• শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২০, ৯ কার্তিক ১৪২৭
  • ||

সময় বাড়িয়েও ধান সংগ্রহে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়নি

প্রকাশ:  ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১৩:১৮
লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

সারাদেশে সরকারিভাবে ধান সংগ্রহের সময় ১৫ দিন বাড়লেও লক্ষ্মীপুর খাদ্য বিভাগ লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করে পারেনি। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দ্বিতীয় পর্যায়ে ধান ক্রয়ের শেষ দিন বিকেল পর্যন্ত লক্ষ্যমাত্রার ৪০.৯৮ ভাগ ধান সংগ্রহ হয়েছে। এর আগে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত লক্ষ্যমাত্রার ৪০.১ ভাগ ধান সংগ্রহ করেছে খাদ্য বিভাগ।

এদিকে প্রান্তিক কৃষকের লোকসান কমাতে ভর্তুকি দিয়ে ধান সংগ্রহ করে সরকার। হয়রানির কারণে সরকারি গুদামে ধান সরবরাহে কৃষকদের আগ্রহ কমে গেছে। চলতি বোরো মৌসুমে বাজারেও কৃষক বেশি দাম পেয়ে। এতে ধান সংগ্রহে লক্ষ্যমাত্রা পূরণে ব্যর্থ হয়েছে লক্ষ্মীপুর খাদ্য বিভাগ।

জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় সূত্র জানায়, বোরো মৌসুমে লক্ষ্মীপুরে পাঁচ হাজার ২২৬ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। ৭ মে থেকে ধান সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু হয়ে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত তা অব্যাহত ছিল। একজন কৃষক খাদ্যগুদামে সর্বনিম্ন তিন মণ থেকে সর্বোচ্চ ছয় টন ধান সরবরাহ করতে পেরেছেন।

প্রতি মণ ধান এক হাজার ৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। ৩১ আগস্ট পর্যন্ত জেলা সদর, রায়পুর, রামগঞ্জ, কমলনগর ও রামগতি উপজেলায় দুই হাজার ৯৫ টন ৭২০ মণ ধান সংগ্রহ করা হয়। এ হিসেবে লক্ষ্যমাত্রার ৪০.১ ভাগ ধান সংগ্রহ হয়েছে। পরে ধান সংগ্রহের সময়সীমা সরকার আরও ১৫ দিন (১৫ সেপ্টম্বর পর্যন্ত) বাড়িয়ে দেয়।

এর সঙ্গে লক্ষ্মীপুরে ৩৪ মেট্রিক টন বৃদ্ধি করে পাঁচ হাজার ২২৬ মেট্রিক টন থেকে পাঁচ হাজার ২৬০ মেট্রিক টন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু সময় বাড়লেও লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়নি। দুই মেয়াদে দুই হাজার ১৫৫ টন ৭২০ কেজি ধান সংগ্রহ হয়েছে। এ হিসেবে লক্ষ্যমাত্রার ৪০.৯৮ ভাগ ধান সংগ্রহ হয়েছে।

স্থানীয়রা জানিয়েছে, বিগত মৌসুমেগুলোতে বাজারে ধানের মণ ছিল ৫৮০ থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত। তখন কৃষকরা গোডাউনে ধান দেয়ার জন্য বিক্ষোভ পর্যন্ত করেছিলেন। এ মৌসুমে বাজারে তা ৯০০ থেকে ৯৫০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে। এছাড়া কৃষি কার্ড ও হয়রানির কারণে সরকারিভাবে ধান বিক্রিতে আগ্রহ কম ছিল কৃষকদের।

রামগঞ্জ উপজেলার খাদ্যগুদাম কর্মকর্তা (ওসিএলএসডি) ইসমাইল হোসেন পূর্বপশ্চিমকে বলেন, মাঠে এবার বেশি ধান উৎপাদন হয়নি। এর মধ্যে বাজারমূল্য বেশি এবং কৃষকরা নিজেদের ব্যবহারের জন্য মজুত রাখায় লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ধান সংগ্রহ করা যায়নি।

এ ব্যাপারে লক্ষ্মীপুর জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মংখ্যাই পূর্বপশ্চিমকে বলেন, আমরা লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৪১ ভাগ ধান সংগ্রহ করতে পেরেছি। এবার বাজারে দাম বেশি থাকায় সরকারি গুদামে সরবরাহে কৃষকের আগ্রহ কম ছিল।


পূর্বপশ্চিমবিডি/এসএম

লক্ষ্মীপুর
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
cdbl

সারাদেশ

অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close