• বৃহস্পতিবার, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯, ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
  • ||

গ্যারি কারেস্টেনকে কোচ হিসেবে পেতে চায় বিসিবি

প্রকাশ:  ২৪ জুলাই ২০১৯, ১৫:১৮
স্পোর্টস ডেস্ক

কোচ হীন অবস্থায় আছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। এর আগেও এমন অবস্থায় ছিলো বহুদিন মাশরাফি, সাকিবরা। বাংলাদেশ ক্রিকেটে ভারপ্রাপ্ত কোচ দিয়ে টিম চালানোর অভিজ্ঞতা অনেক পুরোনো। এর আগে ইয়ান পন্টকে দিয়ে বহুদিন কোচের কাজ চালিয়ে নিয়েছিলো বিসিবি। তবে, ভারপ্রাপ্ত কোচ দিয়ে টিম ভালো ফলাফল করতে পারে না। স্বাভাবিক খেলা ও খেলতে পারে না দল। তাই বিসিবি বেশিদিন কোচ হীন থাকতে চাচ্ছে না।

এদিকে, শ্রীলঙ্কা সফরের জন্য সুজনকেই ভারপ্রাপ্ত কোচ হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। প্রধান কোচের জন্য কদিন আগে বিসিবি পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দিয়েছিলো। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ ছিল, প্রধান কোচের পদে আবেদন করার শেষ তারিখ ১৮ জুলাই। বৃহস্পতিবার শেষ হয়েছে আবেদনের শেষ তারিখ।

দ্বাদশ বিশ্বকাপে কাঙ্খিত ফলাফল না পাওয়াতে প্রধান কোচ স্টিভ রোডসকে বিদায় করে দেয় বিসিবি। এখন একজন নতুন কোচ খুঁজছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞাপন দিয়েই কোচের সন্ধানে নেমেছে বিসিবি। যদিও জাতীয় দলের প্রধান কোচ নিয়োগ এখনো আলোচনা পর্যায়েই রয়েছে।

এখন পর্যন্ত সম্ভাব্য কোচের কোনো নামও প্রকাশ করেনি বিসিবি। জাতীয় দলের জন্য হেড কোচ নিয়োগ প্রসঙ্গে বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন বলেন, সাড়া তো অবশ্যই আছে। বেশ কয়েকজন হাই প্রোফাইল কোচও আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের কাঠামোর বর্তমান পরিস্থিতি অনুযায়ী হাই প্রোফাইল কোচরা ঘরোয়া টি-টোয়েন্টিতেই বেশি আগ্রহী থাকে। আমরা চাচ্ছি একজন ফুল টাইম কোচ। টাইগারদের হেড কোচ হিসেবে দক্ষিণ আফ্রিকার গ্যারি কারস্টেনকে পছন্দ ছিল বিসিবির।

চন্ডিকা হাথুরুসিংহে চলে যাওয়ার পর কারস্টেনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিল। সেবার পারিবারিক কারণ দেখিয়ে টাইগারদের কোচ হওয়ার প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলেন ভারতের বিশ^কাপজয়ী এই কোচ। তবে সেবার কোচ হতে রাজি না হলেও কোচ নিয়োগের সঙ্গে জড়িত ছিলেন তিনি। কারস্টেনের পরামর্শেই ২০১৮ সালের জুনে স্টিভ রোডসকে নিয়োগ দেয় বিসিবি। বিশ্বকাপে প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারায় এই ইংলিশ ম্যানের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করা হয়। রোডসের সঙ্গে চুক্তি বাতিল করার আগেই কারস্টেনকে প্রস্তাব দেয় বিসিবি।

নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র জানায়, এই দক্ষিণ আফ্রিকান মাশরাফিদের কোচ হতে রাজিও ছিলেন। তার নিয়োগ ঝুলে গেছে বেতন ও সুযোগ-সুবিধা নিয়ে। কারস্টেন মাসে ৫০ হাজার ডলার বেতন চেয়েছেন বিসিবির কাছে। ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টেও কাজের সুযোগ চেয়ে শর্তজুড়ে দেন। এ কারণেই তার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি বিসিবি। তবে তাকে পেতে চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে বিসিবি। যদিও ভারতের প্রধান কোচের পদের জন্যও আবেদন করেছেন কারস্টেন।

নতুন কোচের সন্ধানে গত ১১ জুলাই নিজস্ব ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দেয় বিসিবি। আবেদনের সময়সীমাও শেষ হয়েছে। কিন্তু দেশ-বিদেশের ঠিক কতজন কোচ এই বিজ্ঞাপনে সাড়া দিয়েছেন সে তথ্য জানাতে পারেনি বিসিবি। বিশ্বকাপের পর পর লন্ডনে আইসিসির সভা থাকায় বোর্ড সভাপতি পাপন এবং সিইও সুজন দেশে ছিলেন না। সিইও শনিবার দেশে ফিরলেও সম্ভাব্য কোচদের ফাইলগুলো দেখেননি। এদিকে নির্ভরযোগ্য একটি সূত্র থেকে জানা যায়, বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন লন্ডনে অপেক্ষা করছেন প্রধান কোচের নিয়োগ নিশ্চিত করতেই। এছাড়া আগামী ২৭ জুলাই বিসিবির পরিচালনা পর্ষদের সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সে সভাতেই কোচ সংক্রান্ত একটা ফয়সালা হতে পারে।

পূর্বপশ্চিমবিডি/ এসএ

গ্যারি কারস্টেন,বিসিবি,কোচ
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত