• মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২০, ১৪ মাঘ ১৪২৬
  • ||

ট্রেনে বিপজ্জনক ভ্রমণে হারাচ্ছে প্রাণ

প্রকাশ:  ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৬:৪৮
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

জেল-জরিমানা করা হলেও থামছে না ট্রেনে ঝুঁকিপূর্ণ ও বিপজ্জনক ভ্রমণ। স্টেশন কর্তৃপক্ষ অভিযান চালিয়ে মাইকিং করেও ফল পাচ্ছে না। ট্রেনের ছাদে, ইঞ্জিনে, বগির দরজার রেলিংয়ে বাদুর ঝুলা হয়ে, দুই বগির সংযোগস্থলের বাফারে বসে গন্তব্যে যাচ্ছেন যাত্রীরা।

টিটিই কিংবা টিকিটের টাকা বাচাতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এ ধরণের ট্রেন ভ্রমণে কোন বাধাই মানছে না যাত্রীরা। ফলে পূর্বাঞ্চল রেলপথে ট্রেন থেকে পড়ে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। হারাচ্ছে প্রাণও। চলতি বছরের জানুয়ারি মাস থেকে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত আখাউড়া রেলসেকশনে ৪৫টি মরদেহ উদ্ধার করেছে আখাউড়া রেলওয়ে পুলিশ। উদ্ধারকৃত লাশগুলোর মধ্যে একটির মামলা হলেও বাকি ৪৪টি অজ্ঞাত লাশ হিসাবে দাফন সম্পন্ন করা হয়।

রেলওয়ে পুলিশ বলছে, অসাবধানতায় রেল লাইন পারাপার, ট্রেনের ছাদে ভ্রমণ, দরজায় কিংবা বাফারে বসে ঝুঁকিপূর্ণ ও বিপজ্জনক ভ্রমণে ট্রেনে কাটা পড়ে মৃত্যু হয় অনেকের।

আখাউড়া রেলওয়ে জংশন ষ্টেশন হয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম কিংবা আখাউড়া হয়ে চট্টগ্রাম-সিলেট রেলপথে চলাচলকারি বিভিন্ন ট্রেনে ঝুঁকিপূর্ণ ও বিপজ্জনক ভ্রমণে অভিযান চালিয়ে গত ক’দিনে শতাধিক যাত্রীকে কারাগারে পাঠিয়েছে রেলওয়ে পুলিশ। তার পরও যাত্রীরা ট্রেনে বিপজ্জনক ভ্রমণ থামছেই না।

আখাউড়া রেলওয়ে জংশন স্টেশনের সুপারিন্টেন্ডেন্ট মো. খলিলুর রহমান যুগান্তরকে জানান, জনসচেতনতায় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে প্রচার প্রশারণা চালাচ্ছে। তবে তিনি মনে করেন মানুষ সচেতন না হওয়া পর্যন্ত তা পুরোপুরি রোধ করা সম্ভব নয়।

পূর্বপশ্চিমবিডি/আরএইচ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

সারাদেশ

অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত