Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • বৃহস্পতিবার, ২২ আগস্ট ২০১৯, ৭ ভাদ্র ১৪২৬
  • ||

রোনালদোর রিয়াল ছাড়ার কারণ, চ্যালেঞ্জ, চ্যালেঞ্জ আর শুধুই চ্যালেঞ্জ

প্রকাশ:  ১৭ জুলাই ২০১৮, ১৫:৫৯
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রিন্ট icon

পেশাদার ফুটবলাররা বোধহয় এমনই হন। জার্সি বদল হলেও তাদের মনোভাবের বদল হয় না কখনই। আর ফুটবলারটি যদি হন রোনালদো, তাহলে পেশাদারিত্বই হয় শেষ কথা। তা না হলে যেখানে তার বয়সী তারকারা ক্লাব ফুটবলে নিজের জায়গা বাঁচাতে মরিয়া, সেখানে ৩৩ বছরের রোনালদো বিশ্বের সবথেকে ধনী ক্লাবের সঙ্গ ছাড়লেন। কারণ, তিনি উচ্চাভিলাষী এবং জীবনে সবসময়ই চ্যালেঞ্জ নিয়েই বাঁচতে চান।

তুরিনে পা রেখেই ১০ কোটি ইউরোর রোনালদো সাফ জানিয়ে দিলেন, তিনি ভেবেচিন্তেই জুভেন্টাসে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। যে ক্লাব বিগত দু’দশকে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির ছায়াও মারাতে পারেনি, সেই ক্লাবে কেন আসতে গেলেন সিআর সেভেন? রিয়াল মাদ্রিদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলের (৪৫১) রেকর্ড, তিন তিনটি চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়, পাঁচ পাঁচটা ব্যালন ডি’অর পাওয়া, এরপরও কেন রিয়েল ছাড়লেন রোনালদো? এতদিন নির্বিকার থাকা পর্তুগিজ তারকা অবশেষে মুখ খুললেন। প্রথমে যেটা বললেন, তা হুবুহু তাঁর প্রাক্তন কোচের মতোই শোনালো! নতুন চ্যালেঞ্জ নিতেই রিয়াল ছেড়েছিলেন জিনেদিনে জিদান। নতুন চ্যালেঞ্জ নিতে ক্লাব ছাড়লেন রোনালদোও।

জুভেন্টাসে যোগ দিয়ে সিআর সেভেন জানিয়ে দিলেন, “আমি উচ্চাভিলাষী, চ্যালেঞ্জ নিতে ভালবাসি। সবসময় বর্তমান নিয়ে ভাবতে পছন্দ করি। আমি এখনও আগের মতোই রয়েছি। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড থেকে রিয়াল, এখন জুভেন্টাসে, সবটাই আমার কাছে নতুন চ্যালেঞ্জ”।

এখানেই শেষ নয়। এরপরই রোনালদো পরিষ্কার করে বুঝিয়ে দেন তিনি কেন ইতালির এই ক্লাবেই এলেন তিনি। তাঁর বয়স (৩৩) এসে যেখানে ফুটবল তারকারা পেশাদার প্রতিযোগিতা থেকে তুলনামূলক দূরে সরতে থাকেন, কাতার বা চীনের ক্লাবগুলোতে যোগ দেন, সেখানে জুভেন্টাস তাঁর ক্ষুধাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে বলেই তিনি ইতালিতে এসেছেন।

ইতালির এই বর্ষীয়ান ক্লাবকে দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়নস লিগে জেতাতে চান তিনি। একই সঙ্গে জিততে চান সিরিজ ‘এ’ টাইটেস-ও। জুভেন্টাস শেষ চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জেতে ১৯৯৬ সালে। এরপর বহু তারকাই এই ক্লাবের সঙ্গে নিজেদের সম্পর্ক জুড়লেও ইউরোপ সেরা ট্রফি জয় করতে পারেনি জুভেন্টাস। সিআর সেভেন মনে করছেন তিনি আসাতেই ভাগ্য ফিরবে ইতালির। নতুন ‘গার্লফ্রেন্ডে’র হাতে ইউরোপ সেরা ট্রফি তুলে দিতে পারবেন, এতটাই আত্মবিশ্বাসী ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো।

/এস কে

apps
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত