Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬
  • ||

ওসি’র সহায়তায় স্বজনদের ফিরে পেল জুনায়েদ

প্রকাশ:  ০৩ জুন ২০১৯, ১৬:২৭
পাবনা প্রতিনিধি
প্রিন্ট icon

পাবনা সদর থানার ওসি’র মানবিকতায় স্বজনদের ফিরে পেল কুড়িয়ে পাওয়া শিশু জুনায়েদ। এক সপ্তাহ পিতৃস্নেহে কাছে রাখার পর রোববার (০২ জুন) বিকেলে পাবনা থেকে জুনায়েদকে অশ্রুসিক্ত নয়নে বিদায় দেন সদর থানা পুলিশের কর্মকর্তাসহ সদস্যরা।

পাবনা কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে এক সপ্তাহ আগে কুড়িয়ে পাওয়া শিশু জুনায়েদকে পরম মমতায় কাছে নিয়ে রাখেন পাবনা সদর থানা পুলিশের ওসি ওবাইদুল হক। তার জন্য করেছেন ঈদ বাজার। গত এক সপ্তাহ বেশ হাসি-খুশিতেই কেটেছে শিশু জুনায়েদের (৭)। কিন্তু ফেসবুকের সৌজন্যে অবশেষে সন্ধানও মিলেছে তার বাবা-মার।

রোববার বিকেলে জুনায়েদ ওসিসহ অন্য পুলিশ সদস্যদের কাঁদিয়ে তার স্বজনের কাছে ফিরে যায়। ওসি ওবাইদুল হক জানান, সপ্তাহ খানেক আগে এক রাতে টহলরত অবস্থায় তিনিসহ অন্যরা বাস টার্মিনালে ভবঘুরে শিশু জুনায়েদকে কুড়িয়ে পান। সে শুধু তার নাম বলতে পারছিল। আর কোনো ঠিকানাই বলতে পারছিল না। এমনকি বাবা-মায়ের নামও না।

হৃদয় ছুঁয়ে যায় ওসি ওবাইদুলের। তিনি শিশুটিকে নিয়ে রাখেন পাবনা সদর থানার হেফাজতে। ওসির সঙ্গে বেশ খাতির জমে ওঠে জুনায়েদের। ঈদ সামনে আসায় তার জন্য জামা-জুতা, খেলনা সব কিনে দেয়া হয়। এমনকি তার পছন্দমতো খাবারও বিভিন্ন সময় কিনে খাওয়ানো হয়। তাকে হাসি খুশি রাখতে ওসিসহ অন্যরা চেষ্টা করেন। ওসি তার সঙ্গে বিভিন্ন সময় সেলফিও তোলেন। সেটি ফেসবুকে আপলোড করেন। এরপরই তার পরিচয় পাওয়া যায়। ছবি দেখে তার স্বজনরা তাকে শনাক্ত করেন।

ওসি বলেন, ঢাকার কেরানীগঞ্জ থানায় প্রথম যোগাযোগ করেন তার স্বজনরা। তাদের মাধ্যমে শিশুটির স্বজনরা শনিবার (১ জুন) রাতে কথা বলেন তার সঙ্গে।

তিনি শিশুটির স্বজনদের বরাত দিয়ে জানান, জুনায়েদের বাবা সুমন মিয়া (৪০) শ্রমিক। তার স্ত্রী (জুনায়েদের মা) কয়েক বছর হলো দেশের বাইরে কাজে গেছেন। বাবা সুমন মিয়া কিছুটা হাবাগোবা টাইপের। এতে শিশুটি বাড়ি থেকে সবার অজান্তে হারিয়ে যায়। তিন মাস ধরে সে নিখোঁজ ছিল। দেশের বিভিন্ন জায়গায় কেটেছে তার ভবঘুরে জীবন।

ওবাইদুল হক বলেন, এখন তার স্বজনদের খোঁজ মেলায় আমি আনন্দিত। তার প্রতি একটা মায়ার বাঁধনও জন্ম নিয়েছে এরই মধ্যে। এ জন্য তাকে ছাড়তে কষ্টও হচ্ছে। তবে সান্ত্বনা পাচ্ছি শিশুটি তার স্বজনদের কোলে ফিরে যেতে পারছে। সে ভালো থাকলেই ভালো লাগবে আমার। স্বজন ফিরে পেল শিশুটি, আবার স্বজনরাও তাদের আদরের সন্তানকে ফিরে পেলেন।

পিপিবিডি/অ-ভি

apps

সারাদেশ

অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত