• বৃহস্পতিবার, ০৭ জুলাই ২০২২, ২৩ আষাঢ় ১৪২৯
  • ||

চা খাওয়ার কথা বলে সাংবাদিককে অপহরণ চেষ্টা!

প্রকাশ:  ১৭ এপ্রিল ২০২২, ১২:২০ | আপডেট : ১৭ এপ্রিল ২০২২, ১৩:০২
সিলেট প্রতিনিধি

সিলেট নগরীর আম্বরখানায় চা খাওয়ার কথা বলে ডেকে নিয়ে ‘সাপ্তাহিক বৈচিত্র্যময় সিলেট’ পত্রিকার বার্তা সম্পাদক রুহুল ইসলাম মিঠুকে অপহরণ চেষ্টা ও শারিরিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিনি থানায় অভিযোগ দিয়েছেন। তবে পুলিশের তদন্তে ধীরগতি ও অভিযুক্তদের অব্যাহত হুমকির কারণে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে অভিযোগ তার।

শনিবার (১৬ এপ্রিল) সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন আম্বরখানা বড়বাজার এলাকার বাসিন্দা রুহুল ইসলাম মিঠু।

অপহরণ চেষ্টা ও শারিরিক নির্যাতনের ঘটনায় সোমবার (১১ এপ্রিল) তিনি রাজু, সাকিল ও সাদেক নামে চারজনের নাম উল্লেখ করে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি।

অভিযোগে আরও ৫-৬ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। অভিযুক্তরা আম্বরখানা এলাকার ছাত্রলীগ কর্মী।

সাংবাদিক রুহুল ইসলাম জানান, রোববার (১০এপ্রিল) রাত সাড়ে ১১টার দিকে আম্বরখানা বাজার এলাকার পান দোকানি সাদেক চা খেতে রুহুল ইসলামকে আম্বরখানাস্থ হোটেল হিমেল গলির ভিতরে একটি টি স্টলে নিয়ে যান। সেখানে রনি, সাদেক, রনি,সাকিল, রাজু,সম্ভ্রাটসহ অজ্ঞাত কয়েকজন যুবকরা তাকে প্রথমে মারধর ও পরে গাড়িতে তুলে নিয়ে অপহরণের চেষ্টা করে।

সাংবাদিক রুহুল ইসলাম আরও জানান, এসময় স্থানীয়দের সাহায্যে রক্ষা পান সাংবাদিক রুহুল। পরে কোতোয়ালী মডেল থানাধীন শাহজালাল (রহ.) পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ওই হোটেলে অভিযুক্তদের নিয়ে তাৎক্ষণিক মিমাংসা করা দেওয়া হয়। ঘটনার পরদিন কোতোয়ালি মডেল থানায় চারজনের নাম উল্লেখসহ আরও ৫-৬ জনকে বিবাদী করে একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।

অপরাধীদের সাথে পুলিশের একটি যোগসূত্র রয়েছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, আল আমিন ও সাদেক নামে দুই যুবক আম্বরখানায় পুলিশের সোর্স হিসেবে ফুটপাত থেকে চাঁদা তুলে। তারাই মানুষকে জিম্মি করে। আমার ঘটনার পরপরই তাদের ফোনে শাহজালাল (রহঃ) পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে উল্টো আমাকে থানায় নিয়ে আসতে বলে। তাই আমার অভিযোগের তদন্ত নিরপেক্ষ হবে কী না তা সন্দিহান।

রুহুল ইসলাম আরও বলেন, আমার ঘটনাটি সম্পূর্ণ পরিকিল্পিত। আমার ভাই নজরুল ইসলাম শিপারের সাথে পারিবারিক ভাবে দ্বন্দ্ব চলছে। একাধিক মামলাও চলছে। তিনি আমাদেরকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি দিয়ে যাচ্ছেন। এছাড়া এ ঘটনার পর অভিযুক্তরা মুঠোফোনে আমাকেসহ আমার স্বজনদের হত্যা ও গুম করার হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। এই ঘটনার মূল ইন্দন দাতা কে? কারা এটার সাথে জড়িত। এ বিষয়টি সঠিক তদন্ত করলে বেরিয়ে আসবে। ঘটনার রহস্য উদঘাটন করে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে তিনি সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা কামনা করেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন রুহুল ইসলামের বড় বোন সিলেট জেলা যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক তাসমীহ বিনতে স্বর্না, আরেক বোন লুৎফা বেগম ও খালাতো ভাই জাবেদ আহমদ।

পূর্বপশ্চিমবিডি/একেআর/জেএস

সিলেট
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

সারাদেশ

অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close