• শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৫ ফাল্গুন ১৪২৬
  • ||

বিকেল হলেই লাপাত্তা গেইটম্যান, ঝুঁকি নিয়ে রেলগেইট পারাপার

প্রকাশ:  ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৪:৪১ | আপডেট : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৪:৫১
ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জ জেলার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জংশন হচ্ছে ভৈরব জংশন। দেশের সকল রেল জংশনের মধ্য অন্যতম জংশন। এই জংশন দিয়ে ব্যবহার করে সকাল থেকে শুরু করে রাত অবধি ঢাকা-সিলেট বা চট্টগ্রাম এবং চট্টগ্রাম /সিলেট - ঢাকা বা কিশোরগঞ্জ-ঢাকা লাইনে আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল করে থাকে। এরকম একটি গুরুত্বপূর্ণ রেলগেইটের দায়িত্বপ্রাপ্ত গেইট কিপারকে বিকেলের পর থেকে রেলক্রসিং এলাকায় দেখা মেলেনি বলে স্থানীয় লোকদের অভিযোগ।

শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ভৈরব জংশনের এক কিলোমিটার দূরে ঢাকা-চট্টগ্রাম/সিলেট রেললাইনের জগনাথপুর এলাকার রেলক্রসিং দিয়ে ঢাকা-চট্রগ্রাম রেললাইনে মহানগর ট্রেন পারাপাড়ের সময় এই দৃশ্য চোখে পড়ে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ব্যস্তময় এই রেলক্রসিং এলাকার গেইটটি বিকেল থেকেই হয়ে উঠে অনিরাপদ। রাস্তা থেকে রেললাইন বেশ উচুতে থাকায় পথচারী এমন কি কোন যানচালক ট্রেনের গতিবিধি বুঝার আগেই চলে আসেন দুই রেইল লাইনের মাঝে যা যেকোন সময় ঘটাতে পারে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা।

আমলাপাড়ার বাসিন্দা নাঈম হক অভিযোগ করে বলেন, রেল গেইট রক্ষণাবেক্ষণের জন্য নিযুক্ত থাকে একজন গেইট কিপার যিনি সংকেত রুম থেকে সংকেত পাওয়া মাত্র গেইট আটকে রাস্তা অবরোধ করে ট্রেন দুর্ঘটনারোধে সহায়তা করাই তার দায়িত্ব কিন্তু এই জংশনের খুব নিকটে ব্যস্ততম একটি রেলগেইট। বিকেলের পর থেকেই রেল গেইটে দেখা মেলেনি কোন লোকের। এক প্রকার ঝুঁকি নিয়েই পারাপর করছে শতাথিক যানবাহন। এ বিষয়ে রেলওয়ে কতৃর্পক্ষের নজরদারির দাবি জানান।

ভৈরব রেলওয়ে একেএম কামরুজ্জামান জানান, রেললাইনের ক্রসিংগুলো ট্রেন চলাচলে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। যদি কোন গেইটম্যান তার দায়িত্ব অবহেলা করে তাহলে সেটা হবে তার দায়িত্বহীনতা। তবে এই ধরণের কোন অভিযোগ আমাদের কাছে আসেনি। যদি এই ধরণের অভিযোগ আসে তাহলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিবেন বলে তিনি জানান।


পূর্বপশ্চিমবিডি/ইমি

ভৈরব,ঝুকিপূর্ণ রেলগেট
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

সারাদেশ

অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close