Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • শনিবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৯, ৩ কার্তিক ১৪২৬
  • ||

বাড়িতে ঢুকে আসামির স্ত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে

প্রকাশ:  ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ০৯:২৮
যশোর প্রতিনিধি
প্রিন্ট icon

যশোরের শার্শা উপজেলায় গভীর রাতে আসামির বাড়িতে ঢুকে এক গৃহবধূকে (৩২) গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে পুলিশের এক উপপরিদর্শক (এসআই) ও তার সোর্সের বিরুদ্ধে।

ফেনসিডিলসহ ওই নারীর স্বামীকে গ্রেফতারের পর সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে ৫০ হাজার টাকার দাবিতে বাড়িতে গিয়ে এই ঘটনা ঘটিয়েছে। ভিকটিম নারী মঙ্গলবার দুপুরে যশোর জেনারেল হাসপাতালে সাংবাদিকদের কাছে এই অভিযোগ করেন। ভিকটিম নিজেই ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে আসেন। কিন্তু পুলিশের মাধ্যমে না আসায় তার শারীরিক পরীক্ষা করা হয়নি।

বিষয়টি জানতে পেরে ওই গৃহবধূকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে শার্শা থানা পুলিশকে তাৎক্ষণিক ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন যশোরের পুলিশ সুপার মঈনুল হক। পরে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ওই নারীর অভিযোগ আমলে নেওয়া হয়েছে। তদন্তের জন্য ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। সত্যতা পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ওই গৃহবধূর অভিযোগ থেকে জানা গেছে, শার্শার গোড়পাড়া ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই খায়রুল ইসলাম গত ২৫ আগস্ট রাতে তার স্বামীকে তুলে নিয়ে গিয়ে পরদিন ৫০ বোতল ফেনসিডিলসহ আদালতে চালান দেয়। এরপর সোমবার রাত আড়াইটার দিকে এসআই খায়রুল, সোর্স চটকাপোতা গ্রামের কামরুল, লক্ষণপুর গ্রামের লতিফ ও কাদেরকে নিয়ে তার বাড়িতে যায়। তারা তাকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে স্বামীকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার জন্য ৫০ হাজার টাকা দাবি করে। তিনি টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে এসআই খায়রুল ও সোর্স কামরুল তাকে ধর্ষণ করে। বাকি দু'জন এ সময় বাইরে দাঁড়িয়ে পাহারা দিচ্ছিল।

মঙ্গলবার সকালে তিনি প্রতিবেশীদের পরামর্শে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালে যান। যশোর ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আরিফ আহমেদ বলেন, ঘটনার শিকার ওই নারী পুলিশের কাছে না গিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নিজেই সরাসরি হাসপাতালে আসেন। কিন্তু ধর্ষণের ঘটনায় পুলিশের রেফারেন্স ছাড়া স্বাস্থ্য পরীক্ষার সুযোগ নেই। বিষয়টি কোতয়ালি থানার ওসিকে জানানো হলে তিনি এসে ওই নারীকে নিয়ে যান। ওসি মনিরুজ্জামান বলেন, তিনি খবর পেয়ে হাসপাতালে যান এবং ভুক্তভোগী নারীকে পুলিশ অফিসে নিয়ে আসেন। বিষয়টি যেহেতু শার্শা থানার, সেখানে কথা বলেন।

ঘটনার বিষয়ে শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম মশিউর রহমান জানান, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। তবে ওই নারীর স্বামীর বিরুদ্ধে চারটি মাদক মামলা রয়েছে। সর্বশেষ গত ২৫ আগস্ট তাকে ৫০ বোতল ফেনসিডিলসহ গ্রেফতার করা হয়। আর অভিযুক্তদের মধ্যে সোর্স কামরুল ওই নারীর চাচাতো দেবর। স্থানীয় রাজনৈতিক দলাদলির কারণে ওই নারীকে কেউ ইন্ধন দিচ্ছে কি-না, সেটি খতিয়ে দেখা দরকার।

পূর্বপশ্চিমবিডি/পিএস

যশোর,গণধর্ষণ,আসামি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

সারাদেশ

অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত