Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • রোববার, ১৮ আগস্ট ২০১৯, ৩ ভাদ্র ১৪২৬
  • ||

ধানের মূল্য পতনে কৃষকের ঈদ আনন্দ ম্লান

প্রকাশ:  ২৮ মে ২০১৯, ১০:০৪
কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি
প্রিন্ট icon

কুড়িগ্রামে কৃষকরা বোরো ধান চাষাবাদ করে সাড়ে ৫'শ কোটি টাকা লোকসানের বোঝা মাথায় নিয়েছে। ফলে স্থানীয় কৃষি অর্থনীতিতে ধ্বস নেমেছে। ধানের ভয়ানক মূল্য পতন হওয়ায় কৃষক পরিবারগুলিতে আসন্ন ঈদ আনন্দ ম্লান হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় কৃষি বিভাগ সূত্র জানিয়েছে- চলতি বোরো মৌসুমে ধান চাষাবাদের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করা হয়- ১ লাখ ১৪ হাজার ৪শ’৮২ হেক্টর জমিতে। অর্জিত হয় ১ লাখ ১৫ হাজার ৭শ’৯১ হেক্টর জমিতে। ধান উৎপাদনের লক্ষ্য মাত্রা ৪ লাখ ৭১ হাজার মেট্রিক টন ধরা হলেও আশা করা হচ্ছে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ৫ লাখ মেট্রিক টন ছাড়িয়ে যাবে।

সূত্র জানায়- চলতি মৌসুমে প্রতিমন বোরো ধান উৎপাদনে কৃষকের ব্যয় হয়েছে ৮শ’৮০ টাকা। সেই উৎপাদিত প্রতিমন ধানের বাজার মূল্য ৪৮০ টাকা। এতে প্রতিমন ধানে কৃষককে লোকসান গুনতে হচ্ছে ৪শ’টাকা। এ হিসেবে উৎপাদিত ৫ লাখ মেট্রিক টন ধানে লোকসানের পরিমান দাঁড়িয়েছে ৫শ’৫০ কোটি টাকা।

স্থানীয় খাদ্য বিভাগ সূত্র জানায়- উৎপাদিত ৫ লাখ মেট্রিক টন ধানের বিপরীতে সরকার কুড়িগ্রাম থেকে ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে মাত্র ৩ হাজার ৩০৮ মেট্রিক টন। এবার প্রতি কেজি ধানের সরকারি মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৬ টাকা আর প্রতি কেজি চালের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৬ টাকা। সরকারি মূল্যে কৃষকরা লাভের মুখ দেখলেও স্থানীয় বাজারে তারা লোকসান গুনছে। সরকারিভাবে ধান ও চালের সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অতি নগণ্য হওয়ায় স্থানীয় বাজারে ধানের দাম মুখ থুবড়ে পড়েছে।

কুড়িগ্রাম জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোঃ মহিবুল হক জানিয়েছেন- আমরা কৃষি বিভাগের কাছ থেকে পাওয়া তালিকা অনুসরণ করে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ অব্যাহত রেখেছি।

কুড়িগ্রাম জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান প্রধান বলেন- চলতি মৌসুমে বোরো ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে এবং ধানচাষের উৎপাদন লক্ষ্য মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। ধান উৎপাদনে আমরা শতভাগ সফল।

পিপিবিডি/আরএইচ

কুড়িগ্রাম
apps

সারাদেশ

অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত