Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৫ আশ্বিন ১৪২৬
  • ||

‘অসম প্রেমে’ প্রাণ হারালো কিশোর

প্রকাশ:  ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৮:২২ | আপডেট : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৮:৩৩
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট icon

কুলাউড়া উপজেলার কর্মধা ইউনিয়নে সুলেমান নামের ১৩ বছরের এক কিশোরকে পিঠিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ ২ নারীসহ একই পরিবারের ৩ জনকে আটক করেছে। নিহত কিশোরের বড় ভাই ইমান আহমদ বাদী হয়ে রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) কুলাউড়া থানায় ৫ জনের নামে হত্যা মামলা (মামলা নং-১২) দায়ের করেছেন।

স্থানীয় লোকজন ও মামলা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার কর্মধা ইউনিয়নের পূর্ব ফটিগুলি এলাকার আনু মিয়ার মেয়ের সাথে একই এলাকার মৃত বাজিত মিয়ার ছেলে সুলেমান মিয়ার সাথে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। শুক্রবার রাতে সুলেমান মিয়া আছলিমার সাথে দেখা করতে তার বাড়িতে যায়। এসময় আছলিমার বড় ভাই রেদওয়ান (২৫) তার বোনের সাথে সুলেমানকে দেখতে পেয়ে তাকে বেধড়ক মারপিট করে। এসময় তার চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এলে উদ্ধারের চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হন। এক পর্যায়ে স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বার মাসুক মিয়াসহ আরও লোকজন এসে সুলেমানকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়া সিলেট ওসমানী হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। ঘটনার পরদিন শনিবার (৭ সেপ্টেম্বর) রাত ৯টায় সিলেট ওসমানী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সুলেমানের মৃত্যু হয়।

স্থানীয় চেয়ারম্যান এম এ রহমান আতিক জানিয়েছেন- নিহত কিশোরের সাথে আনু মিয়ার অপ্রাপ্তবয়ষ্ক মেয়ের প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। ঘটনার দিন কিশোর সুলেমান মেয়েটির বাড়িতে গিয়েছিলো। সেখানে মেয়েটির আপন ভাই তাদের দেখে আনু মিয়াসহ কিশোরের উপর অমানবিক নির্যাতন চালায়। এক পর্যায়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য কিশোরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়। ওসমানী হাসপাতালে ছেলেটির মৃত্যু হয়।

মামলায় অভিযুক্ত রেদওয়ান (২৫), তার বাবা আনু মিয়া (৬৫), মা পিয়ারা বেগম (৪০) ও তার বোন আছলিমা বেগমকে (১৫) আসামি করা হয়। রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) পুলিশ অভিযুক্ত রেদওয়ান বাদে সবাইকে আটক করেছে।

কর্মধা ইউনিয়নের মেম্বার মো. মাসুক মিয়া জানান, পূর্ব শত্রুতা থাকতে পারে। আমি ছেলেকে উদ্ধার করে দ্রুত মৌলভীবাজার হাসপাতালে ভর্তি করি। এরপর সেখান থেকে ওসমানী হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে সেখানে সে মারা যায়।

এ ব্যাপারে মৌলভীবাজার জেলা পুলিশ সুপার মো. ফারুক আহমদ বলেন- প্রেম নাকি পূর্ব শত্রুতা এ দু’টি বিষয় মাথায় রেখে আমাদের তদন্ত চলছে। এখন পর্যন্ত নারীসহ ৩জন আটক রয়েছে। আশাকরি তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন হবে।

পূর্বপশ্চিমবিডি/পিএস

মৌলভীবাজার
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

সারাদেশ

অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত