• রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০, ৫ আশ্বিন ১৪২৭
  • ||

হাসপাতালের বেহাল দশা, চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত ২ লক্ষাধিক মানুষ

প্রকাশ:  ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৩:২৩
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি

ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় ৫০ শয্যা হাসপাতালের বেহাল দশা ২ লক্ষাধিক মানুষ চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত। স্থানীয় সাংসদ নির্বাচনের পর থেকে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির কোন সভা এপর্যন্ত করা হয়নি। ফলে এ উপজেলার মানুষ মৌলিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, সাবেক সাংসদ অধ্যাপক ইয়াসিন আলী ২০১৬ সালে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা করার পর বিএনপি’র সাংসদ জাহিদুর রহমান সভাপতি হওয়ায় এ পযর্ন্ত কোন সভা আহবান করেননি। ফলে স্বাস্থ্য সেবা ভেঙ্গে পড়েছে, কমিউনিটি ক্লিনিক গুলো দেখাশুনা করছেন না কেউ।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা অফিস করছেন বে-সরকারি আল মদিনা ক্লিনিকে।

স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুস সামাদ ৩০৭ নং স্মারকে ১৯ এপ্রিল আর এমও কে অফিস আদেশ ধরিয়ে দিয়ে রেখেছেন প্রশাসনিক কাজ সুষ্ঠ ভাবে পরিচালনার জন্য।

আমার অনূপস্থিতে (প্রশিক্ষণের ছুটিতে অথবা প্রশাসনিক কারণে অন্যত্র ব্যস্থ- অনূপস্থিত থাকার কারণে) যাবতীয় দায়িত্ব পালন করবেন আর এমও ডাঃ ফিরোজ আলম।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) কমিউনিটি ক্লিনিক গুলো ঘুরে দেখা যায়, অধিকাংশ ক্লিনিক বন্ধ রয়েছে ক্লিনিকের সিএইচসিপি অথবা এফডাব্লু এ অনূপস্থিত রয়েছে।

করনাইট কমিউনিটি ক্লিনিক বন্ধ থাকার প্রসঙ্গে স্থানীয় নুর ইসলাম বলেন, সম্ভব্যত আপা মাতৃত্ব কালিন ছুটিতে রয়েছেন আর অন্যান্যরা ক্লিনিকে আসেননি।

অন্যদিকে সন্ধারই ক্লিনিকে সিএইচসিপিও ফাতেমা বেগম ও স্বাস্থ্য সহকারি অনুপস্থিত রয়েছে।

হাসপাতালে ১৪ জন ডাক্তার নিয়োগ থাকলেও ইনডোরে কেউ চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন না তারা ১দিন করে জরুরী বিভাগ দেখাশুনা করছেন। ইনডোরে আরএমও চিকৎসা দিচ্ছেন বলে ভর্তি থাকা রোগীরা জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে ক্লিনিক পরিদর্শনকারী ডাঃ মোর্শেদ বলেন, কিছু ক্লিনিকের ব্যপারে আমাদেরও নজর আছে তবে বন্ধ ক্লিনিক গুলোর কর্মকর্তারা টিএইচ স্যারের কাছে ছুটি নিয়েছে কিনা না আমার জানা নেই।

উপজেলা স্বাস্থ্য পঃপঃ কর্মকর্তা ডাঃ আব্দুস সামাদ ক্লিনিক গুলো অনিয়মের কথা স্বীকার করে বলেন, কিছু ক্লিনিকের বেতন বন্ধ রাখা হয়েছে, কাউকে আবার শোকচ করা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না বলেন, সংসদ নির্বাচনের পর এমপি মহোদয় হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির কোন সভা না করায় এ অনিয়ম গুলি বেশি হচ্ছে।

ঠাকুরগাঁও সিভিল সার্জন ডা. মাহাফুজুর রহমান বলেন, এককালিন টিএইচএ - আরএমও কে এ রকম কোন অফিস আদেশ দিতে পারেন না। শুধু মাত্র যে দিন ছুটিতে থাকবেন সে সময় দিতে পারবেন। আর ৪ বছর ধরে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা হয়নি এটা আমার জানা নেই।

এ ব্যাপারে হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ঠাকুরগাঁও ৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুর রহমান বলেন, আমি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে হাসপাতালের কোন সভা করা হয়নি। তাছাড়া করোনাভাইরাসের নামে টিএইচএ ১৩ লক্ষ টাকা ঘাপলা করেছে। সরকারিভাবে তাকে একটা গাড়ি দেওয়া হয়েছে ক্লিনিক গুলো পরিদর্শনের জন্য তাও তিনি করছেন না।


পূর্বপশ্চিমবিডি/এসএম

ঠাকুরগাঁও
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
cdbl

সারাদেশ

অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close