• মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারি ২০২০, ১৪ মাঘ ১৪২৬
  • ||

অ্যাশেজ নিজেদের দখলে রাখলো অজিরা

প্রকাশ:  ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, ১৪:৫৫
স্পোর্টস ডেস্ক

দক্ষিণ আফ্রিকার সাথে সিরিজ হার। তারচেয়ে বড় খবর ছিলো শিরিস কাগজ কান্ডে ওয়ার্নার, স্মিথ ও ব্যানক্রফটের নিষিদ্ধ হওয়া। ব্যানক্রফটকে বাদ দিলে ওয়ার্নার এবং স্মিথ ছাড়া অস্ট্রেলিয়ার যে ভগ্নদশা হয়েছিলো তা কারো অজানা নয়। সেই অজিরা বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল খেলে হেরে গেলো চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডের কাছে। অথচ এই অস্ট্রেলিয়া টিম নিয়ে কেউ উচ্চাশা করতে পারেনি।

বিশ্বকাপের পরে এ যেন সেই আগের দাপুটে অস্ট্রেলিয়া। কিছুদিন আগেই প্রথমবারের মতো ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দে ভেসেছে ইংল্যান্ড ও ওয়েলসবাসী। কিন্তু বিশ্ব ক্রিকেটের 'নতুন রাজা'দের তাদের ঘরের মাটিতেই মর্যাদার অ্যাশেজে রীতিমত নাকানিচুবানি খাইয়ে নিজেদের পূর্বসূরিদের দাপুটে ক্রিকেটের স্মৃতি মনে করিয়ে দিলেন স্মিথ-হ্যাজেলউডরা। সেই সঙ্গে তাদের ১৮ বছরের অপেক্ষারও অবসান হলো। ২০০১ সালের পর এই প্রথম অ্যাশেজ ধরে রেখে বাড়ি ফেরা নিশ্চিত করলো টিম পেইনের দল।

চলতি অ্যাশেজের চতুর্থ টেস্টে ইংল্যান্ডকে ১৮৫ রানের বিশাল ব্যবধানে হারিয়ে সিরিজে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে গেল সফরকারীরা। স্বাগতিক ইংলিশরা শেষ ম্যাচ জিতলেও সিরিজ ড্র হবে। ফলে আগেরবার ঘরের মাটিতে জেতা অ্যাশেজ শিরোপা এবার আর ইংলিশদের ফেরত দিতে হচ্ছে না অজিদের।

রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) ম্যানচেস্টারে অজিদের ছুড়ে দেওয়া ৩৮৩ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৯৭ রানেই গুটিয়ে গেছে ইংল্যান্ড। স্কোর বোর্ডে কোনো রান তোলার আগেই কামিন্সের তোপে ২ উইকেট হারিয়ে বসে ইংলিশরা। এরপর ৬৬ রানের জুটি গড়ে প্রাথমিক ধাক্কা সামাল দিয়েছিলেন ডেনলি (৫৩) ও জেসন রয় (৩১)। কিন্ত এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পতনের মিছিল ঠেকাতে পারেননি আর কেউই।

স্বাগতিকদের ব্যাটিং লাইনআপের মূল সর্বনাশ করেছেন প্যাট কামিন্স। একাই ৪ উইকেট তুলে নিয়েছেন এই অজি পেসার। এছাড়া জস হ্যাজেলউড ও নাথান লায়ন ঝুলিতে পুরেছেন ২টি করে উইকেট। ১টি করে উইকেট গেছে মিচেল স্টার্ক ও মার্নাস লাবুশানের দখলে।

এর আগে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৬ উইকেটে ১৮৬ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে অস্ট্রেলিয়া। চলতি অ্যাশেজে দুর্দান্ত ফর্মে থাকা স্টিভেন স্মিথ এই ইনিংসেও ব্যাট হাতে ইংলিশ বোলারদের কপালের ঘাম ছুটিয়ে ছেড়েছেন। তার ৮২ রানের ইনিংসটিই অজিদের বিশাল লিড এনে দিয়েছে। অরথচ একসময় ৪৪ রানেই ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল অজিরা। কিন্তু জোফরা আর্চার ও স্টুয়ার্ট ব্রডের গোলা স্মিথকে কাবু করতে পারেনি।

প্রথম ইনিংসে ২১১ রানের অসাধারণ ইনিংস আর দ্বিতীয় ইনিংসে ৮৭ রান করে স্বাভাবিকভাবেই ম্যাচ সেরা নির্বাচিত হয়েছেন স্মিথ।

পূর্বপশ্চিমবিডি/এসএ

অ্যাশেজ,ইংল্যান্ড,অস্ট্রেলিয়া
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত