Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর ২০১৯, ৬ কার্তিক ১৪২৬
  • ||

রাত থেকে ২২ দিন মেঘনায় মাছ ধরা নিষিদ্ধ

প্রকাশ:  ০৮ অক্টোবর ২০১৯, ১১:০৪
লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি
প্রিন্ট icon
ফাইল ছবি

মা ইলিশ সংরক্ষণের লক্ষে আজ (মঙ্গলবার, ৯ অক্টোবর) রাত ১২টা থেকে ৩০ অক্টোবর রাত ১২টা পর্যন্ত ২২দিন মেঘনা নদীর বিভিন্ন অববাহিকায় সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। মৎস্য বিভাগ এ নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। পাশাপাশি ইলিশ ক্রয়-বিক্রয়, সংরক্ষণ এবং পরিবহনও নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

উপজেলা মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, জাতীয় মাছ ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম হওয়ায় লক্ষ্মীপুরের কমলনগর ও রামগতি উপজেলাসহ দেশের উপকূলীয় বেশ কয়েকটি উপজেলার নদী অঞ্চলের প্রধান প্রজনন পয়েন্টগুলোতে ওই ২২ দিন সব ধরনের মাছধরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, বাজারজাতকরণ, বিক্রয় ও মজুতও নিষিদ্ধ করা হয়। আর সরকারি এ আইন বাস্তবায়নে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। এ কার্যক্রমে মৎস্য বিভাগের পাশাপাশি অংশ নিচ্ছেন জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, ইউনিয়ন পরিষদ, র‌্যাব, পুলিশ, বিজিবি, কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনী।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আবদুল কুদ্দুস পূর্বপশ্চিমকে জানান, আশ্বিন মাসের ভরা পূর্ণিমায় মা ইলিশ সব চেয়ে বেশি পরিমাণ ডিম ছাড়ে। এ সময়টাকে ইলিশের ভরা প্রজনন মৌসুম হিসেবে ধরা হয়। এ সময় মা ইলিশ ডিম ছাড়ার জন্য মেঘনা উপকূলে চলে আসে। যে কারণে, ৯ অক্টোবর থেকে ৩০ অক্টোবর (চন্দ্রমাসের ভিত্তিতে প্রধান প্রজনন মৌসুম ধরে আশ্বিন মাসের পূর্ণিমার দিন, এর আগের চারদিন ও পূর্ণিমার পর ১৭ দিনসহ ২২ দিন) পর্যন্ত মেঘনায় সব ধরনের মাছধরার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এই ২২ দিন যাতে মা ইলিশ ধরা না হয় সে জন্য অন্যান্য এলাকার মতো মেঘনা নদীর চাঁদপুরের ষাটনল থেকে লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার চরআলেকজান্ডার পর্যন্ত ১০০ কিলোমিটার এলাকায় মাছধরার ওপর এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

তিনি বলেন, সরকারি এ আদেশ অমান্য করলে দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে অভিযুক্তদের কমপক্ষে এক বছর থেকে সর্বোচ্চ দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড অথবা পাঁচ হাজার টাকা জরিমানাসহ উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে। তাছাড়া এই সময়ে মা ইলিশ আহরণ থেকে বিরত থাকা জেলেদেরকে ২০ কেজি করে ভিজিএফ’র চাল দেওয়ার কথা রয়েছে।

মৎস্য সম্পদ উন্নয়ন ও সংরক্ষণ বিষয়ক কমলনগর উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটির সভাপতি এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমতিয়াজ হোসেন পূর্বপশ্চিমকে জানান, সরকারের এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে উপজেলার মতিরহাট থেকে রামগতির চরআলেকজান্ডার পর্যন্ত তদসংলগ্ন মেঘনা নদী, মাছ বাজার ও আড়তগুলোতে ২৪ ঘণ্টা অভিযান অব্যাহত থাকবে। জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে নদী উপকূলীয় এলাকায় মাইকিং, ব্যানার ও লিফলেট বিতরণ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।


পূর্বপশ্চিমবিডি/এসএম

লক্ষ্মীপুর
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

সারাদেশ

অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত