Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৫ আশ্বিন ১৪২৬
  • ||

হুমকির মুখে রামুর রাবার বাগান

প্রকাশ:  ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৬:১১
কক্সবাজার প্রতিনিধি
প্রিন্ট icon

বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ রাবার বাগান হচ্ছে কক্সবাজারের রামুর রাবার বাগান। রামুর ঐতিহ্যবাহী রাবার বাগানটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং মনোরম পরিবেশ যে কারো মনে প্রশান্তি ও আনন্দ দেয়।

জানা গেছে, কক্সবাজারের রামুর জোয়ারিয়ানালা এলাকায় দেশে কাচাঁ রাবারে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের জন্য বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশনের উদ্যাগে ১৯৬০ সালে ৩০ একর জমিতে মালয়েশিয়া থেকে বীজ এনে সরকারিভাবে গড়ে তোলা হয় প্রথম মাতৃ রাবার বাগান। বর্তমানে এর আয়তন ২হাজার ৬৮২ একর। এ বাগানে রয়েছে ১লাখ ৮০ হাজার ৬১৬ টি গাছ। এর মধ্যে উৎপাদনশীল গাছের সংখ্যা ৯৪হাজার ৫৬৮টি।

সরেজমিনে দেখা গেছে, বাগানের গাছগুলোয় ঝুলছে ছোট ছোট প্লাস্টিকের পাত্র। গাছের কাটা অংশ দিয়ে সেই পাত্রে চুইয়ে পড়ছে সাদা ধবধবে কষ, জমা হওয়া কষ সংগ্রহ করে নিয়ে যাচ্ছেন শ্রমিকরা।

বাগানে মাঠ তত্ত্বাবদায়ক আবুল হুদা জানান, মূলত সারা বছরই রাবার উৎপাদন হয়। তবে অক্টোবর থেকে জানুয়ারি পর্যন্ত চার মাস পর্যন্ত উৎপাদনের ভরা মৌসুম। মৌসুমে প্রতিদিন রাবার বাগান থেকে চার হাজার থেকে সাড়ে চার হাজার কেজি কষ আহরণ করা হয়। শীতে আহরণ বেশি হয়। বর্ষায় উৎপাদন কমে আসে। এসব কষ আহরণে নিয়মিত-অনিয়মিত ২২০ জন শ্রমিক নিয়োজিত। কারখানা তত্ত্বাবদায়ক নুরুল আনোয়ার জানান বাগান থেকে সাদা কষ সংগ্রহের পর সাতদিনের মধ্যে তা প্রক্রিয়াজাত করে শুকনা রাবারে পরিণত করা হয়। এভাবে মৌসুমে প্রতিদিন ৩০-৩৫টন শুকনা রাবার উৎপাদন হচ্ছে।

এছাড়া রাবার আমদানিতে নামমাত্র শুল্ক বসানো এবং ১৫ শতাংশ ভ্যাট দেশের রাবার শিল্পের বিপর্যয়ের অন্যতম কারণ বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। উৎপাদন বাড়লেও হুমকির মুখে রামুর রাবার বাগান।

পূর্বপশ্চিমবিডি/আরএইচ

কক্সবাজার
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

সারাদেশ

অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত