• বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২০, ১৮ আষাঢ় ১৪২৭
  • ||

সাকিব অভিভূত

প্রকাশ:  ২৪ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৪:২৮ | আপডেট : ২৫ ডিসেম্বর ২০১৯, ১১:৩৩
স্পোর্টস ডেস্ক

গত এক দশকের (১০ বছর) ওয়ানডে সেরা একাদশ ঘোষণা করেছে উইজডেন ক্রিকেট সাময়িকী। ‘ক্রিকেটের বাইবেল’ নামে পরিচিত উইজডেন অ্যালমানাকের দশকসেরা ওয়ানডে একাদশে জায়গা পেয়েছেন সাকিব আল হাসান।উইজডেনের সব ক্রিকেট লেখক ও প্রতিনিধিদের রায়ে এবং গত ১০ বছরের পারফরম্যান্সের বিচারে তাদের দৃষ্টিতে বাংলাদেশের তথা বিশ্বের সেরা অলরাউন্ডার সাকিবকে ওয়ানডের দশক সেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত করেছে।

এমন অর্জনের পর সাকিব নিজের ফেসবুকে লিখেছেন, বিগত দশ বছরের ওয়ানডে ক্রিকেটের সেরা একাদশে আমাকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য উইজডেনকে জানাই ধন্যবাদ। সেই সাথে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি ক্রিকেট মাঠে আমার পরিশ্রম ও প্রচেষ্টাকে স্বীকৃতি দেয়ার জন্য। আশা করছি আরও বেশি উদ্দীপনা ও পরিশ্রমের সাথে এই ধারা বজায় রাখতে সক্ষম হবো।

সাকিব ছাড়াও বিরাট কোহলি, এবি ডি ভিলিয়ার্সদের মতো সেরা ক্রিকেটারদের নাম আছে এই একাদশে। একমাত্র স্পিনার হিসেবে জায়গা করে নিয়েছেন সাকিব।

গত ১০ বছরে সাকিব খেলেছেন ১৩১ ওয়ানডে। যেখানে ব্যাট হাতে করেছেন ৪২৭৬ রান। ব্যাটিং গড় ৩৮.৮৭ আর ইনিংস সর্বোচ্চ অপরাজিত ১২৪ রান। বল হাতে গত এক দশকে সাকিব নিয়েছেন ১৭৭ উইকেট। যেখানে সাকিবের বোলিং গড় ৩০.১৫ আর বেস্ট বোলিং ফিগার ২৯ রানে ৫ উইকেট।

সবমিলিয়ে সাকিব ওয়ানডে খেলেছেন ২০৬টি। যেখানে ব্যাট হাতে করেছেন ৬৩২৩ রান, ব্যাটিং গড় ৩৭.৮৬। ৯টি সেঞ্চুরির পাশাপাশি তার নামের পাশে আছে ৪৭টি ফিফটি। ইনিংস সর্বোচ্চ অপরাজিত ১৩৪ রান। আর বল হাতে ওয়ানডে ক্যারিয়ারে নিয়েছেন ২৬০ উইকেট।চার উইকেট নিয়েছেন আটবার আর পাঁচ উইকেট নিয়েছেন দুইবার।

এ বছর ওয়ানডে বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফর্ম করা বাংলাদেশের ক্রিকেটের বড় বিজ্ঞাপন সাকিব কদিন আগে নিষিদ্ধ হয়েছেন। তার আগে ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের পর সাকিব জায়গা করে নেন ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি ঘোষিত বিশ্বকাপের সেরা একাদশে। সেমি ফাইনালে না খেললেও সাকিবকে এই একাদশের বাইরে রাখা যায়নি। তাহলে হয়তো পূর্ণতাই পেতো না বিশ্বসেরা একাদশ। ব্যাট হাতে আট ইনিংসের সাতটিতেই ফিফটি প্লাস ইনিংস খেলেছেন।

দ্বাদশ বিশ্বকাপ সাকিবকে দিয়েছে দুহাত ভরে। ৮৬.৫৭ গড়ে ৮ ইনিংসে সর্বোচ্চ ৬০৬ রান করেছেন সাকিব, বাঁহাতি স্পিনে নিয়েছেন ১১টি উইকেট। এক আসরে ১০ উইকেট আর ৬০০ প্লাস রান দেখেনি অন্য কোনো বিশ্বকাপ। এই বিশ্বকাপে সাকিবের নামের পাশে যোগ হয়েছে দুটি সেঞ্চুরি আর পাঁচটি ফিফটির ইনিংস। বিশ্বকাপের এক আসরে সাতটি ফিফটি প্লাস ইনিংস খেলে নাম লিখিয়েছেন শচীন টেন্ডুলকারের গড়া কীর্তিতে। টানা চতুর্থ বিশ্বকাপের শেষ তিনটিতেই অলরাউন্ডার র্যাংকিংয়ের শীর্ষে থেকে খেলার অনন্য এক বিরল রেকর্ডও গড়েছেন সাকিব।

পূর্বপশ্চিমবিডি/জিএম

উইজডেন ক্রিকেট সাময়িকী,ওয়ানডে একাদশ,সাকিব আল হাসান,অলরাউন্ডার
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
close