Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬
  • ||

বিরল ছাত্রলীগ সভাপতিকে লাঞ্ছিত, ৪ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার

প্রকাশ:  ০২ জুন ২০১৯, ১৭:৩৪
দিনাজপুর প্রতিনিধি
প্রিন্ট icon

দিনাজপুরে বিরল উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি সারওয়ারুল ইসলাম রাসেল (২৯) কে লাঞ্ছিত করার অভিযোগে বিরল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শকসহ তিন কনস্টেবলকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

রোববার (০২ জুন) দুপুরে বিরল থানার ওসি এ,টি,এম, গোলাম রসুল চার পুলিশ সদস্য প্রত্যাহারের সংবাদ নিশ্চিত করে বলেন চার পুলিশ সদস্যকে পুলিশ লাইনে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

প্রত্যাহার হওয়া পুলিশ সদস্যরা হলেন- বিরল থানার উপ-পরিদর্শক মো. নজরুল ইসলাম, কনস্টেবল বাবুল হক, সাগর আহম্মেদ ও মিজানুর রহমান।

বিরল থানার অফিসার ইনচার্জ এটিএম গোলাম রসুল বলেন, বিকাল ৫টার সময় থানার গেটের সামনে মোটরসাইকেলের কাগজপত্র যাচাই বাছাই চলছিলো। এসময় বিরল থানা ছাত্রলীগের সভাপতি সারোয়ার হোসেন রাসেলের(৩০) মোটরসাইকেলের গতিরোধ করেন এস আই নজরুল ইসলাম। এসময় তার কাছে মোটরসাইকেলের কাজগপত্র ও ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখতে চান তিনি। সে সময় রাসেল নিজেকে ছাত্রলীগের সভাপতি দাবি করেন। এক পর্যায়ে উভয়ের মধ্যে বাক-বিতণ্ডা হয়। এ সময় এসআই নজরুল ইসলাম উত্তেজিত হয়ে ছাত্রলীগের সভাপতি রাসেলকে শারীরিক ভাবে লাঞ্ছিত করে। পরে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের কিছু কর্মী একত্রিত হয়ে থানা গেটের সামনে অবস্থান নেয় এবং পুলিশকে উদ্দেশ্য করে বিভিন্ন শ্লোগান দিতে থাকে এবং পুলিশ সদস্যদের প্রত্যাহার দাবি করে।

ছাত্রলীগ সভাপতি রাসেল বলেন, শনিবার ‘ইফতারের কিছু সময় পূর্বে আওয়ামী লীগের দলীয় অফিস থেকে বাড়ি ফেরার পথে বিরল থানার সামনে মোটরসাইকেলের কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করতেছিল পুলিশ। ওই সময় পুলিশ সদস্যরা আমার গাড়ির গতিরোধ করে কাগজপত্র দেখতে চায়। আমি রাস্তার পার্শ্বে দাড়ায় , পরে পুলিশের এসআই নজরুল ইসলাম আমার গাড়ির চাবি খুলে নেয়। আমি নিজের পরিচয় দেই এবং বলি আমার গাড়ির কাগজপত্র সবই আছে। কিন্তু বাড়ি কাছে হওয়ায় কাগজপত্র সঙ্গে রাখিনি। এই কথা শুনার পরে তারা আমার গাড়ির চাবি নিয়ে নিলে আমি প্রতিবাদ করি এবং বলি আপনারা গাড়ির কাগজপত্র দেখতে চেয়েছেন আমি এনে দিচ্ছি কিন্তু গাড়ির চাবি নিচ্ছেন কেন?

তিনি আরও বলেন, এই কথা শোনার পর তারা আমাকে এবং ছাত্রলীগকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। এক পর্যায়ে আমার গায়ে হাত তুলে আমাকে টেনে-হিঁচড়ে থানায় নিয়ে যায়। এ সময় অন্য পুলিশ সদস্যরাও আমার গায়ে হাত তুলে।

দিনাজপুর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(সদর সার্কেল) সুশান্ত সরকার বলেন, আমি বিষয়টি শুনেছি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি।

তিনি বলেন, মোটরসাইকেল চেকিং প্রোগ্রামে একজন দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাগজপত্র সঠিক না পেলে মামলা দেবে জরিমানা করবে এটাই নিয়ম। কিন্তু কারও গায়ে হাত তুলতে পারবে না। পরে অভিযুক্ত পুলিশের একজন এসআই এবং ৩ পুলিশ সদস্যকে তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাহার করে দিনাজপুর পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়েছে।

পিপিবিডি/অ-ভি

apps

সারাদেশ

অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত