Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৯, ৭ কার্তিক ১৪২৬
  • ||

ইউএনও যখন শিক্ষার্থী!

প্রকাশ:  ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১০:৩৭
নাটোর প্রতিনিধি
প্রিন্ট icon

গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ছদ্মবেশে নবম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের সাথে ক্লাস করেছেন। শিক্ষার্থীদের চেয়ে তার বয়স বেশি হওয়ায় সবাই এ সময় তার দিকে কৌতূহলী দৃষ্টিতে তাকাচ্ছিল।

এমনই ঘটনা ঘটেছে মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) নাটোরের গুরুদাসপুর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে।

জানা যায়, শিক্ষকের অনুমতি নিয়ে বিদ্যালয়ের পেছনের ফটক দিয়ে প্রবেশ করেন তিনি। পরে পেছনের বেঞ্চে বসে অন্য শিক্ষার্থীদের মতোন আবু বক্কর সিদ্দিক স্যারের কথা শুনছিলেন।

এরই মধ্যে ক্লাসে প্রবেশ করেন প্রধান শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম মিঠু। জানালেন শিক্ষার্থী তমাল হোসেন গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।এ কথাই মুহূর্তেই বদলে যায় বিদ্যালয়ের পরিবেশ।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তমাল হোসেন জানান, তিনি অভিযোগ পেয়েছিলেন, বিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষক শিক্ষার্থীদের পাঠদানের সময় অমনোযোগী হয়ে পড়েন। অথচ একই শিক্ষার্থীদের ঠিকই কোচিং করান। এতে লেখাপড়া ব্যাহত হচ্ছে। মূলত এসব বিষয় পর্যবেক্ষণের জন্য এ অভিযান।

তমাল হোসেন জানান, গুরুদাসপুর সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে তিনি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ক্লাস করেছেন। এ সময় শ্রেণিশিক্ষকের সঙ্গে পাঠদানের কৌশল নিয়ে আলোচনা করেন। এ ছাড়া বেগম রোকেয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজে গিয়ে দেখেন, সড়কে চলাচলকারী যানবাহনের বিকট শব্দে পাশের অষ্টম, নবম ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ক্লাস চলাকালে শিক্ষকের বক্তব্য শুনতে পায় না। এতে শিক্ষার্থীদের মনোযোগে বিঘ্ন ঘটে। বিষয়টি তিনি সমাধানের আশ্বাস দেন। এ সময় বিদ্যালয়গুলোতে বাল্যবিয়ে ও যৌন হয়রানি রোধে আলোচনা হয়।

পূর্বপশ্চিমবিডি/পিএস

নাটোর,শিক্ষার্থী,ইউএনও
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

সারাদেশ

অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত