Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১ আশ্বিন ১৪২৬
  • ||

ছেলে হত্যার বিচার চেয়ে খুন হলেন বাবাও

প্রকাশ:  ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৬:১০ | আপডেট : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৮:১৬
বাউফল (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি
প্রিন্ট icon

পটুয়াখালীর বাউফলে মামালার বাদীকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করেছে আসামিরা। নিহত ব্যক্তির নাম মোঃ কবির হোসেন বয়াতি (৩৮)। সে সজিব বয়াতী হত্যাচেষ্টা মামলার বাদী। গতকাল শনিবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার কনকদিয়া ইউনিয়নের কুম্ভখালি গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, শনিবার রাত সাড়ে ৭টার দিকে কবির বয়াতী তার ছেলে সজীব হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি মোঃ কুদ্দুসের বাড়ির সামনে দিয়ে বগা বাজারে যাওয়ার সময় কুদ্দুস ও কবিরের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এতে ক্ষুব্দ হয়ে কবির বয়াতি আসামি কুদ্দুসের বাড়িতে গেলে কুদ্দুস ও তার পরিবারের লোকজন কবিরকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে বাড়ির উঠাঁনে বেঁধে রাখে। খবর পেয়ে পুলিশ কবিরকে উদ্ধার করে বাউফল হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ফয়সাল হোসেন তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের স্বজন, স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২০জুলাই রাতে পারিবারিক বিরোধের জেরে স্কুলছাত্র সজীবকে ঘুমন্ত অবস্থায় কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা চালায় কতিপয় দুর্বৃত্তরা। ওই ঘটনায় গত ২৩ জুলাই সজীবের বাবা কবির হোসেন বয়াতী বাদী হয়ে বাউফল থানায় ৪জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলা তুলে নেয়ার জন্য কবির বয়াতীর উপর চাপ সৃষ্টি করে আসছিলেন কুদ্দুস ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা।

এছাড়াও কবির হোসেন বয়াতীর বাড়ি থেকে বের হওয়ার রাস্তার জায়গা নিয়ে বিরোধ চলছিলো কুদ্দুস গংদের সাথে। মামলা এবং রাস্তার জায়গা সংক্রান্ত বিরোধের জেরেই কবির বয়াতীকে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনার নেপথ্যে কনকদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ শাহিন হাওলাদার জড়িত রয়েছেন বলে দাবি করেন নিহতের স্বজনরা।

এ বিষয়ে কনকদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ শাহিন হাওলাদার এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি করে বলেন, আমাকে জড়িয়ে যে বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে তা গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ। আমি খবর পেয়ে কবিরকে উদ্ধারের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে অবহিত করি। এবং ঘটনাস্থলে চৌকিদার পাঠাই। আমি জেলা সদর পটুয়াখালীতে থাকার কারণে ঘটনাস্থলে যেতে পারি নাই।

বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী পাঠানো হয়েছে। এবং এই হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে কুদ্দুস নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদেরকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

পূর্বপশ্চিমবিডি/পিএস

বাউফল,পটুয়াখালী

সারাদেশ

অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত