Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • শনিবার, ১৭ আগস্ট ২০১৯, ২ ভাদ্র ১৪২৬
  • ||

স্মিথকে আউট করার উপায় জানালেন জিওফ্রে বয়কট 

প্রকাশ:  ১৪ আগস্ট ২০১৯, ১৫:৪২
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রিন্ট icon

স্টিভ স্মিথ! এমন একটি নাম যার সাথে জড়িয়ে আছে কলঙ্ক। এমন কলঙ্ক যার কারণে ক্রিকেটে নিষিদ্ধ ছিলেন এক বছর। টেস্ট ক্রিকেট থেকে দূরে ছিলেন দেড় বছর বা ১৮ মাস। রাজসিক প্রত্যাবর্তনের পরে বুঝিয়ে দিলেন ব্যাটে মরচে পড়েনি এতটুকু। চিড় ধরেনি তার মেজাজেও। ফিরে এসেছেন আরো দুর্দান্ত ভাবে।

টেস্ট ক্রিকেটে নিজের প্রত্যাবর্তন হয়েছে মর্যাদার অ্যাশেজ দিয়ে। অবশ্য ক্রিকেট খেলায় ফিরেছেন বিশ্বকাপ ক্রিকেট দিয়ে। বিশ্বকাপে দেখিয়েছেন তার মুন্সিয়ানা। এবার দেখাচ্ছেন টেস্ট ক্রিকেটে তার গুরুত্ব। প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে দলের ব্যাটিং বিপর্যয়ের মধ্যে ১৪৪ রানের ঝলমলে ইনিংস খেলে দলকে বাঁচিয়েছেন লজ্জার হাত থেকে। দ্বিতীয় ইনিংসে করেছেন ১৪২ রান। যার সুবাদে অ্যাশেজের প্রথম ম্যাচ জিতেছে অজিরা বিশাল ব্যবধানে।

লর্ডসে অ্যাশেজের দ্বিতীয় টেস্ট শুরু হবে আজ থেকে। ইংলিশদের যথারীতি একটাই প্রশ্ন—স্টিভ স্মিথকে আউট করা যাবে কীভাবে? এজবাস্টনে অস্ট্রেলিয়ার দুই ইনিংসেই আউট হয়েছেন স্মিথ। তবে তার আগে জোড়া সেঞ্চুরিতে চূড়ান্ত সর্বনাশ করে ছেড়েছেন স্বাগতিকদের। জো রুটের দলকে খুব বেশি দোষারোপের সুযোগ নেই। এজবাস্টনে স্মিথকে দ্রুত আউট করার সব রকম চেষ্টাই করেছে তারা। কিন্তু ব্যাট চওড়া হয়ে উঠলে কী আর করা!

স্মিথের ব্যাটিং দেখে তেমন মনে হওয়াই স্বাভাবিক। আর টেস্টে ইংল্যান্ডকে প্রতিপক্ষ হিসেবে পেলে সত্যিই চওড়া হয়ে ওঠে স্মিথের ব্যাট। দলটির বিপক্ষে শেষ ১০ ইনিংসে তাঁর ব্যাটিং গড় ১৩৯.৫! আর এজবাস্টনে দ্বিতীয় সেঞ্চুরি পাওয়ার পর স্মিথ নিজেই বলেছেন, ‘আমি টেস্ট ভালোবাসি, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলতে ভালোবাসি। অ্যাশেজ খেলার জন্য এটা দারুণ জায়গা আর শেষ চার দিনের সকালকে মনে হয়েছে বড়দিনের সকাল।’

স্মিথের এ মন্তব্যে খেপছেন জিওফ্রে বয়কট। চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দল প্রতিপক্ষের মাঠে অ্যাশেজ খেলতে এসে এতটা স্বস্তিতে থাকবে যে বড়দিন বলে মনে হবে! টেলিগ্রাফে লেখা কলামে তাই রুটের দলের ওপর ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন সাবেক ইংলিশ ওপেনার। স্মিথকে আউট করার উপায়ও বাতলে দিয়েছেন বয়কট, ‘(স্মিথের) এ ধরনের মন্তব্য ইংল্যান্ড খেলোয়াড়দের জন্য লজ্জাজনক। তাদের খারাপ লাগা উচিত। অন সাইডে বেশি ফিল্ডার রেখে স্টাম্পে বল করা যায় না? সে ব্যাটে খেলতে না পারলে লেগ বিফোর কিংবা বোল্ড হবে। আমাদের সিমাররা বাঁ হাতিদের বিপক্ষে আক্রমণাত্মক হলেও স্মিথের বিপক্ষে তা নয়।’

স্টুয়ার্ট ব্রড-ক্রিস ওকসরা যে একেবারে আক্রমণাত্মক ছিলেন না তা ভেবে নেওয়াও ভুল। এজবাস্টনে স্মিথ এমন ব্যাটিং (১৪৪, ১৪২) করেছেন যে তাঁর সঙ্গে তখন স্যার ডন ব্র্যাডম্যানের তুলনাও উঠেছে! পরিসংখ্যানও মিথ্যে বলছে না। ক্রিকেটের সবচেয়ে আইকনিক সংখ্যাটা হলো ৯৯.৯৪—ডনের ব্যাটিং গড়। টেস্টে ন্যূনতম ২০ ইনিংস ব্যাট করেছেন, এ হিসেবে ডনের পরই স্মিথের ব্যাটিং গড় ৬২.৯৬। ১৯৪৮ সালে ব্র্যাডম্যান শেষ টেস্ট খেলার আগে এবং অবশ্যই পরের ৭১ বছরে কোনো ব্যাটসম্যানই স্মিথের মতো ৯৯.৯৪ ব্যাটিং গড়ে এত কাছে যেতে পারেনি।

ব্র্যাডম্যানের ‘ইনভিন্সিবল’ দলটার শেষ জীবিত সদস্য নিল হার্ভে স্মিথের প্রশংসা করলেও ব্র্যাডম্যানের সঙ্গে তুলনা টানতে নারাজ। ‘সে অনেক উঁচু মানের ক্রিকেটার। আর গ্রেট খেলোয়াড়, সে যে যুগেরই হোক না কেন, জায়গা দিতেই হয়। তবে আমি তুলনায় বিশ্বাসী নই। এটা করা যায় না। কারণ খেলাটা অনেক পাল্টেছে।’

পূর্বপশ্চিমবিডি/এসএ

স্টিভ স্মিথ,অ্যাশেজ,লর্ডস
apps
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত