• শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১, ৪ আষাঢ় ১৪২৮
  • ||
শিরোনাম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তাণ্ডব: হামলার পরিকল্পনাকারীসহ গ্রেপ্তার ১১

প্রকাশ:  ২১ এপ্রিল ২০২১, ১২:৩৭
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের হরতালের সময় শহরজুড়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও জেলার পুলিশ লাইন্সে হামলার ঘটনার ‘পরিকল্পনাকারী’সহ আরো ১১ জনকে গ্রেপ্তার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এই নিয়ে এখন পর্যন্ত জেলায় ৩২৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হলো।

বুধবার (২১ এপ্রিল) সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পুলিশের বিশেষ শাখা থেকে গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রইস উদ্দিন জানিয়েছেন, গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে ও রাতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে রয়েছে যুবদল নেতা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার ঘাটুরা গ্রামের মিজানুর রহমানের ছেলে হাসমত খন্দকার (৪৯)। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শাখা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক এবং পুলিশ লাইন্সে হামলার ঘটনায় দায়ের করা মামলার প্রধান আসামি। গ্রেপ্তারকৃত বাকিরা হেফাজতে ইসলামের কর্মী ও সমর্থক।

এতে বলা হয়, তাণ্ডবের ঘটনায় পুলিশ এখন পর্যন্ত যে ৩২৮ জনকে গ্রেপ্তার করেছে, তাদের মধ্যে ২৮৭ জন হেফাজতে ইসলামের কর্মী ও সমর্থক, ৩৮ জন বিএনপির নেতাকর্মী এবং তিন জন জামায়াত-শিবিরের কর্মী। হেফাজতে ইসলামের আহ্বানে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কয়েকটি মাদ্রাসার ছাত্ররা গত ২৬ ও ২৮ মার্চ জেলা শহরসহ তিনটি উপজেলায় ব্যাপক হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও সহিংসতা চালায়। তারা পুলিশ সুপারের কার্যালয়, পুলিশ লাইন্স, হাইওয়ে থানা, পুলিশ ফাঁড়ি, রেল স্টেশনসহ অন্তত ৫৮টি সরকারি-বেসরকারি স্থাপনাসহ আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের জেলা পর্যায়ের শীর্ষ নেতাদের বাড়িঘর ও অফিস ভাঙচুর করে এবং আগুন দেয়।

হামলার পর অজ্ঞাতনামা ৩৯ হাজার ও ৪১৪ জনের নাম উল্লেখ করে চারটি থানায় ৫৬টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর মডেল থানায় ৪৯টি, আশুগঞ্জ থানায় চারটি, সরাইল থানায় দুটি ও আখাউড়া রেলওয়ে থানায় একটি মামলা করা হয়। পুলিশ ঘটনার সময় ধারণ করা স্থির চিত্র ও সিসিটিভি ক্যামেরা ফুটেজ যাচাই-বাছাই করে অভিযুক্তদেরকে শনাক্ত করছে বলেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

পূর্বপশ্চিমবিডি/আর

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তাণ্ডব,হামলার পরিকল্পনাকারী
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

সারাদেশ

অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close