Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • সোমবার, ১৯ আগস্ট ২০১৯, ৪ ভাদ্র ১৪২৬
  • ||

বাঁশের সাঁকোতে ভরসা ৭ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের

প্রকাশ:  ১৬ মে ২০১৯, ২০:৫৫
ঝালকাঠি প্রতিনিধি
প্রিন্ট icon

ঝালকাঠির রাজাপুরে বাঁশের সাঁকোতেই ৭ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ ওই এলাকার জনসাধারণের একমাত্র ভরসা। উপজেলার মঠবাড়ি ইউনিয়নের বাইতুলহুদা জামে মসজিদ সংলগ্ন পূর্ব-পশ্চিমবাদুরতলা খালের ওপর বাশেঁর সাঁকো দিয়ে চলাচল করছে এলাকার সকলে।

প্রতিদিন দু’পাড়ের স্কুল শিক্ষার্থী, শিক্ষকসহ এলাকার জনগণকে সাঁকো পাড় হয়েই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও প্রয়োজনীয় কাজে যেতে হয়। বর্ষা আসলেই কোমলমতি শিশু শিক্ষার্থীদের স্কুল যাওয়া অনেক সময় বন্ধ হয়ে যায়। বর্ষা মৌসুমে এ দুর্ভোগ চরমে পৌঁছায়। সাঁকোটির স্থলে ব্রীজ নির্মাণ করা হলে শিক্ষার্থীসহ দুই সহস্রাধিক লোক দুর্ভোগ ও ঝুঁকির হাত থেকে রক্ষা পাবে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, মঠবাড়ি ইউনিয়নের বিশখালির ভাঙন কবলিত এলাকা হওয়ায় ওই বাড়িঘর, জায়গা-জমিসহ রাস্তাঘাট নদী গর্ভে বিলীন হওয়ায় এখন যোগাযোগের জন্য এলাকার একমাত্র বাশেঁর সাঁকোটিই সকলের ভরসা।

এ সাঁকো দিয়ে প্রতিদিন উপজেলার পশ্চিম বাদুরতলা এমএস আলম মাধ্যমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম বাদুরতলা আফাজ উদ্দিন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ১১৫ নং পশ্চিম বাদুরতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ৬৫ নং পূর্ব বাদুরতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আব্দুল মালেক কলেজ, ৬৪ নং চুনপুরী সরকারি বিদ্যালয় ও উত্তর উত্তমপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ এলাকার সাধারণ মানুষ ঝুকি নিয়ে চলাচল করছে। এছাড়াও সময় বাঁচাতে বড়ইয়া ইউনিয়নের লোকজন উপজেলা ও জেলা শহরে যেতে এ সাঁকো দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে পাড় হচ্ছে।

স্থানীয় আঃ করিম হাওলাদার বলেন, নির্বাচনের সময় প্রার্থীরা ব্রীজ করার প্রতিশ্রুতি দিলেও নির্বাচন শেষে আর ওই প্রতিশ্রুতি মনে থাকে না।

শিক্ষার্থী বিথি আক্তার, তুলি আক্তার, মোঃ শাকিল, তিথি, মবিন ও জুবায়েরসহ আরও অনেকে বলেন, আমরা বাড়ি থেকে স্কুলে যাওয়ার সময় সাঁকো দিয়ে পড়ে গিয়ে জামা-কাপড়, বই-খাতা ভিজিয়ে আবার বাড়িতে ফিরে যাই।

স্থানীয় মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, বর্ষাকালে এই সাঁকো পাড় হতে গিয়ে পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছি। এতে আমার পাজড়ের হাড় ভেঙ্গে গেছে। দীর্ঘদিন চিকিৎসা করিয়েও পুরোপুরি সুস্থ হতে পারিনি।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও এলাকার জনসাধারণ অতিশিগগিরই এ স্থানে একটি ব্রীজ নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মোস্তফা কামাল সিকদারের বলেন, ওই স্থানে একটি ব্রীজ করার জন্য আবেদন করেছি।

উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মোঃ মনিরউজ্জামান বলেন, সরেজমিনে দেখে যদি আমাদের উপজেলার অর্থায়নে সম্ভব হয় তবে ব্রীজের কাজ দ্রুত শুরু করা হবে। আমাদের অর্থায়নে না হলে জেলা হয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে প্রস্তাব পাঠাবো।

পিপিবিডি/এস.খান

বাশঁ,সাঁকো,বাঁশের সাঁকো
apps

সারাদেশ

অনুসন্ধান করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত