Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • বৃহস্পতিবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৯, ২ কার্তিক ১৪২৬
  • ||

নওগাঁয় ‘লাম্পি স্কিন ডিজিজ’ রোগে শঙ্কিত খামারীরা

প্রকাশ:  ০৪ অক্টোবর ২০১৯, ১৪:৫৬
নওগাঁ প্রতিনিধি
প্রিন্ট icon

নওগাঁয় হঠাৎ করেই জেলার রাণীনগর, মহাদেবপুরসহ আরো কয়েকটি উপজেলায় গবাদি পশুর ভাইরাস জনিত চর্মরোগ 'লাম্পি স্কিন ডিজিজ' এর ব্যাপক প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এতে চরম আতঙ্কিত ও দিশেহারা হয়ে পড়েছেন খামারিরা। তারা বলছেন, এ রোগের সুনির্দিষ্ট প্রতিষেধক বা ভ্যাকসিন না থাকায় প্রাদুর্ভাবের শঙ্কা আরও বাড়ছে। তবে শঙ্কিত না হয়ে খামারিদের সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তারা।

মহাদেবপুর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের খামারিদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, প্রথমে গরুর চামড়ার উপরি অংশে টিউমার জাতীয় উপসর্গ ও বসন্তের মতো গুটি গুটি দেখা যায়। এরপর দু’ একদিনের মধ্যেই গরুর শরীর জুড়েই গুটি গুটি হয়ে ঘা’য়ে পরিণত হয়। এ সময় গরুর শরীরে ১০৪ থেকে ১০৬ ডিগ্রী তাপমাত্রার জ্বর দেখা দেয় এবং গরু খাওয়া ছেড়ে দেয়। অনেক সময় গরুর বুকের নিচে পানি জমে ক্ষত সৃষ্টি হচ্ছে। এছাড়া ক্ষত স্থান থেকে মাংস খুলে পড়ছে।

উপজেলা প্রাণী সম্পদ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, 'লাম্পি স্কিন ডিজিজ' রোগটি প্রথম ১৯২৯ সালে জাম্বিয়াতে দেখা দেয়। পরে আফ্রিকা মহাদেশের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে। ২০১৩ সালে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহে এবং ২০১৪-১৫ সালে আজারবাইজান, আর্মেনিয়া, কাজাকিস্থানসহ আশেপাশের দেশসমূহে এ রোগ দেখা দেয়। ২০১৬ সালে গ্রীস, সাইপ্রাস, বুলগেরিয়া, সার্বিয়া, কসোভোসহ আশেপাশের দেশসমূহে ছড়িয়ে পড়ে। ২০১৯ সালে চীন ও ভারতে আক্রান্তের পরেই বাংলাদেশে এ রোগটি অতি সম্প্রতি প্রথম বারের মতো দেখা দেয়। এ রোগ মশা, মাছি, আটালি, আক্রান্ত পশুর লালা, নাক-চোখের ডিসচার্জ, ষাড়ের বীর্য, আক্রান্ত গরু মহিষের দুধ এবং ব্যবহৃত ইনজেকশনের সিরিঞ্জের মাধ্যমে ছড়ায়। অনুকূল পরিবেশে এ ভাইরাজ ছয় মাস পর্যন্ত জীবিত থাকে। ভাইরাস জনিত এ চর্ম রোগে শুধুমাত্র গরু মহিষ আক্রান্ত হয়। 'লাম্পি স্কিন ডিজিজ' রোগে আক্রান্ত গবাদি পশু দুর্বল হয়ে ওজন কমে যায়, দুধ উৎপাদন হ্রাস পায় এবং চামড়ার গুনগতমান নষ্ট হয়ে যায়।

জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা উত্তম কুমার বলেন, ল্যাম্পি স্কিন ডিজিজে জেলার রাণীনগর ও মহাদেবপুর উপজেলাতে গবাদিপশু আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। মহাদেবপুর উপজেলার এনায়েতপুর, রাইগাঁ ও চেরাগপুর ইউনিয়নে এ পর্যন্ত ২’শ গরু এই রোগে আক্রান্ত হয়েছে। তবে এ রোগে কোথাও গরু মারা যাওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। লোকজনকে সচেতন করতে লিফলেট বিতরণ এবং ফ্রি চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

পূর্বপশ্চিমবিডি/পিআই

গবাদি পশু,ভাইরাস,নওগাঁ,খামারিরা,ভ্যাকসিন
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

সারাদেশ

অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত