Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬
  • ||

টুং টাং শব্দে মুখরিত ত্রিশালের কামার পল্লী

প্রকাশ:  ০৬ আগস্ট ২০১৯, ১১:১২
ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
প্রিন্ট icon

টুং টাং শব্দে মুখরিত ময়মনসিংহের ত্রিশালে কামার পল্লী। ঈদকে সামনে রেখে ত্রিশালের কামারদের ব্যস্ত সময় কাটছে এখন। অন্যান্য সময়ের তুলনায় তাদের কাজের চাপও এখন একটু বেশি। দিনরাত সমানতালে কাজ করছেন তারা। শেষ মুহূর্তের ব্যবসায়িক কর্ম ব্যস্ততায় সময় পার করছেন এ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার কামাররা।

তাদের সাথে কথা বলে জানাযায় , ঈদুল আযহা এলেই তাদের ব্যস্ততা বেড়ে যায় কয়েকগুণ। এতে অনেক খুশি তারা। তবে ঈদ ছাড়া বাকি দিনগুলোতে তাদের তেমন একটা ব্যস্ততা থাকে না বললেই চলে। বছরের অন্যান্য সময় তাদের দিনে ২/৩ শত টাকা আয় হয় আবার কোনা কোন দিন হয়ই না। সে তুলনায় এখন আয় কয়েকগুণ বেশি হচ্ছে বলে জানান তারা।

নিরাঞ্জন কর্মকার নামের এক কামার জানান, তাদের এ কাজে কয়লার চাহিদা রয়েছে প্রচুর। বর্তমানে কয়লা পাওয়া খুবই কঠিন। তাছাড়া দামও বেশি। পাশাপাশি লোহার দামও বেশি। সরকার সুলভ মূল্যে কাচাঁমাল কিনার নীতিমালাসহ আর্থিক সহযোগীতায় ঋণের ব্যবস্থা করে দিলে ব্যাবসায়ীক ভাবে সফলতার মুখ দেখা যেত।

ত্রিশালের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, কেউ তৈরি করছে দা, কেউ বা তৈরি করছে চাপাতি আবার কেউ কেউ তৈরি করছে ছুরি। আবার কেউ পুরাতনগুলোর শান দিচ্ছেন এবং নতুনগুলো সারিবদ্ধভাবে দোকানের সামনে সাজিয়ে রেখেছেন বিক্রির উদ্দেশে।

ত্রিশাল বাজারের গো-হাটা রোডস্থ তাপস কর্মকার নামের এক কামার জানান, নতুন চাপাতি ১২০০টাকা থেকে ১৫০০টাকা, দা ৬০০ টাকা থেকে ৯০০ টাকা, চাকু ১০০ টাকা থেকে ১২০টাকা, খুন্তি ৪০ টাকা, শাবল ১৫০থেকে ২০০, হাতা ৫০ টাকা থেকে ৯০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করছি।

তিনি আরো জানান, কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে আমাদের ব্যবসা এখন খুব ভালো চলছে। এ ঈদকে সামনে রেখে আমরা মোটা অংকের টাকা বিনিয়োগ করে থাকি এবং সেখান থেকে উপার্জিত অর্থে আমরা সারা বছর সংসার চালাই। তাই এখন সারাদিন সারারাত ধরে আমরা পরিশ্রম করে যাচ্ছি। এতে আমাদের উপার্জনও মোটামুটি ভালই হচ্ছে।

উপজেলার হরিরাম পুর গ্রামের গৃহিনী তানিয়া আক্তার জানান, নতুনের চাইতে তারা পুরানো দা ছুরি শান দিয়ে নতুন করে তোলার কাজে বেশি আগ্রহ নিয়ে এখন ভিড় জমাচ্ছেন কামারের দোকানে।এ সময় দোকানে দা, বটি শান দিতে আসা আকরাম হোসেন জানান, কামারদের কাজের নির্দিষ্ট কোন মূল্য তালিকা না থাকার কারণে তারা নিজেদের ইচ্ছে মতো দাম নিচ্ছে।

ত্রিশালে বিভিন্ন দোকানে কর্মরত কর্মকারা জানান, অন্যান্য পেশার মতো আমাদের কোন সংগঠন না থাকায় আমরাও বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা হতে বঞ্চিত হচ্ছি।

পূর্বপশ্চিমবিডি/পিএস

ময়মনসিংহ,কামার পল্লী
apps

সারাদেশ

অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত