• শুক্রবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২২, ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৯
  • ||

প্লাবিত মোংলার উপকূল, কেউ যাচ্ছে না আশ্রয় কেন্দ্রে

প্রকাশ:  ২৬ মে ২০২১, ১৩:৫২
মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে বাগেরহাটের মোংলা বন্দরে বুধবার (২৬ মে) দুপুরের জোয়ারে স্বাভাবিকের তুলনায় কয়েক ফুট পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে মোংলার সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত পশুর নদীর পাড়ের কানাইনগর, চিলা, কলাতলা, সুন্দরতলা ও জয়মনির বাড়িঘর, পুকুর পানিতে তলিয়ে গেছে।

বাড়িঘর পানিতে তলিয়ে গেলেও জাল, নৌকাসহ ঘরের মালামালের ক্ষতির আশঙ্কায় স্থানীয়দের কেউ যাচ্ছেন না আশ্রয় কেন্দ্রে। আবার ওই এলাকার অনেকেই এখনো উত্তাল নদীতে মাছ ধরছেন। পানি তলিয়ে যাওয়া বাড়িঘরে রয়েছে তাদের শিশু সন্তান ও বৃদ্ধরা।

চিলা বাজারের বাসিন্দা নির্মল চন্দ্র বলেন, পানি বাড়ার আগে সকালে নদীতে গিয়েছিলাম পোনা ধরতে, প্রায় ১শ পোনা পেয়েছি। বাতাস, ঢেউয়ে আর টিকতে না পেরে দুপুর ১২টার দিকে ফিরে এসে দেখি বাড়িঘর সব তলিয়ে গেছে। রান্নাবান্না বন্ধ খাবো কি? আশ্রয় কেন্দ্রেও যাচ্ছি না, কারণ সেখানে গেলে জাল, নৌকা ও ঘরের মালামালের ক্ষতি হয়ে যাবে। তাই হাঁটু পানিতে ঘরের মধ্যেই রয়েছি, দেখি কি হয়!

একই এলাকায় ১০ বছরের তমা বাড়িঘরের মালামাল উঁচু স্থানে সরাচ্ছেন। জানতে চাইলে শিশুটি বলেন, ঘরে পানি উঠছে, তাই জিনিস সরাচ্ছি, বাবা-মা তো বাড়িতে নেই। তারা নদীতে মাছ ধরতে গেছে। আমি আর আমার ছোট তিন ভাইবোন বাড়িতে রয়েছি।

দুর্যোগের সময়েও নিরাপদে না থেকে মোংলার সুন্দরবনের পশুর নদীতে জেলেদের মাছ ধরতে যাওয়ার বিষয়ে বাগেরহাটের ডিএফও মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেন বলেন, এটা দেখার দায়িত্ব কোস্টগার্ড ও মৎস্য বিভাগের।

এ বিষয়ে মোংলার ইউএনও বলেন, জেলেদের আধা ঘণ্টার মধ্যে নদী থেকে উঠে আসার জন্য খবর পাঠিয়েছি।

এদিকে ওই এলাকা বাড়িঘর পানিতে তলিয়ে রান্নাবান্না বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ওই সকল পরিবারগুলোর জন্য এক হাজার প্যাকেট খাবার প্রস্তুত করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ইউএন কমলেশ মজুমদার।

পূর্বপশ্চিমবিডি/এসএস

বাগেরহাট,মোংলা
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

সারাদেশ

অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close