Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • শনিবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৯, ৩ কার্তিক ১৪২৬
  • ||

পুত্রবধূকে ধর্ষণ থেকে বাঁচাতে প্রাণ গেলো শাশুড়ির, ১২ দিনেও গ্রেফতার নেই

প্রকাশ:  ০৫ অক্টোবর ২০১৯, ০০:২৮ | আপডেট : ০৫ অক্টোবর ২০১৯, ০২:৫৯
মেহেদী হাসান, জামালপুর প্রতিনিধি
প্রিন্ট icon
ধর্ষণের চেষ্টাকারী আসামি জহুরুল ইসলাম। ছবি: পূর্বপশ্চিম

জামালপুরের মাদারগঞ্জে পুত্রবধূকে ধর্ষণকারীদের হাত থেকে বাঁচাতে গিয়ে হামলায় জীবন দিতে হয়েছে শাশুড়িকে। এ ঘটনার মামলায় ১০ দিনেও কোনো আসামিকে গ্রেফতার করা হয়নি। পুলিশ সুপার বলছে, আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

খোকন মিয়ার স্ত্রী ভিকটিম চায়না আক্তার বলেন, বেশ কিছুদিন ধরে প্রতিবেশি জহুরুল তাকে কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। ঘটনার দিন মাঠে একা পেয়ে তাকে জড়িয়ে ধরে জোরপূর্বক সম্ভ্রমহানীর (ধর্ষণ) চেষ্টা করে। এ সময় চিৎকারে শাশুড়ি বাঁচাতে এগিয়ে আসলে জহুরুল ও তার লোকজন হামলা চালায়। আহত অবস্থান হাসপাতালে নিয়ে গেছে চিকিৎসক আমার শাশুড়ি মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় মামলা হলেও এখনো আসামিদের গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।

স্থানীয় বাসিন্দা সাগর আলী জানান, জহুরুলের বিরুদ্ধে নারীদের উত্যক্ত করার অভিযোগ আগেও ছিলো। পুত্রবধুর সম্ভ্রম বাঁচাতে গেলে সরমলা বেগমকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। তিনি এ ঘটনার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

এ ব্যাপারে জামালপুরের পুলিশ সুপার মো. দেলোয়ার হোসেন পূর্বপশ্চিমকে বলেন, পারিবারিক বিরোধে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ সকল আসাসিমের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারে সক্ষম হবো।

পোড়াবাড়ি গ্রামে গোলাম মোস্তফা জানান, তার পুত্রবধুকে দীর্ঘদিন থেকে কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিল প্রতিবেশি জহুরুল ইসলাম। সে প্রস্তাবে রাজী না হওয়ায় তার পুত্রবধূকে তুলে নিয়ে ধর্ষণের হুমকী দেয়। রোববার (২২ সেপ্টেম্বর) বিকালে বাড়ির পাশে মাঠে ছাগলকে খাওয়াচ্ছিলেন ওই গৃহবধূ। খোলা মাঠে একা পেয়ে জহুরুল গৃহবধূকে জড়িয়ে ধরে সম্ভ্রমহানীর চেষ্টা করে। গৃহবধূর চিৎকারে তার শাশুড়ি সরমলা বেগম (৫২) এগিয়ে এলে জহুরুল ও তার সহযোগীরা গৃহবধু এবং তার শাশুড়ির উপর হামলা চালায়। হামলায় গুরুত্বর আহত সরমলাকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হলে ঘটনার দিন রাত সাড়ে ১১টায় মারা যান। পরদিন ২৩ সেপ্টেম্বর সদর থানার পুলিশ নিহতের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করেন। ওই ঘটনায় নিহতের স্বামী গোলাম মোস্তফা বাদি হয়ে ধর্ষণ চেষ্টাকারী জহুরুল ইসলামসহ ৪ জনকে আসামি করে মাদারগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। পুলিশ মামলাটি গ্রহণ করলেও এখনো কোন আসামিকে গ্রেফতার করতে পারেনি।

এদিকে চাঞ্চল্যকর হত্যা মামলার আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন পোড়াবাড়ি গ্রামবাসীরা।


পূর্বপশ্চিমবিডি/কেএম

হত্যা,শাশুড়ি,গ্রেফতার,আসামি,১২ দিন
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

সারাদেশ

অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত