• মঙ্গলবার, ২৪ মে ২০২২, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯
  • ||

ভোট চুরির জন্যই সিসি ক্যামেরা সরানোর নির্দেশ দিয়েছে ইসি: তৈমূর

প্রকাশ:  ১৫ জানুয়ারি ২০২২, ০২:০১
অনলাইন ডেস্ক

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে হঠকারিতা ও ভোট চুরি করার জন্যই কেন্দ্রগুলোতে থাকা সিসি ক্যামেরা সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্বতন্ত্র মেয়রপ্রার্থী তৈমূর আলম খন্দকার।

তিনি বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী নারায়ণগঞ্জের প্রতিটি স্কুলে সিসি ক্যামেরা দিয়েছেন। অথচ ভোটকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশন থেকে বলা হয়েছে, সব সিসি ক্যামেরা সরিয়ে নিতে। হঠকারিতা, ভোট চুরি, আমার নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও পুলিশি নির্যাতনের জন্যই সিসি ক্যামরা তুলে নেয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

বৃহস্পতিবার (১৪ জানুয়ারি) রাত ১০টায় তার বাসভবনে জরুরি সংবাদ সম্মেলন ডেকে এসব কথা বলেন তৈমূর আলম খন্দকার।

পুলিশি হয়রানির অভিযোগ করে তৈমূর আলম বলেন, রেশমা নামের একটা মেয়েকে পোস্টার লাগনোর সময় পুলিশ ধরে নিয়ে গেছে। স্বপন নামের একজনকেও ধরে নিয়ে গেছে। এছাড়া মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি জসিমের বাড়িতে তালা ভেঙে তাকে ধরতে গিয়েছিল। তিনি এক ছাদ থেকে আরেক ছাদে লাফ দিতে গিয়ে পা ভেঙে ফেলেছেন। পুলিশ অধিকাংশ নেতাকর্মীর বাড়িতে তল্লাশির নামে গিয়ে ভয়ভীতি ও হয়রানি করছে।

তিনি বলেন, আজ সর্বশেষ বন্দরে নির্বাচনী প্রচারণা করতে গিয়েছি, আমার সাথে কোনো বহিরাগত লোক ছিল না। সবাই ছিল নারায়ণগঞ্জের ভোটার। অথচ সেখানে আমার প্রতিদ্বন্দ্বি যখন প্রচারণায় গিয়েছেন, সেখানে নেতৃত্ব দিয়েছেন বাইরের মেহমানরা। আমরা এখন খুব আতঙ্কের মধ্যে আছি।

তৈমূর বলেন, শুনেছি কেন্দ্রে একজন অপারেটর দেয়া হবে, মেশিনে কোন সমস্যা হলে ঠিক করার জন্য। তবে সেই অপারেটর যা করুক আমাদের এজেন্ট এর সামনে করতে হবে। আমাদের এজেন্ট এবং নেতাকর্মীরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ তারা কেন্দ্র ছেড়ে যাবে না। কিন্তু নির্বাচন কমিশনকে এজেন্ট বের করে দেয়া হবে না এবং তাদের ওপর কোন আক্রমণ হবে না সে নিশ্চয়তা দিতে হবে।

তিনি বলেন, বিভিন্ন কেন্দ্রে লোক সেট করা হয়ে গেছে, জয় তাদের পক্ষে নেয়ার জন্য। নারায়ণগঞ্জের সার্কিট হাউজসহ সব জায়গায় এখন বহিরাগত লোক দিয়ে ভরা। তারা উস্কানিমূলক কাজ এবং বক্তব্য দেয়ার জন্য আসছে। ভোটের দিনে তাদের কোনো কাজ নেই। তারা যেন রাস্তাঘাটে চলাফেরা করতে না পারে। এছাড়া ভোটার ছাড়া যারা রাস্তায় চলাফেরা করবে, তারা যেন আইডি কার্ড ব্যবহার করে। আইডি কার্ডের বাইরে কোনো বহিরাগত লোক যেন নির্বাচনের দিন নারায়ণঞ্জে প্রবেশ করতে না পারে, সেজন্য আমি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

ভোটের দিনের রেজাল্ট নিয়ে তিনি বলেন, ভোটের দিনে ‍এক কেন্দ্রে ৫-৭ টা করে বুথ থাকতে পারে। ভোট শেষ হওয়া মাত্রই আমদের এজেন্টের উপস্থিতিতে গণনা করে প্রিন্ট দিতে হবে।

পিপি/জেআর

তৈমুর আলম
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

সারাদেশ

অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close