Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • শনিবার, ২৪ আগস্ট ২০১৯, ৯ ভাদ্র ১৪২৬
  • ||

ঈদ আনন্দ নেই নওগাঁয়

প্রকাশ:  ০৩ জুন ২০১৯, ১৬:০৩
নওগাঁ প্রতিনিধি
প্রিন্ট icon

কৃষি নির্ভর এলাকা নওগাঁ। এ জেলার প্রায় ৮০ ভাগ মানুষ কৃষির উপর নির্ভরশীল। তবে এ বছর ধানের দাম কম হওয়ায় প্রভাব পড়েছে ঈদের বাজারে। ফলে ঈদের বাজারে দোকানীদের বেঁচাকেনা অনেকটাই নাজুক ভাব। অপরদিকে কৃষি নির্ভর পরিবারগুলোর হাতে টাকা না থাকায় ঈদের আনন্দ থেকে এবার অনেকটাই বি ত হবে বলে জানা গেছে।

আর দুইদিন পরই ঈদ। বিপনিবিতানগুলো ঈদ মার্কেটে যে পরিমান ভীড় থাকার কথা এবার তার উল্টোচিত্র লক্ষ্য করা গেছে। নওগাঁ শহরের গীতাঞ্জলি শপিং কমপ্লেক্স, দেওয়ান বাজার, আনন্দ বাজার, ক্রিসেন্ট মার্কেট, বসাক শপিং কমপ্লেক্স, ইসলাম মার্কেট ও কাপড়পট্টি ঘুরে দেখা গেছে বিগত বছরের তুলনায় এবছর অনেক পরে বিপণিবিতান গুলোতে ঈদের বেঁচাকেনা শুরু হয়েছে। ক্রেতারা তাদের সাধ্যের মধ্যে পছন্দের পোশাকটি খুঁজছেন। তবে ক্রেতারা ঘুরে ঘুরে দেখলোও কিনছেন কম।

ঈদ বাজারে মেয়েদের থ্রি-পিচ ৫শ’ থেকে ৫ হাজার টাকা, কাতান-ওড়না সাড়ে ৩ হাজার থেকে ৭ হাজার, টাঙ্গাইল শাড়ি ৫০০-৯৫০ টাকা, জামদানি শাড়ি ১ হাজার ২শ’ থেকে ৩হাজার টাকায় বিক্রিয় হচ্ছে। অপরদিকে ছেলেদের শার্ট, প্যান্ট, ফতুয়া, কাবলি ৫শ’ থেকে ৩ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বিগত বছরের তুলনায় এবার ঈদ মার্কেটের অবস্থা একেবারেই নাজুক। এ জেলার মানুষের মূল আয়ের উৎস কৃষিকাজ বা কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ততা। এবারে বোরো আবাদের পর সরকার ধানের দাম বেঁধে দিলেও কৃষকরা ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় দোকানে বিক্রি খুব একটা জমে উঠেনি। শহরের ক্রেতাদের দেখা গেলেও গ্রামের ক্রেতাদের তেমন দেখা নাই। কিন্তু তারপরও সাধ্যের মধ্যে পোশাকের দাম রয়েছে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।

রাসেল রানা ও আজাদ হোসেন নামে এক ক্রেতা বলেন, আমরা যারা মধ্যবিত্ত পরিবার কৃষির উপর নির্ভরশীল। তাদের ঘরে এবার ঈদের আনন্দ থেকে অনেকটাই বি ত হবো। বাজারে ধানের দাম কম। সরকার ধানের দাম বেধে দিলেও বাজারে সে দামে বিক্রি হচ্ছে না। ১মণ ধান বিক্রি করে একটা শাড়িও হবে না। কারণ ধানের দাম কিছুটা বেশি পেলে বাজারে বিক্রি করে ঈদের বাজার করতে পারত। ধানের দাম কম হওয়ায় কৃষিনির্ভরশীল পরিবারগুলো সাধ্যের মধ্যে পোশাক ও অন্যান্য জিনিসপত্র দামের সাথে সামঞ্জস্য না থাকায় কিনার চাইতে দেখা হচ্ছে বেশি।

শিলামনি গার্মেন্ট প্রোপাইটর উত্তম কুমার ঘোষ বলেন, বিগত বছরগুলোতে ১০ রোজার পর বেঁচাকেনা শুরু হয়। কিন্তু এবার তার উল্টো চিত্র। এ জেলার মানুষ কৃষি নির্ভর হওয়ায় ধানের উপর জীবন জীবিকা নির্ভর করে। ধানের দাম কম হওয়ায় এবার গ্রামের ক্রেতাদের তেমন আনাগোনা দেখা যায়নি। কারণ দাম শুনেই ক্রেতারা আতকে উঠছেন। কিন্তু তারপর দাম সাধ্যের মধ্যে আছে।

রং অংগন দর্পন শোরুমের মালিক নিঘাত আরা চন্দনা বলেন, এবার দেশিয় পোশাকের মোটামুটি চাহিদা রয়েছে। মেয়েদের পছন্দের তালিকায় রয়েছে গ্রাউন ও কাতান। হাতের কারুকার্য জাতীয় পোশাক মেয়েদের চাহিদা থাকে। তবে এবার বিক্রির পরিমাণ কম। ক্রেতারা শুধু দেখছেন।

পিপিবিডি/অ-ভি

apps

সারাদেশ

অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত