Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • বুধবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৯, ১ কার্তিক ১৪২৬
  • ||

রিফাত হত্যা: ছয় নম্বর আসামি রাব্বি গ্রেফতার

প্রকাশ:  ১২ জুলাই ২০১৯, ০২:১০
বরগুনা প্রতিনিধি
প্রিন্ট icon

বরগুনায় প্রকাশ্য দিবালোকে রাস্তার ওপর স্ত্রীর সামনে স্বামীকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যার ঘটনায় ছয় নম্বর আসামি মো. কাইউম ওরফে রাব্বি আকনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) রাত পৌনে ৯টার দিকে রাব্বিকে গ্রেপ্তারের কথা জানালেও কোথা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে ‘তদন্তের স্বার্থে’র কথা বলে তা জানায়নি পুলিশ।

রাব্বি আকন বরগুনা সদর উপজেলার কেওরাবুনিয়া এলাকার মো. আবুল কালাম আজাদের ছেলে।

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে বরগুনার পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে রাব্বি আকনকে গ্রেফতারের কথা জানান পুলিশ সুপার মো. মারুফ হোসেন।

পুলিশ সুপার বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাব্বি আকনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে তদন্তের স্বার্থে রাব্বি আকনকে গ্রেপ্তারের সময় স্থান আমরা জানাচ্ছি না।

মারুফ হোসেন বলেন, আলোচিত রিফাত হত্যা মামলার প্রধান অভিযুক্ত নয়ন বন্ড বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে। এ ছাড়া এ মামলার এজাহারভুক্ত ছয়জন এবং সন্দেহভাজন সাতজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

এদিকে এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে সন্দেহভাজন অভিযুক্ত রাফিউল ইসলাম রাব্বি গত ৯ জুলাই বুধবার আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

এর আগে গত ১ জুলাই রিফাত হত্যা মামলায় অভিযুক্ত ১১ নম্বর আসামি মো. অলিউল্লাহ অলি ও ভিডিও ফুটেজ দেখে শনাক্ত করা তানভীর একই আদালতে স্বেচ্ছায় হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এরপর গত ৪ জুলাই রিফাত হত্যা মামলার ৪ নম্বর আসামি চন্দন ও ৯ নম্বর আসামি মো. হাসানও একই আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

৫ জুলাই একই আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডের ফুটেজ দেখে শনাক্ত হওয়া ও তদন্তে বেরিয়ে আসা অভিযুক্ত মো. সাগর ও নাজমুল হাসান।

এদিকে এ মামলার দ্বিতীয় আসামি রিফাত ফরাজির স্বীকারোক্তি অনুযায়ী, রিফাত হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত রামদা উদ্ধার করেছে পুলিশ।

এ ছাড়া নয়ন বন্ডের সঙ্গে পুলিশের বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় পুলিশের হত্যা ও অস্ত্র আইনে করা দুটি মামলায় রিফাত ফরাজীকে গ্রেফতার দেখিয়েছে পুলিশ। এর মধ্যে রিফাত শরীফ হত্যা মামলায় সাত দিন রিমান্ড শেষে পুলিশের করা অস্ত্র মামলায় সাত দিনের রিমান্ডে রয়েছেন রিফাত ফরাজী।

এ ছাড়াও এ মামলার ১২ নম্বর আসামি টিকটক হৃদয় ও সন্দেহভাজন আরিয়ান শ্রাবন পাঁচ দিনের এবং সাইমুন তিন দিনের রিমান্ডে রয়েছেন।

মামলার তদন্ত সংশ্লিষ্ট পুলিশ সূত্র বলছে- তদন্ত চলাকালীন ও গ্রেফতারকৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, রিফাতকে খুন করার পরিকল্পনা সাতদিন ধরে কষা হয়। মঙ্গলবার (২৫ জুন) রাতে চূড়ান্ত বৈঠক হয়। এর ধারাবাহিকতায় বুধবার (২৬ জুন) সকাল থেকেই রিফাতের গতিবিধি উপর নজর রাখে ঘাতক নয়ন ও তার সঙ্গীরা। রিফাত তার স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকার সঙ্গে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে দেখা করবে এমন ধারণাতে আগে থেকেই কলেজের সামনে অবস্থান করছিলেন তারা।সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে রামদা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে রিফাত শরীফকে। গুরুতর আহত রিফাতকে বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে বিকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

পূর্বপশ্চিমবিডি/জিএম

বরগুনা,রিফাত হত্যা মামলা,আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

সারাদেশ

অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত