Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • শুক্রবার, ২৩ আগস্ট ২০১৯, ৮ ভাদ্র ১৪২৬
  • ||

বরিশালে জামানত হারাচ্ছেন ধানের শীষের ২০ প্রার্থী

প্রকাশ:  ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৫:৫৭ | আপডেট : ৩১ ডিসেম্বর ২০১৮, ১৬:০২
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট icon

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশালের ২১টির মধ্যে ২০টি আসনেই জামানত হারাচ্ছেন ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীরা। রোববার (৩০ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল পর্যালোচনা করে এ তথ্য পাওয়া যায়। জামানত হারানো প্রার্থীদের তালিকায় বিএনপির বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট প্রার্থী রয়েছেন।

জামানত হারানো বিএনপি প্রার্থীরা হলেন-

বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ পেয়েছেন ২ লাখ ৫ হাজার ৫০২ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী সাবেক সাংসদ জহির উদ্দিন স্বপন পেয়েছেন ১ হাজার ৩০৫ ভোট।

বরিশাল-২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) আসনে নৌকা প্রতীকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মো. শাহে আলম পেয়েছেন ২ লাখ ১২ হাজার ৩৪৪ ভোট । তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু পেয়েছেন ১১ হাজার ১৩৭ ভোট।

বরিশাল-৩ (বাবুগঞ্জ-মুলাদি) আসনে লাঙ্গল প্রতীক নিয়ে জাতীয় পার্টির প্রার্থী গোলাম কিবরিয়া টিপু পেয়েছেন ৫৪ হাজার ৭৭৮ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী জয়নুল আবেদীন ৪৭ হাজার ২৮৭ ভোট পেয়েছেন।

বরিশাল-৪ (মেহেন্দীগঞ্জ-হিজলা) আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে আওয়ামী লীগের পঙ্কজ দেবনাথ পেয়েছেন ২ লাখ ৪১ হাজার ৩ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী নুরুর রহমান পেয়েছেন ৯ হাজার ২৮২ ভোট।

বরিশাল-৫ (সদর) আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে জাহিদ ফারুক শামীম পেয়েছেন ২ লাখ ১৫ হাজার ৮০ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী মজিবর রহমান সরোয়ার পেয়েছেন ৩১ হাজার ৩৬২ ভোট।

বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে মহাজোট প্রার্থী জাতীয় পার্টির নাসরিন জাহান রতনা পেয়েছেন ১ লাখ ৫৯ হাজার ৩৯৮ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী আবুল হোসেন খান পেয়েছেন ১৩ হাজার ৬৫৮ ভোট।

ঝালকাঠির দুটি আসনেও বিএনপির প্রার্থীরা জামানত হারাচ্ছে না।

ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঁঠালিয়া) আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে বি এইচ হারুন পেয়েছেন ১ লাখ ৩১ হাজার ৫২৫ ভোট । তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী শাহজাহান ওমর পেয়েছেন ৬ হাজার ১৫১ ভোট।

ঝালকাঠি-২ (সদর-নলছিটি) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আমির হোসেন আমু পেয়েছেন ২ লাখ ১৪ হাজার ৯৩৭ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী জীবা আমিনা খান পেয়েছেন ৫ হাজার ৯৮২ ভোট।

একই অবস্থা বরগুনার দুটি আসনেও।

রগুনা-০১ আসনে জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও বর্তমান সংসদ সদস্য অ্যাড. ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু ৫ম বারের মতো নির্বাচিত হলেন। তিনি ভোট পেয়েছেন ৩ লাখ ১৯ হাজার ৯শ ৫৭ ভোট পেয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. মতিয়ার রহমান তালুকদার পেয়েছেন ১৫ হাজার ৩শ ৪৪ ভোট।

অন্যদিকে বরগুনা-০২ আসনে তৃতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন বর্তমান সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি শওকত হাচানুর রহমান রিমন। তিনি ভোট পেয়েছেন ২ লাখ ৩শ ২৫ তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাড. খন্দকার মাহবুব হোসেন পেয়েছেন ৯ হাজার ৫শ ১৮ ভোট।

পটুয়াখালীর চারটি আসনেও বিএনপির প্রার্থীরা জামানত ফিরে পাচ্ছেন না।

পটুয়াখালী-১ (সদর) আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে শাহজাহান মিয়া পেয়েছেন ২ লাখ ৭০ হাজার ৯৭০ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকে বিএনপির আলতাফ হোসেন চৌধুরী পেয়েছেন ১০ হাজার ৩৬৯ ভোট।

পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে আ স ম ফিরোজ পেয়েছেন ১ লাখ ৮৫ হাজার ৭৮৩ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের সালমা আলম পেয়েছেন ৫ হাজার ৬৬০ ভোট।

পটুয়াখালী-৩ (গলাচিপা-দশমিনা) আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে এস এম শাহজাদা সাজু পেয়েছেন ২ লাখ ১৫ হাজার ৫৭৯ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের গোলাম মাওলা রনি পেয়েছেন ৬ হাজার ১৭৬ ভোট।

পটুয়াখালী-৪ (কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী) আসনে নৌকা প্রতীক নিয়ে মুহিব্বুর রহমান মুহিব পেয়েছেন ১ লাখ ৮৮ হাজার ৮১২ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের এ বি এম মোশারেফ হোসেন পেয়েছেন ৬ হাজার ১৮৫ ভোট।

দ্বীপজেলা ভোলার চারটি আসনেই বিএনপির প্রার্থীরা জামানত হারাচ্ছেন।

ভোলা-১ (সদর) আসনে ১১৩টি ভোটকেন্দ্রের বেসরকারি ফলাফলে নৌকার প্রার্থী তোফায়েল আহমেদ দুই লাখ ৪২ হাজার ২১৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী গোলাম নবী আলমগীর সাত হাজার ২২৪ ভোট পেয়েছেন। তোফায়েল আহমেদ এ নিয়ে ৮ বার সংসদ সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হলেন।

ভোলা-২ (বোরহানউদ্দিন-দৌলতখান) আসনের আওয়ামী লীগ প্রার্থী আলী আজম মুকুল পেয়েছেন দুই লাখ ২৬ হাজার ১২৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির হাফিজ ইব্রাহিম পেয়েছেন ১৩ হাজার ৯৯৯ ভোট। সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আ. কুদদুস এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এ নিয়ে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মুকুল দুই বার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন।

ভোলা-৩ (লালমোহন-তজুমদ্দিন) আসনের বেসরকারি ফলে আওয়ামী লীগ প্রার্থী নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন দুই লাখ ৫০ হাজার ৪১১ ভোট। তার নিকটতম প্রার্থী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মাওলানা মো. মোসলে উদ্দিন। তিনি পেয়েছেন চার হাজার ৫৫ ভোট। এখানে বিএনপি প্রার্থী মেজর অব হাফিজ উদ্দিন পেয়েছেন দুই হাজার ৫০২ ভোট।

ভোলা-৪ (চরফ্যাশন-মনপুরা) আসনে নৌকার প্রার্থী আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব পেয়েছেন দুই লাখ ৯৯ হাজার ১৫০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী অ্যাডভোকেট মহিবুল্লাহ পেয়েছেন ছয় হাজার ২২২। এখানে বিএনপির নাজিম উদ্দিন আলম পেয়েছেন ৫ হাজার ৪৭ ভোট। এ নিয়ে আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেন।

ভোলার চারটি সংসদীয় আসনে আওয়ামী লীগের চারজন, বিএনপির চারজন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের চারজন, জাতীয় পার্টির দুইজন ও সিপিবির এক প্রার্থীসহ মোট ১৫ প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন।

জেলার ৪৭৬টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৯টি কেন্দ্র অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ছিলো। সেখানে ভোটার ছিলো ১২ লাখের অধিক।

পিবিডি/পি.এস

বিএনপি,ভোটকেন্দ্র,বাংলাদেশে,ধানের শীষ
apps
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত