• শুক্রবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২২, ১৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৯
  • ||

লড়াইয়ের পর ১৭ রানে হার বাংলাদেশের

প্রকাশ:  ৩০ জুলাই ২০২২, ২০:০২ | আপডেট : ৩০ জুলাই ২০২২, ২১:১০
স্পোর্টস ডেস্ক

১২ বলে বাংলাদেশের প্রয়োজন ৩২ রান। ১৯তম ওভারে মোড় ঘুরে যায়। এই ওভারে মাত্র ৪ রান নিতে পারে বাংলাদেশ, হারায় ১ উইকেট। শেষ ওভারে প্রয়োজন ছিল ২৮ । বাংলাদেশ নিতে পারে ১০ রান। ১৭ রানে হার নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয়।

লড়াই করেও ম্যাচ জেতাতে পারলেন না অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান। ২৬ বলে ৪২ রান করে অপরাজিত ছিলেন সোহান। শেষ দিকে কাউকে পাননি সঙ্গী হিসেবে। ২৫ বলে ৩৭ রান করে শান্ত আউট হলে ম্যাচের মোমেন্টাম পরিবর্তন হয়। মোসাদ্দেক ১০ বলে ১৩ রান করে ফেরেন ১৯তম ওভারে।

সম্পর্কিত খবর

    তবে মাঝে লিটন ভুল না করলে ভিন্ন কিছু হতো। ১৯ বলে ৩২ রান করে তিনি ফেরেন রান আউট হয়ে। এনামুল সেট হয়ে ফেরেন সাজঘরে। তিনি ২৭ বলে ২৬ রান করেন। টি-টোয়েন্টি সুলভ ইনিংস খেলতে পারেননি। বাংলাদেশ থামে ১৮৮ রানে।

    খরুচে বোলিংয়ের খেসারত দিয়েছে বাংলাদেশ ১৭ রানে হেরে। জিম্বাবুয়ে প্রথমবার বাংলাদেশের বিপক্ষে ২০০ পার করে। তিন ম্যাচের সিরিজে ১-০তে পিছিয়ে গেলো বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ের হয়ে সর্বোচ্চ ২ উইকেট নেন জংওয়ে।

    জিম্বাবুয়ে: ২০৫/৩ (২০ ওভার)।

    বাংলাদেশ: ১৮৮/৬ (২০ ওভার)।

    ১২ বলে বাংলাদেশের প্রয়োজন ৩২ রান

    ১২ বলে বাংলাদেশের প্রয়োজন ৩২ রান। ক্রিজে আছেন সোহান-মোসাদ্দেক। রানের ব্যবধান আরও বেশি থাকলেও সোহান ঝড়ে কিছুটা কমে। তিনি ২০ বলে ৩৬ রান করে ক্রিজে আছেন। এটি টি-টোয়েন্টিতে তার ক্যারিয়ার সেরা ইনিংস। এর আগে ছিল সর্বোচ্চ ৩৩ রান।

    সেট হয়ে শান্তর বিদায়, শেষ ভরসা সোহান-মোসাদ্দেক

    জংওয়ের শর্ট ডেলিভারিতে পুল করতে গিয়ে ধরা পড়লেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ৩ চার ও ১ ছয়ে ২৫ বলে ৩৭ রান করেন এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। ক্রিজে নুরুল হাসান সোহানের সঙ্গী মোসাদ্দেক হোসেন।

    ৮ বলে ১০ রানে আফিফের বিদায়, বিপদে বাংলাদেশ

    ৮ বলে ১০ রানে আফিফের বিদায়, বিপদে বাংলাদেশ। জংওয়ের বলে পুল করতে চেয়েছিলেন বাঁহাতি এই ব্যাটসম্যান। মিড উইকেট অঞ্চলে বল উঠে যায় আকাশে। তালুবন্দি করেন মাসাকাদজা। ১০৬ রানে চতুর্থ উইকেট হারালো বাংলাদেশ। জয়ের জন্য এখনো প্রয়োজন ১০০ রান।

    ৭১ বলে বাংলাদেশের ১০০, আরও প্রয়োজন ১০৬

    ১১.৪ ওভারে বাংলাদেশ দলীয় শতরান পূর্ণ করে। এই রান করতে হারায় ৩ উইকেট। জয়ের জন্য প্রয়োজন ৪৯ বলে ১০৬। ক্রিজে আছেন শান্ত-আফিফ।

    জীবন পেয়েও বুঝতে পারেননি লিটন, খেসারত দিলেন রানআউটে

    উইলিয়ামসের বলে শর্ট ফাইন লেগে সহজ ক্যাচ দেন লিটন। তবে ধরতে পারেননি এনগ্রাভা। কিন্তু তাতে কী, লিটন না বুঝে হাঁটা দেন ড্রসিং রুমের দিকে। এদিকে নন স্ট্রাইক প্রান্তে উইলিয়ামসকে বল পাঠিয়ে দেন এনগ্রাভা। সঙ্গে সঙ্গে উইকেট ভেঙে দেন উইলিয়ামস। নানা নাটকীয়তার পর আউট দেন টিভি আম্পায়ার। নিজের ভুলে রানআউটের আক্ষেপ নিয়ে সাজঘরে ফেরেন লিটন। ৬ চারে ১৯ বলে ৩২ রান করে ফেরেন তিনি।

    ধাক্কা সামলে পাওয়ার প্লেতে বাংলাদেশের ৬০

    ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে ৫ রানে বাংলাদেশ প্রথম উইকেট হারায়। এরপর লিটন-এনামুল দলকে এগিয়ে নিতে থাকেন। দুজনের জুটি থেকে ২৭ বলে আসে ৫৫ রান। ৫ ওভারে পূর্ণ হয় দলীয় ফিফটি। লিটনের ব্যাট চওড়া হলেও এনামুল এখনো হাত খুলে খেলতে পারছেন না।

    ৮ বলে ৪ রান করে আউট মুনিম শাহরিয়ার

    ৮ বলে ৪ রান করে আউট মুনিম শাহরিয়ার। লক্ষ্য ২০৬। শুরুটা হওয়া দরকার ছিল ঝড়ো। হয়েছে উল্টোটা। দ্বিতীয় ওভারে মুনিম ফিরলেন পয়েন্টে ক্যাচ দিয়ে। ৮ বলে ৪ রান করেন তিনি। ক্রিজে লিটনের সঙ্গী এনামুল হক বিজয়।

    বাংলাদেশের বিপক্ষে প্রথমবার ২০০ পার করে জিম্বাবুয়ের চ্যালেঞ্জ

    ২০ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ২০৫ রান করে জিম্বাবুয়ে। প্রথমবার তারা বাংলাদেশের বিপক্ষে ২০০ পার করে। এর আগে সর্বোচ্চ ছিল ৫ উইকেটে ১৯৩ রান।

    টস জিতে ব্যাটিং করতে নেমে শুরুতে উইকেট হারালেও দমে যায়নি জিম্বাবুয়ে। পাওয়ার প্লে থেকে ১ উইকেটে ৪৩ রান তুলে। এরপর ধীরে ধীরে খোলস ছেড়ে বের হতে থাকেন জিম্বাবুয়ের ব্যাটসম্যানরা। নাসুমকে এক ওভারে ১৮ রান নিয়ে শুরু করেন উইলিয়ামস আর শেষ হয়েছে সিকান্দার রাজার ঝড়ে। মাঝে এক পাশ সামলে রেখে রান তুলেছেন ওয়েসলি মাধেভেরে। ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দেয় চতুর্থ উইকেটে রাজা-ওয়েসলি জুটি। তারা মাত্র ৪৩ বলে ৯১ রান যোগ করে। ৬৭ রানে ওয়েসলি রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে ফিরলে ভাঙে জুটি। শেষ চার ওভারে জিম্বাবুয়ে তোলে ৬৫ রান। আর শেষ ২ ওভারে যোগ করে ৩৮ রান! রাজা ২৬ বলে ৬৫ রান করে অপরাজিত ছিলেন। এ ছাড়া উইলিয়ামস করেন ৩৩ রান। বাংলাদেশের তিন পেসার ছিলেন খরুচে। সর্বোচ্চ ৫০ রান দেন মোস্তাফিজ। এ ছাড়া শরিফুল ৪৫ ও তাসকিন দেন ৪২ রান। তিনজনে ১২ ওভারে দেন ১৩৭ রান! মোস্তাফিজ সর্বোচ্চ ২ উইকেট নেন। ১ উইকেট নেন মোসাদ্দেক।

    রাজার ঝড়ো ফিফটি

    মাত্র ২৩ বলে ফিফটি করেন দারুণ ফর্মে থাকা সিকান্দার রাজা। এটি তার ক্যারিয়ারের চতুর্থ ফিফটি। চার হাঁকিয়েছেন ৫টি আর ছয় ৩টি। ওয়েসলির সঙ্গে জুটি গড়ে মাত্র ৪৩ বলে যোগ করেন ৯৩ রান। রাজার ফিফটির পর ৬৭ রানে রিটায়ার্ড হার্ট হয়ে সাজঘরে ফেরেন ওয়েসলি।

    রাজা-ওয়েসলির ঝড়ে এলোমেলো বাংলাদেশের বোলিং

    মোস্তাফিজের করা ১৩তম ওভারের শেষ বলে অল্পের জন্য বেঁচে যান সিকান্দার রাজ। শর্ট বলে ফাইন লেগে ফ্লিক করেন, দৌড়ে গিয়েও তাসকিন ক্যাচ ধরতে পারেননি। চার হয়ে যায় উল্টো। ৩ রানে জীবন পাওয়া রাজা এরপর যেন আরও ক্ষীপ্ত হন। এই মুহূর্তে ১২ বলে ২৫ রান করে ক্রিজে আছেন। সঙ্গে থাকা ওয়েসলি ৩৭ বলে তুলে নিয়েছেন ক্যারিয়ারের সপ্তম ফিফটি। দুজনের জুটি মাত্র ২৭ বলে ফিফটি পূর্ণ করে। ওয়েসলি ফিফটির পরেই দ্রুত রান তোলায় নজর দেন। দুজনের ঝড়ো ব্যাটিংয়ে এলোমেলো দেখাচ্ছে বাংলাদেশের বোলিং। মোস্তাফিজ কিংবা শরিফুল কাউকেই ছাড় দিচ্ছেন না তারা। এগোচ্ছে বড় স্কোরের দিকে।

    উইলিয়ামসের আউটের পর জিম্বাবুয়ের ১০০

    ঝড়ের আভাস দিয়ে মোস্তাফিজের বলে বোল্ড হয়ে ফিরলেন উইলিয়ামস। ৪ চার ও ১ ছয়ে ১৯ বলে ৩৩ রান করেন এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। আউট হওয়ার আগের ওভারেই নিয়েছিলেন ১৮ রান। বেশিদূর এগোতে দেননি মোস্তাফিজ। মোস্তাফিজের ব্যাক অব হ্যান্ডের ডেলিভারি অফে খেলতে চেয়েছিলেন উইলিয়ামস, কিন্তু বল ব্যাট ফাঁকি দিয়ে আঘাত করে উইকেটে। উইলিয়ামসের আউটের পরের বলে সিকান্দার রাজা ২ রান নিয়ে দলীয় শতরান পূর্ণ করে। ১২.৩ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে এই রান করে স্বাগতিকরা।

    নাসুমের ওভারে উইলিয়ামসের ১৮, জুটির ফিফটি

    এক ছয় ও দুই চারে নাসুম আহমেদের করা ১২তম ওভারে উইলিয়ামস নেন ১৮ রান। একই ওভারে তৃতীয় উইকেটের জুটিতে ৩৩ বলে ফিফটি করে জিম্বাবুয়ে।

    পাওয়ার প্লের পর প্রথম বলেই মোসাদ্দেকের আঘাত

    পাওয়ার প্লের পর প্রথম বলেই ক্রেইগ আরভিনকে সাজঘরে পাঠালেন মোসাদ্দেক হোসেন। মোসাদ্দেকের কুইকার ডেলিভারিতে ব্যাকফুটে গিয়ে অন সাইডে খেলতে চেয়েছিলেন আরভিন। কিন্তু বল ব্যাট মিস করে ভেঙে দেয় উইকেট। ১৮ বলে ২১ রান করেন আরভিন। এই ওভারেই দলীয় ৫০ রান পূর্ণ করে জিম্বাবুয়ে। ৬.৪ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে এ রান করে তারা।

    উইকেট হারালেও পাওয়ার প্লেতে সাবলীল জিম্বাবুয়ে

    ইনিংসের তৃতীয় ওভারে প্রথম উইকেট হারালেও থমকে যায়নি জিম্বাবুয়ের ইনিংস। ৬ ওভারে তারা তুলেছে ৪৩ রান।

    মোস্তাফিজের শিকার চাকাভা

    রেগিস চাকাভাকে ইনিংসের তৃতীয় ওভারে ফেরালেন মোস্তাফিজুর রহমান। স্ট্যাম্প বরাবর ফুলার লেন্থের ডেলিভারিতে উড়িয়ে মেরেছিলেন চাকাভা। টাইমিং ঠিকমতো হয়নি, বল উঠে যায় আকাশে। মিড উইকেটে তালুবন্দি করেন নাজমুল হোসেন শান্ত। ১১ বলে ৮ রান করেন চাকাভা। এর আগে প্রথম ওভারে তাসকিন ৮ রান দিয়ে শুরু করেন বাংলাদেশের ইনিংস। দ্বিতীয় ওভারে স্পিনার নাসুম দেন ৪ রান। তৃতীয় ওভারেই দেখা মেলে উইকেটের।

    ফিল্ডিংয়ে বাংলাদেশ

    হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে শনিবার (৩০ জুলাই) জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি বাংলাদেশ। খেলা শুরু হয় বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫টায়। এই ম্যাচে টস হেরে ফিল্ডিং করছে নুরুল হাসান সোহানের দল।

    বাংলাদেশ একাদশ

    বাংলাদেশ একাদশ সাজিয়েছে তিন পেসার তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান ও শরিফুল ইসলামকে নিয়ে। বিশেষজ্ঞ স্পিনার হিসেবে আছেন নাসুম আহমেদ। সবশেষ ম্যাচ থেকে তিন পরিবর্তন নিয়ে নেমেছে বাংলাদেশ। শেখ মেহেদি, সাকিব আল হাসান ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ নেই। জায়গা পেয়েছেন তাসকিন, মুনিম শাহরিয়ার ও নাজমুল হোসেন শান্ত।

    একাদশে যারা— লিটন দাস, এনামুল হক বিজয়, নাজমুল হোসেন শান্ত, মুনিম শাহরিয়ার, মোসাদ্দেক হোসেন, আফিফ হোসেন, নুরুল হাসান সোহান, নাসুম আহমেদ, তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান ও শরিফুল ইসলাম।

    জিম্বাবুয়ে একাদশ

    রেগিস চাকাভা, ক্রেইগ আরভিন (অধিনায়ক), ওয়েসলে মাধেভেরে, শন উইলিয়ামস, সিকান্দার রাজা, মিল্টন শুম্বা, রায়ান বার্ল, লুক জঙউই, ওয়েলিংটন মাসাকাদজা, রিচার্ড এনগ্রাভা ও তানাকা চিভাঙ্গা।

    অধিনায়ক সোহানের পথচলা শুরু

    অধিনায়ক হিসেবে নুরুল হাসান সোহানের পথচলা শুরু হলো। তবে নিজের প্রথম ম্যাচে হারলেন টস। নতুন অধিনায়ক হওয়া সোহান বাংলাদেশের জার্সিতে খেলেছেন ৩৩টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ। অভিষেক হয়েছে ২০১৬ সালে। ১২.৯০ গড়ে রান করেছেন ২৭১টি। এবার অধিনায়ক হিসেবে কেমন করেন সেটি দেখার বিষয়। জিম্বাবুয়ে সিরিজে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের পরিবর্তে তিনি অধিনায়ক হন। তিনি বাংলাদেশের অষ্টম টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক।

    বাংলাদেশের জয়ের পাল্লা ভারি

    জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশ বেশ এগিয়ে। এখন পর্যন্ত ১৬ বার মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। বাংলাদেশ জিতেছে ১১ বার, আর বাকি ম্যাচে জিম্বাবুয়ে। আর তাদের মাটিতে ৫ বারের দেখায় অবশ্য হারতে হয়েছে দুইবার। তবে সিনিয়রদের বাদ দিয়ে তরুণ দল পাঠানোয় এবারের সিরিজের গুরুত্ব অনেক। নজর থাকবে সবারই।

    ছেড়ে কথা বলবে না জিম্বাবুয়ে

    নেদারল্যান্ডসকে সবশেষ হারিয়েছে জিম্বাবুয়ে। তাতেই দলটি সুযোগ পেয়েছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ওপেনিং রাউন্ডে। অলরাউন্ডার সিকান্দার রাজা মাত্র ৮ রান দিয়ে নিয়েছেন ৪ উইকেট। পার্থক্য গড়ে দিতে পারেন অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটার। এছাড়া এই টুর্নামেন্টে ৮৭ ও ৮২ রানের ইনিংস খেলেছেন রাজা। তাদের ৫ ব্যাটসম্যানের চার জনের স্ট্রাইকরেট ১২৬ থেকে দেড়শর মধ্যে। উইজলি মেডভেরে, সেন উইলিয়ামস ও রেগিস চাকাবারা আছেন ফর্মে। নিজেদের মাঠে তারা বাংলাদেশকে ছেড়ে কথা বলবে না নিশ্চিতভাবে।

    সবচেয়ে অভিজ্ঞ মোস্তাফিজ

    দুই দলের মধ্যে সবচেয়ে অভিজ্ঞ মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি সবচেয়ে বেশি ৬৬ ম্যাচ খেলেছেন। এছাড়া সবশেষ ২৯ ম্যাচে বাংলাদেশ ওপেনিং জুটিতে পরিবর্তন এনেছে ১০ বার। এই ম্যাচেও ইমনের অভিষেক হলে দেখা যেতে পারে নতুন ওপেনিং জুটি।

    কন্ডিশন দিচ্ছে সুখবর

    হারারের আবহাওয়া বার্তা বলছে শনিবার বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। আবহাওয়া থাকবে শুস্ক। সবশেষ ১২ মাসে এই মাঠে আগে ব্যাটিং করা দল গড়ে ১৬০ রান করেছে। অর্থ্যাৎ আগে ব্যাটিং করলে বাংলাদেশেরও জয়ের জন্য এমন রান কিংবা তার চেয়ে বেশি তুলতে হবে স্কোরবোর্ডে।

    নতুন অধিনায়ক সোহানের কণ্ঠে পুরোনো বাংলাদেশি ব্র্যান্ড

    সিরিজ শুরুর আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে নতুন অধিনায়ক নুরুল হাসান সোহান বললেন সেই পুরোনো স্টাইলেই খেলার কথা। জিম্বাবুয়েতে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের উত্তরসূরী সোহানের ভাষ্য, ‘আমরা বাংলাদেশি, নিজেদের ব্র্যান্ডের ক্রিকেট খেলতে চাই। অনেক দলই হয়তো পাওয়ার হিটিং ভালো পারে। তবে আমরা যদি স্মার্ট এবং সেনসিবল থাকি, ওভার বাউন্ডারির থেকে বাউন্ডারিও মারতে পারব। এখানে একটা সুযোগ, বা আমাদের চাওয়া—নিজেদের ব্র্যান্ডের ক্রিকেট খেলতে চাই। অন্য দলগুলো কী করছে অবশ্যই আমরা খুব বেশি চিন্তিত না। নিজেদের ব্র্যান্ড তৈরি করতে চাই।’

    পূর্বপশ্চিমবিডি/এআই

    বাংলাদেশ-জিম্বাবুয়ে ম্যাচ
    মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
    • সর্বশেষ
    • সর্বাধিক পঠিত
    close