Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬
  • ||

রিফাত হত্যা: তদন্তে হস্তক্ষেপ করবেন না হাইকোর্ট

প্রকাশ:  ১৮ জুলাই ২০১৯, ১৫:৫৯ | আপডেট : ১৮ জুলাই ২০১৯, ১৭:৩৭
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট icon
ছবি: সংগৃহীত

বরগুনায় আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যা মামলার তদন্ত নিয়ে হস্তক্ষেপ করবেন না হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) রিফাত শরীফের স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নিকে জিজ্ঞাসাবাদ, গ্রেপ্তার ও রিমান্ডে নেওয়ার বিষয়টি আদালতের নজরে আনার পর এ কথা বলেন বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহাসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ।

মিন্নির বিষয়ে একটি দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদন উপস্থাপন করে আইনজীবী ফারুক হোসেন বলেন, বাদির সবচেয়ে আস্থাভাজন হিসেবে মিন্নিকে এক নম্বর সাক্ষি করা হয়েছে। অথচ তাকে ১২ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে আদালতে তোলা হয়। আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড দিয়েছেন। এ বিষয়ে উচ্চ আদালতের দেখা উচিত। তার পক্ষে কোনো আইনজীবীও দাঁড়াচ্ছেন না।

আদালত বলেন, এখন মামলাটির তদন্ত চলছে। তদন্তাধীন বিষয়ে আমরা এই মুহূর্তে কোনো হস্তক্ষেপ করবো না। আইনজীবী বলেন, তদন্ত হবে। কিন্তু সে তো সাক্ষি। তাকে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।

জবাবে আদালত বলেন, সে তো এখন অ্যারেস্ট। পুলিশ বলছে তার বিরুদ্ধে স্পিসিফিক অ্যালিগেশন আছে। এখন আপনি কিছু করতে হলে ফৌজদারি নিয়ম মেনে করুন। প্রোপার চ্যানেলে আসুন। আমরা তদন্তে ইন্টারফেয়ার করতে পারি না। গত মঙ্গলবার দিনভর জিজ্ঞাসাবাদ শেষে রাত ৯টার দিকে মিন্নিকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরে বুধবার মিন্নিকে বরগুনার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সিরাজুল ইসলাম গাজীর আদালতে হাজির করে ৭ দিনের রিমান্ড চান মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি-তদন্ত) মো. হুমায়ুন। আদালত ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

উল্লেখ্য, বুধবার (২৬ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নিকে নিয়ে কলেজ থেকে ফেরার পথে নয়ন বন্ড, রিফাত ফরাজীসহ একদল যুবক রিফাত শরীফের ওপর হামলা চালায়। তারা ধারালো রামদা দিয়ে রিফাত শরীফকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকে। রিফাতের স্ত্রী আয়শা হামলাকারীদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন কিন্তু তাদের থামানো যায়নি।

খুনিরা রিফাত শরীফকে উপর্যুপরি কুপিয়ে রক্তাক্ত করে চলে যায়। পরে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রিফাতের মৃত্যু হয়। এ হত্যার ঘটনায় রিফাতের বাবা দুলাল শরীফ পরের দিন বৃহস্পতিবার সকালে ১২ জনকে আসামি করে বরগুনা সদর থানায় মামলা করেন।

এই হত্যাকাণ্ডের মূল আসামি যে সাব্বির আহমেদ নয়ন (নয়ন বন্ড) পুলিশের কথিত বন্দুকযুদ্ধে পরে নিহত হন, তাকে মদদ দেওয়ার অভিযোগ ছিল এমপিপুত্র সুনামের বিরুদ্ধে, যদিও সুনাম তা অস্বীকার করে আসছেন।


পূর্বপশ্চিমবিডি/কেএম

রিফাত হত্যা,মিন্নি,হাইকোটৃ,হস্তক্ষেপ
apps

সারাদেশ

অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত