• সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২০, ২২ আষাঢ় ১৪২৭
  • ||

আমফান কেড়ে নিয়েছে উপকূলের ঈদ আনন্দ

প্রকাশ:  ২৫ মে ২০২০, ১৬:২২
বরিশাল প্রতিনিধি

একদিকে করোনাভাইরাস আর অন্যদিকে ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থ বরিশালের উপকূলে দরিদ্র পরিবারে নেই ঈদের আনন্দ। কর্মহীন পরিবার তাদের ছেলে-মেয়েদের কিনে দিনে দিতে পারেনি নতুন জামা-কাপড়। কেউ আবার নতুন করে ঘর তুলতে পারেনি। ঝড়ে বসতঘর, ফসল, পুকুরের মাছ হারিয়ে কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন তারা। সরকারি-বেসরকারিভাবে ত্রাণ তৎপরতা চললেও অনেক পরিবার এখনও ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। তুলতে পারেনি নতুন ঘর।

বিশেষ করে বরিশালের ভোলা, পটুয়াখালী ও বরগুনার জেলার মূল ভূ-খন্ড থেকে বিচ্ছিন্ন দ্বীপচর ও বাঁধে আশ্রিত ছিন্নমুল মানুষের যেন কষ্টের শেষ নেই। বিবর্ণ হয়ে গেছে তাদের ঈদ আনন্দ। জেলে ও দিনমজুর ছাড়াও মানতা এবং বেদে পরিবারেও চলছে অভাব-অনাটন।

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার ঢালচর ইউপি চেয়ারম্যান সালাম হাওলাদার বলেন, ঝড়ে সম্পূর্ণ ও আংশিক মিলিয়ে শতাধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। তাদের ঈদ আনন্দ নেই। করোনা এবং ঝড় দুটোই ক্ষতিগ্রস্থ করেছে দরিদ্র মানুষদের। সরকারি-বেসরকারি পর্যায় থেকে তাদের মাঝে ত্রাণ দেওয়া হয়েছে। অনেক পরিবার কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন।

চর কুকরী-মুকরী ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হাসেম মহাজন বলেন, ঝড়ে চর পাতিলায় ২০টি পরিবার ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। তাদের ত্রাণ সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে সরকারি হিসাবে, ঝড়ে জেলার ৩৩২টি ঘর সম্পূর্ণ ও ১৬০০ ঘর আংশিক বিধ্বস্ত হয়েছে। এছাড়াও রাস্তা-সড়ক ও বাঁধের ৩৪ কিলোমিটার এবং ৬ হাজার কৃষি ফসল ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ফলে উপকূলীয় এই এলাকার মানুষের ঈদ আনন্দ একেবারে যেন মাটি হয়ে গেছে। একই অবস্থা বিরাজ করছে পটুয়াখালী ও বরগুনার উপকূলীয় এলাকাগুলোতেও।

পূর্বপশ্চিমবিডি/আরএইচ

আমফান,ঈদ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

সারাদেশ

অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close