• সোমবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৯, ৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
  • ||

অবশেষে শিকলমুক্ত হলো সেই ৩ মাদরাসাছাত্র

প্রকাশ:  ০৭ নভেম্বর ২০১৯, ১৫:৪৪ | আপডেট : ০৭ নভেম্বর ২০১৯, ১৫:৫২
গাজীপুর প্রতিনিধি

গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার তুমিলিয়া ইউনিয়নের ভাইযাসূতি হাফিজিয়া মাদরাসা ও এতিমখানার সেই তিন ছাত্রের শিকল খুলে দেওয়া হয়েছে।

কালীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শিবলী সাদিক জানান, গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার তুমিলিয়া ইউনিয়নের ভাইয়াসূতি হাফিজিয়া মাদরাসা ও এতিমখানার ওই ছাত্রের শিকল খুলে দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৬ নভেম্বর) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তাদের শিকলমুক্ত করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শিবলী সাদিক।

কালীগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. জুবের আলমকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে উল্লেখ করে তিনি ইউএনও জানান, তাদেরকে তদন্ত প্রতিবেদন তৈরির জন্য সাত কর্মদিবস সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

১৩ বছর বয়সী ওই শিশুরা ওই মাদ্র্রাসার হেফজখানার ছাত্র। তারা মাদরাসা থেকে বিভিন্ন সময় পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগে অভিভাবকরাই পায়ে শিকল ও তালা আটকিয়ে রেখে গিয়েছিল বলে জানিয়েছে মাদরাসা শিক্ষকরা। বিষয়টি শুরুতে নজরে আসে স্থানীয় সাংবাদিকদের।

এ নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি নজরে আসে উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. শিবলী সাদিকের। তাদের দুইজনের বাড়ি নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ডাঙ্গা ইউনিয়নে। তারা মামা-ভাগনে। অন্যজনের বাড়ি গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার তুমলিয়া ইউনিয়নের টেক মানিকপুর গ্রামে।

মাদরাসার সচিব বদরুজ্জামান ভূঁইয়া রতন দাবি করেছিলেন, এর আগে মাদরাসার এক শিক্ষার্থীকে মারধর করার অভিযোগে মাদরাসায় সালিশ বসেছিল। সে সময় তাকে বলে দেওয়া হয়েছিল কোনো শিক্ষার্থীকে যেন মারধর না করা হয়। তাছাড়া শিকল খুলে দিতেও বলা হয়েছিল। কিন্তু তত্ত্বাবধায়ক শোনেনি।

মাদরাসা তত্ত্বাবধায়ক মো. আরিফুল্লাহ বলেন, তারা পালিয়ে যায় বলে তাদের অভিভাবকরাই শিকল দিয়ে পায়ে তালা দিয়েছেন।

মাদরাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি রেজাউল করিম রানু মাস্টার বলেন, মিডিয়ায় প্রকাশের পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আমাকে জানান। তিনি নিজে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।


পূর্বপশ্চিমবিডি/ইমি

শিকলমুক্ত,মাদরাসা ছাত্র,গাজীপুর
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

সারাদেশ

অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত