• রোববার, ০১ আগস্ট ২০২১, ১৭ শ্রাবণ ১৪২৮
  • ||

এবার অলিম্পিকের গেমস ভিলেজে খাট নিয়ে বিতর্ক

প্রকাশ:  ২০ জুলাই ২০২১, ১৮:৪২
স্পোর্টস ডেস্ক

এখন বিশ্বব্যাপি চলছে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ। করোনা থেকে বাঁচতে হাজারোরকম পদক্ষেপ নিচ্ছে বিভিন্ন কর্তৃপক্ষ। টোকিও অলিম্পিক আয়োজকরাও অ্যাথলেটদের করোনা থেকে বাঁচাতে নানা পদক্ষেপ নিয়ে। যে কারণে অলিম্পিক ভিলেজে করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে অভিনব ব্যবস্থা নিয়েছেন আয়োজকরা। তারা চান অ্যাথলিটরা যেন ভিলেজে যৌন সংসর্গ না করেন। কারণ, যৌন সংসর্গ থেকে ছড়াতে পারে করোনা সংক্রমণ।

মৌখিক কোনো বিধি-নিষেধে হয়তো অ্যাথলেটদের মধ্যে যৌন সংসর্গে বাধা দেয়া যাবে না। এ কারণে আয়োজকরা নাকি ভিলেজে অ্যাথলেটদের থাকার জন্য এক বিশেষ ধরনের ‘অ্যান্টি-সেক্স’ খাট বা বিছানা দিয়েছে আয়োজকরা। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সেই বিছানার ছবিও প্রকাশ করা হয়েছে।

কী আছে এই খাটে? কেন এটাকে ‘অ্যান্টি সেক্স’ খাট বলা হচ্ছে? একটি স্প্যানিশ সংবাদ মাধ্যম বলছে, প্রতিযোগীদের এই বিশেষ ধরনের খাট দেওয়াই হয়েছে যাতে তারা যৌনতা থেকে বিরত থাকে। এই খাট এমনভাবে তৈরি করা, যেটার ওপর একজনের বেশি দু’জন উঠলেই ভেঙে যেতে পারে। এমনকি আচমকা বড় কোনো নড়াচড়া করলেও একই অবস্থা হবে।

তারা বলছে, এই খাটটি কার্ডবোর্ডের তৈরি, ফলে একজনের বেশি ওজন নিতে পারে না সেটি।

‘অ্যান্টি সেক্স খাট’- এটা দিয়ে আরো একটি বিশেষ জিনিস মনিটর করতে পারবে গেমস আয়োজকরা। যেহেতু দু’জন উঠলে এই খাট ভেঙে যাবে, সেহেতু কোনো অ্যাথলেট অনিয়ম করছে কি না সেটাও জানা অনেকটা সহজ হয়ে যাবে। তবে, খাট ভাঙলেও সে খাটগুলোকে পূনরায় ঠিক করা যাবে।

কিন্তু ‘অ্যান্টি সেক্স’ খাটের সেই খবরকে ভুয়া বলছেন খোদ অ্যাথলেটরাই। শুধু তাই নয়, তারা গেমস ভিলেজে নিজেদের রুমের খাটের ওপর নাচানাচি করেও পরীক্ষা করে দেখেছে যে, সেটা ভেঙে যায় কি না। কিন্তু দেখা গেছে কোনো খাটেরই কিছু হয়নি।

তেমনই একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে একজন আইরিশ জিমন্যাস্ট বিছানার উপর লাফাচ্ছেন। আর বারবার বলছেন, ‘এটা ফেইক নিউজ, এটা ফেইক নিউজ’।

অ্যান্টি সেক্স খাটের খবর গেমস ভিলেজে পৌঁছার পরই নিজের রুমে প্রবেশ করে খাট পরীক্ষা করেন আইরিশ জিমন্যাস্ট রাইস ম্যাকক্লেনগান। তিনি একটি ভিডিও তৈরি করেন। যেখানে দেখা যায় তিনি খাটের উপর উঠে লাফাচ্ছেন। এরপরও তার খাট কোনোভাবেই ভেঙে যায়নি। তিনি ভিডিওর মধ্যেই বলতে থাকেন এটা ভুয়া খবর। এই ভিডিও তুলে ম্যাকক্লেনগান নিজের টুইটারে পোস্ট করেন। যা এরইমধ্যে ভাইরাল হয়ে গেছে।

এখন প্রশ্ন তোলা হল, তাহলে এই খবর ছড়িয়ে দেওয়া হল কেন? পরে এই ভিডিও অলিম্পিকের অফিসিয়াল টুইটার থেকেও শেয়ার করা হয়। আইরিশ জিমন্যাস্ট রাইস ম্যাকক্লেনগানকে উদ্দেশ্য করে মজার বার্তাও দেওয়া হয় সেখানে।

অলিম্পিক আয়োজকদের পক্ষ থেকে প্রতিযোগীদের হঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে, তাদের দেওয়া কন্ডম যেন ব্যবহার না করে অ্যাথলেটরা। অলিম্পিকে অংশগ্রহণকারীদের আয়োজকদের পক্ষ থেকে কন্ডম দেওয়ার প্রথা বহু বছরের পুরোনো; কিন্তু এবার বলে দেওয়া হয়েছে, সেই কন্ডম যেন তারা ব্যবহার না করে, সুভেন্যির হিসেবে বাড়ি নিয়ে যায়।

পূর্বপশ্চিমবিডি/এসসিএম

বিতর্ক,খাট,গেমস ভিলেজ,অলিম্পিক,করোনাভাইরাস
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close