• শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১০ আশ্বিন ১৪২৮
  • ||

খেলার ছলে ঘুষি, দেয়ালে মাথায় আঘাত পেয়ে মৃত্যু

প্রকাশ:  ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২১:১৪
সাভার প্রতিনিধি

সাভারের আশুলিয়ায় গত রোববার নিখোঁজের তিন দিন পর রবিউল ইসলাম নামে এক শিশুর অর্ধগলিত মরদেহ প্রতিবেশীর বাসার সিড়ির নিচ থেকে উদ্ধার করে পুলিশ। এঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে আনা হয় হত্যার অভিযোগ। তবে পুলিশি তদন্তে বেরিয়ে আসে শিশু রবিউলের হত্যার আসল রহস্য। খেলতে গিয়ে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েই রবিউল মারা যায় বলে কিশোর আদালতে স্বীকারোক্তি দিয়েছে নিহতের বন্ধু আল আমিন।

বুধবার সন্ধ্যায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আল মামুন কবির এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

এর আগে বিকেলে ঢাকা মুখ্য বিচারিক আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট ফারহানা ইয়াসমিন কিশোর আল আমিনের জবানবন্দি গ্রহণ শেষে তাকে টঙ্গীর কিশোর শোধনাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এসআই আল মামুন কবির বলেন, আশুলিয়ার দূর্গাপুর ভাড়া বাসা থেকে প্রতিবেশী বন্ধু আল আমিনের বাসায় খেলতে যায় রবিউল। কিন্তু ওই সময় সবাই গার্মেন্টে চাকুরিতে যাওয়ায় পুরো বাসা খালি ছিলো। এসময় রবিউল ও আল আমিন দুই বন্ধু নিজেদের পেশীশক্তি পরীক্ষা করতে মারামারির খেলা করে। একজন অপরজনকে ঘুষি মারতে থাকে। একপর্যায়ে আল আমিনের ঘুষিতে রবিউল দেয়ালে সজোরে মাথায় আঘাত পেয়ে নিচে পড়ে যায়। পরে সজ্ঞা হারিয়ে ফেললে সিড়ির নিচে কার্টুন ও পুরাতন প্যান্ট দিয়ে ঢেকে রাখে রবিউলকে ঢেকে রাখে আল আমিন। ভয়ে কাউকে কিছু না বলে ভিতরে ভিতরে অনুশোচনায় ভুগতে থাকে। এভাবে তিন দিন পর গত রোববার লাশের পঁচা দুর্গন্ধ বের হলে পুলিশকে খবর দেয়া হয়। পরে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সেই দিনে মামলা রুজু হয় থানায়।’

নিহত রবিউল ইসলাম আশুলিয়ার দূর্গাপুর এলাকায় বাবা সুমন হোসেনের সাথে পরিবারের সাথে ভাড়া বাসায় থাকতো। বাড়ির মালিক আল আমিন শেখের কাছে পাওনা টাকা চাওয়ায় তার ছেলেকে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেছিলো নিহতের পরিবার।

পূর্বপশ্চিমবিডি/এআই

মৃত্যু,আশুলিয়া
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

সারাদেশ

অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close