Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • রোববার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৭ আশ্বিন ১৪২৬
  • ||

ইসলামপুরে সরকারি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

প্রকাশ:  ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৯:২৬ | আপডেট : ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৯:২৮
জামালপুর প্রতিনিধি
প্রিন্ট icon

জামালপুরের ইসলামপুরে এস.এম.এ.আর মেমোরিয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সভাপতির স্বাক্ষর জালিয়াতি’র ঘটনা ঘটেছে। স্বাক্ষর জালিয়াতির মাধ্যমে সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে।

জানা যায়, ইসলামপুর পৌরসভার এস.এম.এ.আর মেমোরিয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংস্কারের জন্য সম্প্রতি দুই লাখ টাকা বরাদ্ধ দেয়া হয়। সরকারি বরাদ্দকৃত অর্থ বিদ্যালয়ের কাজে ব্যয় না করে ভূয়া বিল ভাউচারে সিংহভাগ আত্মসাত করা হয়েছে। কাজ না করে শিক্ষা কর্মকর্তার যোগসাজশে ভূয়া ভাউচারে অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে। ৫০ হাজার টাকা ভাউচার দিয়ে ১০টি কাঠের বেঞ্চ বানানো হয়েছে যা অতি নিম্নমানের। একই ভাবে ভাউচারে অতিরিক্ত টাকা তুলে একটি স্টিলের ফাইল ক্যাবিনেট ও আলমিরা বানানোসহ মেরামতের অন্যান্য খাত দেখানো হয়েছে। যা বাস্তবের সাথে কোনও মিল নাই।

সরকারি অর্থ আত্মসাত করতে সভাপতির ও কমিটির একজন সদস্যর স্বাক্ষর জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছে প্রধান শিক্ষক। কোনও সভা আহবান না করলেও সভাপতি ও একজন সদস্যর স্বাক্ষর জালিয়াতি করে ভূয়া রেজুলেশন শিক্ষা অফিসে দাখিল করা হয়েছে। একই অবস্থা উপজেলার অন্যান্য প্রাথমিক বিদ্যালয়েও।

বিদ্যালয়টি সংস্কার কাজে যেসব প্রতিষ্ঠানের নামে বিল দেখানো হয়েছে সেগুলো হচ্ছে- মেসার্স আমজাদ ফার্নিচার মাঠ নামে ৯৬ হাজার ৯শ টাকা, ভাই ভাই মেশিনারীজ এন্ড হার্ডওয়ার স্টোর ৩৮ হাজার ৯শ টাকা, মেসার্স সবুজ এন্টারপ্রাইজ ৬ হাজার ৭শ ৫০টাকা, মেসার্স উজ্জল এন্টারপ্রাইজ ৪ হাজার ৫শ টাকা, টলি মালিক মো. রাশেদ মিয়া নামে ৪ হাজার ৯শ ৫০ টাকা, রাজমিস্ত্রি জালাল মিয়ার নামে ৪ হাজার, রং মিস্ত্রি আলাল মিয়ার নামে ১৩ হাজার ও ট্রাক্টর মালিক আজিজ মিয়ার নামে ৩১ হাজার টাকা ভূয়া বিল-ভাউচার দেখানো হয়েছে। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার যোগসাজশে এ অর্থ আত্মসাত করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যালয়ের নামে বরাদ্দ সরকারি অর্থ আত্মসাতের ঘটনা ফাঁস হবার পর শিক্ষার্থী ও অভিভাবক মহলে তীব্র ক্ষোভের সৃস্টি হয়েছে।

এস.এম.এ.আর মেমোরিয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি মোরশেদুজ্জামানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বিদ্যালয়ে মেরামত কাজের ব্যাপারে তিনি কিছুই জানেন না। এ বিষয়ে বিদ্যালয় কমিটির কোন সভা বা রেজুলেশন হয়নি। প্রধান শিক্ষককে কমিটি’র সভা আহবান করতে বললেও প্রধান শিক্ষক সভা না করে নিজের ইচ্ছামত বিদ্যালয়ের কার্যক্রম করছেন। সভাপতি ও সদস্য মারফুজার স্বাক্ষর জালিয়াতি করে প্রধান শিক্ষক শিরিনা পারভীন ভূয়া রেজুলেশন করেছেন। নিরপেক্ষ তদন্ত করলে বের হয়ে আসবে জালিয়াতির ঘটনা।

এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষক শিরিনা পারভীন সাংবাদিকদের জানান, তার বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগ সঠিক না। কারোর স্বাক্ষর জালিয়াতির ঘটনাও সঠিক না।

ইসলামপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ কামরুজ্জামান সাংবাদিকদর জানান, মেরামত কাজের বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কমিটি পরিদর্শন ও সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী কাজের স্ট্রিমেট তৈরি করেছে। এর পরেও কোনও অনিয়ম হলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তার বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগ সঠিক নয়।

পূর্বপশ্চিমবিডি/অ-ভি

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

সারাদেশ

অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত