• শনিবার, ১৩ আগস্ট ২০২২, ২৯ শ্রাবণ ১৪২৯
  • ||

শান্তর মতোই দ্রুতই সাজঘরে ফিরলেন মুমিনুল

প্রকাশ:  ১৭ মে ২০২২, ১৪:১৪ | আপডেট : ১৭ মে ২০২২, ১৪:২২
স্পোর্টস ডেস্ক

চট্টগ্রাম টেস্টে তার খেলারই কথা ছিলো না। বিশ্ব ফার্নান্ডো মাথায় আঘাত পেয়ে ছিটকে পড়ায় ‘কনকাশন-সাব’ হিসেবে টেস্টের মাঝপথে মাঠে নামেন কাসুন রাজিথা। নিজের প্রথম ওভারে নাজমুল হোসেন শান্তকে (১) বিদায় করেন। এবার তার দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হলেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মুমিনুল হক। শান্তর মতো মুমিনুলও ফিরলেন ব্যক্তিগত ২ রানে। এ নিয়ে টানা পাঁচ ইনিংসে দশের নিচে আউট হলেন তিনি। তার আগের চারটি ইনিংস-০, ২, ৬ এবং ৫ রানের।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৩ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের প্রথম ইনিংসের সংগ্রহ ২০০ রান। তামিম ১২৭ আর মুশফিকুর রহীম ১ রানে অপরাজিত আছেন।

এর আগে তামিম ইকবালের সঙ্গে দারুণ জমে উঠেছিলো মাহমুদুল হাসান জয়ের জুটিটা। ৫১ রানের মাথায় জীবনও পেয়েছিলেন জয়। তবে পঞ্চাশের ঘরটা পার করতে পারলেন না তরুণ এই ওপেনার।

ব্যক্তিগত ৫৮ রানে ফিরলেন আসিথা ফার্নান্ডোর শিকার হয়ে। ফার্নান্ডোর লেগ সাইডে বেরিয়ে যাওয়া বলে ব্যাট ছুঁইয়ে উইকেট দিয়ে এসেছেন জয়। ১৪২ বলের ইনিংসে ৯টি বাউন্ডারি হাঁকান তিনি।

জয়ের আউটে ভাঙে ১৬২ রানের উদ্বোধনী জুটি। ওপেনিংয়ে এটি বাংলাদেশের চতুর্থ সেরা জুটি। এই তালিকায় এক নম্বরে আছে ২০১৫ সালে খুলনায় পাকিস্তানের বিপক্ষে করা তামিম ইকবাল আর ইমরুল কায়েসের ৩১২ রানের জুটিটি।

সকালে বৃষ্টি হওয়ায় আজকের প্রথম সেশনে খানিক চ্যালেঞ্জই ছিলো বাংলাদেশ দলের জন্য। কিন্তু শ্রীলঙ্কার নখদন্তহীন বোলিং-ফিল্ডিংয়ের সুবাদে কাজটা সহজ হয়ে যায় তামিম ইকবাল ও মাহমুদুল হাসান জয়ের। দু’জন মিলে অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়েই শেষ করেন প্রথম সেশনের খেলা। সেশন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিলো বিনা উইকেটে ১৫৭ রান।

ক্যারিয়ারের ৩২তম ফিফটি করার পর ৮৫তম রান নেওয়ার সময় মুশফিকুর রহিমকে টপকে টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হয়ে গেছেন তামিম। আর ৬৩ রান করলে দেশের প্রথম ব্যাটার হিসেবে ৫ হাজার টেস্ট রানের মালিক হবেন এ বাঁহাতি ওপেনার।

শ্রীলঙ্কার ৩৯৭ রানের জবাবে আগেরদিন বিকেলে ১৯ ওভারে ৭৬ রান করেছিলো বাংলাদেশ। আজ রমেশ মেন্ডিসকে দিয়ে আক্রমণ শুরু করে লঙ্কানরা। তবে দিনের প্রথম ওভার থেকে ছড়ানো ফিল্ডিং দেওয়া হয় তামিমকে। সেই সুযোগটাও পুরোপুরি কাজে লাগিয়েছেন এ অভিজ্ঞ ওপেনার।

বাহারি সব শটে ৭৩ বলে সাত চারের মারে ফিফটি তুলে নেন তামিম। অন্যদিকে মাহমুদুল জয়ের ফিফটি করতে লাগে ১১০ বল। মুখোমুখি ৮৬তম বলে চার মেরে ৪৮ রানে পৌঁছান জয়। এরপর ফিফটিতে পৌঁছতে খেলেন আরো ২৪ বল। ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফিফটি ছোঁয়ার পথে ৮টি চার মারেন জয়।

ফিফটি করার পরপরই আসিথা ফার্নান্দোর বলে ক্যাচ তুলে দিয়েছিলেন জয়। কিন্তু ফাইন লেগে সেটি হাতে রাখতে পারেননি লাসিথ এম্বুলদেনিয়া। ফলে বোনাস বাউন্ডারি পেয়ে যায় বাংলাদেশ। এরপর আর কোনো ভুল করেননি তরুণ ওপেনার জয়। তামিমের সঙ্গে দায়িত্ব নিয়েই শেষ করেন প্রথম সেশনের খেলা।

এই সেশনে ২৮ ওভার খেলে ৮১ রান করে বাংলাদেশ। দিনের শুরুর ৯ ওভারেই ৪৭ রান নিয়ে ফেলেছিলেন তামিম ও জয়। পরের ১৯ ওভারে খানিক রয়েসয়ে খেলে যোগ করেন ৩৪ রান। এ দু’জনের সুবাদে দীর্ঘ ৬২ মাস ও ৬১ ইনিংস পর উদ্বোধনী জুটিতে শতরানের দেখা পেয়েছে বাংলাদেশ।

পূর্বপশ্চিমবিডি/এসএম

মুমিনুল হক,সাজঘর,নাজমুল হোসেন শান্ত,চট্টগ্রাম,টেস্ট
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close