• শুক্রবার, ২৯ মে ২০২০, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৭
  • ||

ঘূর্ণিঝড় আমফান মোকাবিলায় সোনাগাজীতে অর্ধশত আশ্রয়ন কেন্দ্র প্রস্তুত

প্রকাশ:  ১৯ মে ২০২০, ১৪:৩৯
ফেনী প্রতিনিধি

আসছে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘আমফান’। ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপকূলীয় এলাকায় বিশেষ সর্তকতা জারি করা হয়েছে। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট এই ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় ফেনীর সোনাগাজীতে অর্ধশত আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। পাশাপাশি উপজেলার উপজেলার সব সরকারী দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

বর্তমানে করোনার পরিস্থিতিতে আশ্রয়ন কেন্দ্রে অবস্থানরতদের জন্য সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করার লক্ষ্যে উপজেলার সব কয়টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকেও দূযোর্গকালীন সময়ে আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ঘোষণা করে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। আমফানের প্রভাবে মঙ্গলবার (১৯ মে) সকাল থেকে আকাশে হালকা মেঘ দেখা গেলেও তীব্রদাপ প্রভাহে জনজীবনের স্ববিরতা নেমে আসে। কিন্তু ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে বৃষ্টির বা বাতাসের তীব্রতা দেখা যায়নি। গত রোববার বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, চিকিৎসক ও সিপিপির স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে ঘূর্ণিঝড় আমফান মোকাবিলায় আয়োজিত প্রস্তুতি সভায় এ তথ্য জানানো হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অজিত দেব বলেন, ঘূর্ণিঝড় ও দুর্যোগ মোকাবিলায় এবং জানমালের ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনাসহ জনগনকে সতর্ক করার লক্ষ্যে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ঘূর্ণিঝড় আমফান মোকাবিলায় সোনাগাজীতে অর্ধশত ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রসহ উপজেলার সব কয়টি বিদ্যালয়কে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। উপজেলায় একটি নিয়ন্ত্রণকক্ষ খোলা হয়েছে এবং ১১টি চিকিৎসক দল, ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের প্রস্তুত রাখা হয়েছে। দূর্যোগকালীন উদ্ধার তৎপরতাসহ বিভিন্ন কাজের জন্য সিপিপির দেড় হাজার স্বেচ্ছাসেবকসহ দুই হাজার কর্মী প্রস্তুত রয়েছেন। মজুদ তহবিল রাখা হয়েছে শুকনো খাবার। এছাড়া বর্তমান বোরো মৌসুমে মাঠে থাকা ধানগুলো দ্রুত কেটে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য ইউপি চেয়ারম্যানদের মাধ্যমে কৃষকদেরকে বলা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতির কর্মসূচীর (সিপিপি) উপজেলা দল নেতা শান্তি রঞ্জন কর্মকার বলেন, ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হওয়ার পর থেকে উপজেলার সর্বত্র সিপিপির সদস্যরা প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে। প্রতিটি এলাকায় জনগনকে ঘূর্ণিঝড় সম্পর্কে সর্তক করে জানমাল ও গবাদি পশুর নিরাপদে সরি নিয়ে প্রস্তুতি নেওয়ার জন্য আহবান জানাচ্ছেন। উপকূলীয় অঞ্চলের জেলেদেরকে দূর্যোগকালীন সময়ে নদীতে মাছ ধরা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। ইতিমধ্যে সিপিপির স্বেচ্ছাসেবকরা উপকূলীয় এলাকায় মাইকিং করে জনগনকে নিরাপদে থাকতে সর্তক করছেন।


পূর্বপশ্চিমবিডি/এসএম

আমফান,ফেনী
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

সারাদেশ

অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close