Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬
  • ||

পুলিশের বিরুদ্ধে চিকিৎসকদের শারীরিক লাঞ্ছনার অভিযোগ

প্রকাশ:  ১৩ জুন ২০১৯, ১৫:৫৫
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
প্রিন্ট icon

চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের বেসরকারি সেবা ক্লিনিকে একজন গোয়েন্দা পুলিশ সদস্যের স্ত্রীর গর্ভের মৃত শিশু অপসারণকে কেন্দ্র করে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে।

এতে দুই চিকিৎসক, এক ক্লিনিক স্টাফ শারীরিকভাবে গোয়েন্দা পুলিশ সদস্যদের নিকট লাঞ্ছিত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় একজন নারী চিকিৎসকও পুলিশের দুর্ব্যবহারের শিকার হন বলে জানা গেছে। এসময় পুলিশের একজন সদস্যও হেনস্থা হন বলে দাবি করেছেন।

তবে ঘটনার পর চিকিৎসকরা জানান, পুলিশের সাথে তাঁদের সমস্যা মিটে গেছে। তারা ভুল বুঝতে পেরেছেন। আর পুলিশ জানায়, চিকিৎসকদের সাথে ‘ভুল বোঝাবোঝি’র অবসান হয়েছে। তবে ঠিক কি নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি তা খোলাসা করে নি পুলিশ।

বুধবার (১২জুন) রাত ৮টার দিকে এ ঘটনা শুরুর পর রাত ১০টার দিকে উর্ধতন পুলিশ কর্মকর্তা ও চিকিৎসক নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপে এর অবসান হয়। তবে রাতেই এ ঘটনার প্রভাব পড়ে শহরের সরকারি বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে। অবশ্য পরে তা স্বাভাবিক হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা ও ক্লিনিক সূত্রে জানা গেছে, গোয়েন্দা পুলিশ সদস্য খাদেমুল বাশারের স্ত্রী গত সোমবার প্রথমে সেবা ক্লিনিকে ভর্তি হন। পরের দিন মঙ্গলবার তিনি সদর হাসাপাতালে চলে যান। পরে জানা যায় তার গর্ভের সন্তান মৃত। বুধবার বিকেলে তিনি গর্ভের মৃত শিশু অপসারণের জন্য পুণরায় সেবা ক্লিনিকে ভর্তি হন। সন্ধ্যায় ডা. সালমা আখতার জাহান পলি ওই রোগীর অস্ত্রোপাচার সম্পন্ন করেন। এরপরপরই কয়েকজন গোয়েন্দা পুলিশ সদস্য ক্লিনিকে এসে ডা. পলির সাথে বাকবিতণ্ডা শুরু করেন। এসময় ডা. ইসমাইল ও তার সহকারী নুর ইসলাম বাবু এগিয়ে এলে পুলিশ সদস্যদের সাথে তাদের ধস্তাধস্তি ও মারধর শুরু হয়। এসময় ডা. ইসমাইল ও বাবুর শার্ট ছিঁড়ে যায় বলে দাবি করেন বাবু। এসময় ক্লিনিক পরিচালক ডা. ময়েজউদ্দিনও পুলিশ সদস্যদের হাতে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হন।

এসব চলাকালীন ক্লিনিক এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। জনসাধারণও ভীড় করে ক্লিনিক ঘিরে। ছুটে যান সংবাদকর্মীরা। ছুটে আসেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ সদর থানা পুলিশ কর্মকর্তারা। এরপর চিকিৎসক-পুলিশ রুদ্ধদ্বার বৈঠকের পর ঘটনার অবসান হয় বলে জানান দুই পক্ষ।

এসময় সংবাদকর্মীদের ডা. ইসমাইল জানান, পুলিশ সরি বলেছে। ডা. পলি জানান, যেহেতু এর সমাধান হয়ে গেছে তাই এ ব্যাপারে মন্তব্য করব না। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহবুব আলম জানান, ভুল বোঝাবোঝির অবসান ঘটেছে।

পিপিবিডি/আরএইচ

চাঁপাইনবাবগঞ্জ
apps

সারাদেশ

অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত