Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৫ আশ্বিন ১৪২৬
  • ||

ধর্ষণের পর কান্নাকাটি করায় প্রেমিকাকে হত্যা 

প্রকাশ:  ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৭:২৩
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট icon

উপর্যুপরি ধর্ষণের যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছিল পঞ্চগড়ের মাদরাসাছাত্রী আসমা। আর কান্না থামাতেই শ্বাসরোধে তাকে হত্যা করা হয়। এভাবেই আসমাকে হত্যার বর্ণণা দিচ্ছিল তার পেমিক মারুফ হাসান বাধন।

গত ১৯ আগস্ট রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশনের ওয়াশ ফিল্ডে পরিত্যক্ত একটি বগিতে মাদরাসাছাত্রীর লাশ উদ্ধার হয়।

চাঞ্চল্যকর এ ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে গত ২২ আগস্ট রাতে মারুফ হাসান বাঁধনকে পঞ্চগড় সদর থানা পুলিশ গ্রেফতার করে। অবশেষে আসমা খাতুনের হত্যা এবং ধর্ষণের রহস্য উদ্ঘাটন করে পুলিশ এবং একই সঙ্গে সেদিন ঠিক কী ঘটেছিল তারও বর্ণনা দিয়েছে মারুফ হাসান বাধন।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বাধন পুলিশকে জানায়, গত ১৮ আগস্ট আসমাকে নিয়ে পঞ্চগড় এক্সপ্রেসে করে রাতে ঢাকা কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে এসে পৌঁছায়।

সেখানে রাতের খাবার খাওয়ার পর স্টেশনের আশেপাশের আবাসিক হোটেলগুলোতে থাকার চেষ্টা করে। কিন্তু পরিচয়পত্র না থাকায় কেউ তাদের কাছে হোটেল রুম ভাড়া দিতে রাজি হয়নি।

কোনো উপায় না পেয়ে বাঁধন ও আসমা বলাকা কমিউটারের পরিত্যক্ত একটি বগিতে গিয়ে শুয়ে পড়ে। নিজেকে বাঁচাতে সেসময় বাঁধন জানায়, তাদের আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফেলে অপরিচিত চারজন যুবক। পরে তাকে পাশের বগিতে বেঁধে রেখে আসমাকে ধর্ষণ করে। একপর্যায়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে পালিয়ে যায় তারা। পরে বাঁধনও সেখান থেকে পালিয়ে পঞ্চগড়ের উদ্দেশে রওনা হয়। ঢাকায় আনার পর রেলওয়ে থানা পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে বাঁধন স্বীকার করে, বাঁচার জন্য সে অপরিচিত চার যুবকের কথা বলেছিল। আসলে সে নিজেই ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করে।

রেলওয়ে পুলিশের ঢাকা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) ওমর ফারুক জানান, ঢাকায় আনার পরদিনই বাঁধন আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

যখন তার সামনে ঘটনাস্থলের আশপাশের ভিডিও ফুটেজ উপস্থাপন করা হয়, তখন সে আসল ঘটনা খুলে বলে। যদি সেখানে চার যুবক যেত তাহলে সিসিটিভির ক্যামেরায় তাদের দেখা যেত।

জিজ্ঞাসাবাদে বাঁধন স্বীকার করে, উভয়ের সম্মতিতে তারা ট্রেনের বগিতে গিয়েছিল। এরপর মেয়েটিকে উপর্যুপরি ধর্ষণ করে। অনেকবার মেয়েটি বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেছিল কিন্তু তা সে শোনেনি।

এতে প্রচণ্ড যন্ত্রণায় মেয়েটি কান্নাকাটি শুরু করে। কান্নার শব্দ কেউ শুনে ফেলার ভয়ে তাকে বারবার থামতে বলছিল বাঁধন। এ সময় ভয়ে তার শরীর থেকে ঘাম ঝরছিল।

এত বলার পরও কান্না যখন থামাচ্ছিল না, তখন আসমার গলা থেকে ওর ওড়না নিয়ে প্রথমে নিজের শরীরের ঘাম মুছে। এরপর তার গলায় পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে ওই বগি থেকে পালিয়ে আসে।

পূর্বপশ্চিমবিডি/আরএইচ

ধর্ষণ,পঞ্চগড়
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

সারাদেশ

অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত