Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬
  • ||

নোয়াখালীতে পল্লী বিদ্যুৎ সংযোগে ব্যাপক ঘুষ বাণিজ্য

প্রকাশ:  ১৩ জুন ২০১৯, ১৪:১৩
নোয়াখালী প্রতিনিধি
প্রিন্ট icon

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সারাদেশের ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার কথা থাকলেও নোয়াখালীতে ঘুষ ছাড়া মিলছে না বিদ্যুৎ সংযোগ। এতে চরম ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন গ্রাহকরা।

জেলা সদরের পশ্চিম এওজবালিয়া গ্রামে স্থানীয় সংসদ সদস্য একরামুল করিম চৌধুরী এবং সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এডভোকেট শিহাব উদ্দিন শাহীনের নির্দেশে বিদ্যুৎ সংযোগ পাওয়ার স্বপ্ন দেখছেন সেখানকার জনগোষ্ঠি।

নোয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির তত্ত্বাবধায়নে ওই এলাকায় প্যাকেজ নং- ৫/৪০২, লড নং- ই-৩৪ এর মাধ্যমে ৪.৮৮ কিলোমিটার নতুন লাইনে ২০২জন গ্রাহকে আবাসিক বিদ্যুৎ সংযোগ প্রদানের প্রক্রিয়া শুরু হয়। বিদ্যুৎ সংযোগ প্রক্রিয়া শুরু থেকেই পল্লী বিদ্যুৎ সোনাপুর অফিসের ইলেক্টিশিয়ান রমিজ উদ্দিন ওই গ্রামের মফিজ উল্যা এবং সুফি উল্যার (সুফি মেম্বার) মাধ্যমে দালাল চক্র গড়ে তুলে বিদ্যুৎ অফিস, ঠিকাদার ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সভাপতির নামে গ্রাহকদের কাছ থেকে ৮-১২ হাজার টাকা করে ঘুষ আদায় করছেন। যেসব গ্রাহক টাকা দিতে পারছেন না, তাদের সংযোগ না দেওয়ার হুমকি দিচ্ছেন ওই দালাল চক্র।

স্থানীয় গ্রাহক মো. হারুন বলেন তিনি বিদ্যুৎ সংযোগ পেতে লাইনম্যান রমিজ উদ্দিনকে ৯ হাজার ৫’শ টাকা ঘুষ প্রদান করেন। গ্রাহক দুলাল ব্যাপারী বলেন ৯ হাজার টাকা প্রদানের পরও আরও টাকার জন্য ছাপ প্রয়োগ করছেন ওই দালাল চক্রের সদস্যরা।

পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কতিপয় অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী-লাইনম্যান ও ঠিকাদার বিদ্যুৎ সংযোগের নামে মিটার, তার ও খুঁটি বাণিজ্যে বর্তমানে গ্রাহকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। শুধু পশ্চিম এওজবালিয়া নয়, নোয়াখালীর সর্বত্ব চলছে পল্লী বিদ্যুৎতের নতুন সংযোগ প্রদানে ঘুষ বাণিজ্য। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নিরব ভুমিকায় রয়েছেন বলে অভিযোগ গ্রাহকদের।

ঘুষ গ্রহণের বিষয়টি স্বীকার করে পল্লী বিদ্যুৎতের লাইনম্যান রমিজ উদ্দিন ও সুফি উল্যা বলেন সঠিক সময়ে কাজ করাতে অফিস এবং ঠিকাদারকে কিছু সম্মানী দিতে হয়। তাই গ্রাহকদের কাছ থেকে ৪-৫ হাজার টাকা করে নেওয়া হচ্ছে।

পল্লী বিদ্যুৎ সোনাপুর জোনাল অফিসের ডিজিএম মো. জহিরুল করিম বলেন বিদ্যুৎ সংযোগ প্রক্রিয়া শুরু থেকে দালাল চক্রের সাথে গ্রাহকদের কোনরকম অর্থনৈতিক লেনদেন না করতে পোস্টার, ব্যানার ও মাইকিং করা হয়েছে। তারপরও কোন দালাল যদি অফিসের নামে গ্রাহকদের কাছ থেকে টাকা আদায় করে, তাহলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নোয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী গিয়াস উদ্দিন অফিস এবং ঠিকাদারদের ঘুষ গ্রহণের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন এলাকায় খোঁজখবর নিয়ে ঘুষ গ্রহণকারী দালালদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পিপিবিডি/আরএইচ

নোয়াখালী
apps

সারাদেশ

অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত