Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৯, ১ কার্তিক ১৪২৬
  • ||

ম্যাজিস্ট্রেটকে অবরুদ্ধ করে আট আসামি ছিনি‌য়ে নিলেন স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা

প্রকাশ:  ২৭ আগস্ট ২০১৯, ১৮:৪৭ | আপডেট : ২৭ আগস্ট ২০১৯, ১৯:২১
শরীয়তপুর প্রতিনিধি
প্রিন্ট icon

শরীয়তপুরের নড়িয়ায় পদ্মা নদী থেকে খননযন্ত্র দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করার সময় আট ব্যক্তিকে আটক করেন উপজেলা ভূমি কার্যালযের সহকারি কমিশনার।

ওই সময় ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অবরুদ্ধ করে আটক আট আসামিকে ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে নড়িয়া উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা সিকদারে বিরুদ্ধে।

এ ঘটনার পর থে‌কে তি‌নি পলাতক র‌য়ে‌ছেন। ত‌বে পুলিশ তার ভাই সুমন সিকদকরকে আটক করেছেন।

নড়িয়া থানা ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যাল সূত্র জানায়, নড়িয়ার পদ্মা নদী থেকে খননযন্ত্র দিয়ে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন করছিলেন উপজেলা সেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা সিকদার। তিনি উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমা আক্তারের স্বামী।

মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও নড়িয়া উপজেলা ভূমি কার্যালয়ের সহকারি কমিশনার রাশেদুজ্জামান ওই খননযন্ত্রটি জব্দ করেন। সেখানে বালু উত্তোলনে জড়িত আট ব্যক্তিকে আটক করেন। দুপুর আড়াইটার দিকে আসামিদের নিয়ে ভ্রাম্যমান আদালতের দল নড়িয়া লঞ্চঘাট এলাকায় পৌছলে মোস্তাফা সিকদার ও তার ভাই সুমন সিকদারের নেতৃত্বে তার সমর্থকরা ভ্রাম্যমান আদালতের ওই দলকে অবরুদ্ধ করে পাঁচ আসামিকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তফা সিকদারকে গ্রেফতারের নির্দেশ দিলে তিনি দৌড়ে পালান। তখন পুলিশ তার ভাই সুমন সিকদারকে আটক করেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নড়িয়া উপজেলা আ. লীগের এক নেতা বলেন, ভাঙন ঠেকাতে নড়িয়া লঞ্চঘাট এলাকায় বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। ওই ঠিকাদারি কাজটি করছেন মোস্তফা সিকদার। তিনি ওই কাজে ব্যবহারের বালু অবৈধভাবে পদ্মা নদী থেকে উত্তোলন করছিলেন।

মোস্তফা সিকদারের মুঠোফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তার স্ত্রী নড়িয়া উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান নাজমা আক্তারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার স্বামী অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সাথে যুক্ত নয়। তিনি নড়িয়া লঞ্চঘাট এলাকায় বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলানোর কাজ করছেন। তখন সেখানে হৈচৈ দেখে এগিয়ে যান। ওই সময় এসিল্যান্ড তাকে গ্রেফতারের নির্দেশ দিলে তিনি দৌড়ে পালান।

নিবার্হী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা ভূমি কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার রাশেদুজ্জামান বলেন, নড়িয়ায় পদ্মা নদী থেকে বালু উত্তোলন করার সময় একটি খননযন্ত্র জব্দ করি। এ কাজে যুক্ত থাকার অভিযোগে আটজনকে আটক করি। স্থানীয় এ আ.লীগ নেতা ওই খনন যন্ত্র ও আটক ব্যক্তিদের ছিনিয়ে নেন। পরবর্তীতে তাকে আটক করার নির্দেশ দিলে তিনি পালিয়ে যান। তার বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাঁধা দেয়ার অভিযোগে মামলা করা হবে বলে জানান নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

নড়িয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুরুল হক আকন্দ বলেন, সরকারি কাজে বাঁধা দেয়ার অভিযোগে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। আর ওই আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

পূর্বপশ্চিমবিডি/আরএইচ

শরীয়তপুর
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

সারাদেশ

অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত