) এর ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। পরে সহপাঠীরা তাদেরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে ধর্মঘটের ডাক দেন ইন্টার্ন চিকিৎসকরা। তারা হাসপাতালের জরুরী বিভাগ ছাড়া চিকিৎসাসেবা বন্ধ করে দেন। সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দেন তারা। ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ।

    শিক্ষার্থীরা মেডিকেল কলেজে স্থায়ী পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, হামলাকারীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা, হামলাকারীদের বিরুদ্ধে মেডিকেল প্রশাসনের মামলা করার দাবি জানান। এ পর্যায়ে তারা প্রধান আসামীকে গ্রেপ্তারের দাবিতে অনঢ় থাকলে পরিস্থিতি খারাপের দিকে যায়। পরে প্রধান আসামিকে গ্রেপ্তার করা হলে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন স্থগিত করেন।

    পূর্বপশ্চিমবিডি/এআই

    এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ
    মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

    সারাদেশ

    অনুসন্ধান করুন
    • সর্বশেষ
    • সর্বাধিক পঠিত
    close