Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • রোববার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ৭ আশ্বিন ১৪২৬
  • ||

বিপদসীমার ২০ সেন্টিমিটার উপরে তিস্তার পানি 

প্রকাশ:  ১২ জুলাই ২০১৯, ০০:২৭ | আপডেট : ১২ জুলাই ২০১৯, ০০:২৯
নীলফামারী সংবাদদাতা
প্রিন্ট icon

উজানের ঢল আর ভারী বর্ষণে নীলফামারীতে তিস্তার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। বৃহস্পতিবার (১১জুলাই) বেলা ৩টার পর থেকে ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি বিপদসীমার ২০ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

ডালিয়ার বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরন কেন্দ্র জানিয়েছে, সকাল থেকে বাড়তে থাকে তিস্তার পানি।

সকাল ৬টায় বিপদসীমার দুই সেন্টিমিটার, ৯টায় কিছুটা কমে বিপদসীমা বরাবর, দুপুর ১২টায় বৃদ্ধি পেয়ে সাত সেন্টিমিটার এবং বেলা ৩টায় ২০ সেন্টিমিটার উপড় দিয়ে প্রবাহিত হতে থাকে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যারেজের সবকটি জলকপাট(৪৪টি) খুলে রেখেছে কর্তৃপক্ষ।

পুর্ব ছাতনাই ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ খান জানান, বুধবার রাত থেকে তিস্তার পানি বৃদ্ধির ফলে কয়েকটি এলাকা প্লাবিত হতে থাকে। যা অব্যাহত রয়েছে। ইউনিয়নের নয়’শ পরিবার পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে এখনো।

টেপাখড়িবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ময়নুল হক জানান, ইউনিয়নের তিনটি ওয়ার্ডের মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন। এছাড়া প্লাবিত হয়ে পড়েছে চরখড়িবাড়ি ও পুর্ব খড়িবাড়ি এলাকা।

তিনি বলেন, পানির স্রোতের কারণে স্বেচ্ছাশ্রমে নির্মিত বালুর বাঁধটি হুমকীর মুখে পড়েছে।

এদিকে জলঢাকা উপজেলার শৌলমারী ইউনিয়নের বানপাড়ায় তিস্তার ডানতীর রক্ষা বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এর ফলে ওই এলাকার কয়েক হাজার মানুষ আতংকে রয়েছে। বাঁধ রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ড বস্তায় বালু ভরে জিও ব্যাগ ফেলে রক্ষার চেষ্টা করছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড নীলফামারী ডিভিশনের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী হাফিজুল হক জানান, বাঁধের ৬০মিটার পর্যন্ত ভাঙন দেখা দিয়েছে আমরা জিও ব্যাগ ফেলে রক্ষার চেষ্টা করছি ১২০ মিটার পর্যন্ত। তিনি বলেন, বাঁধটি স্থায়ী ভাবে রক্ষার জন্য প্রকল্প গ্রহণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তিস্তা ব্যারেজের সবকটি জলকপাট(৪৪টি) খুলে রেখেছে কর্তৃপক্ষ।

পানি উন্নয়ন বোর্ড ডালিয়া ডিভিশনের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, পানি বৃদ্ধির কারণে তিস্তার আশপাশ এলাকায় বসবাসর মানুষদের মধ্যে প্রচারণা চালাচ্ছি আমরা। যাতে যেকোন সময় নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে পারেন। বাঁধগুলো পরিদর্শন করে দেখছি কারণ ভাঙন কিংবা অন্যান্য কিছু থাকলে সেটি নিয়ে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করা যাকে।

পূর্বপশ্চিম/অ-ভি

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন

সারাদেশ

অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত