Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৯, ২ কার্তিক ১৪২৬
  • ||

৯৮ কোটি টাকার প্রকল্প: বদলে যাবে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম

প্রকাশ:  ২৫ জুন ২০১৯, ১৯:৩৩ | আপডেট : ২৫ জুন ২০১৯, ২০:৩৩
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রিন্ট icon
বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম। ছবি: সংগৃহীত

২০২২ সালের জুনের মধ্যে নতুন রূপে দাঁড়াবে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়াম। ৯৮ কোটি ৩৬ লাখ ২৭ হাজার টাকা ব্যয়ে বদলে দেয়া হচ্ছে এই স্টেডিয়ামের চেহারা। স্টেডিয়ামের বিদ্যমান কাঠামো ঠিক রেখেই করা হবে সংস্কারকাজ।

মঙ্গলবার (২৫ জুন) ‘ঢাকাস্থ বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের অধিকতর উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পটি অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।

স্টেডিয়াম সংস্কারে থাকছে- মাঠ উন্নয়ন, গ্যালারিতে শেড নির্মাণ, গ্যালারিতে চেয়ার স্থাপন, আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় খেলোয়াড়দের ড্রেসিংরুম আধুনিকায়ন, ফ্লাডলাইট স্থাপন, সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, জেনারেটর স্থাপন, এলইডি জায়ান্ট স্ক্রিন বসানো, নতুন অ্যাথলেটিক ট্র্যাক স্থাপন, ডিজিটাল বিজ্ঞাপন বোর্ড স্থাপন, মিডিয়া সেন্টার তৈরি, টিকিট কাউন্টার, ডোপ টেস্ট রুম তৈরি, চিকিৎসা কক্ষ, ভিআইপি বক্স নির্মাণ, প্রেসিডেন্ট বক্স, টয়লেট উন্নয়ন, চিকিৎসা সরঞ্জাম, সাব-স্টেশন সরঞ্জাম, এসি ও সৌর প্যানেল সরবরাহ।

২০১১ সালে আইসিসি বিশ্বকাপ ক্রিকেট উপলক্ষে প্রায় ৩২ কোটি টাকা ব্যয়ে সংস্কার করা হয়েছিল এই স্টেডিয়াটির। ৮ বছর পর আরো বড় ধরনের সংস্কার হচ্ছে দেশের খেলাধুলার প্রধান এ ভেন্যুটি।

২০১৭ সালে যখন স্টেডিয়াম সংস্কারের জন্য ডিপিপি (ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট প্রপোজাল) তৈরি করেছিল জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ, তখন বাজেট ছিল ৮০ কোটি টাকার মতো। ২০১৯ সালের জুনের মধ্যে সংস্কার শেষ করার লক্ষ্যে তৈরি করা হয়েছিল ডিপিপি। কিন্তু যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে স্টেডিয়াম সংস্কার পরিকল্পনায় পরিবর্তন আনতে হয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদকে। নতুন করে ডিপিপি তৈরি করার পর গত বছর ২৭ সেপ্টেম্বর প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য সুপারিশ করে পিইসি (প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটি)।

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের সহকারী পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) সুকুমার সাহা বলেন, ২৩ কোটি টাকার মতো লাগবে গ্যালারিতে শেড বসাতে। ২০ কোটি টাকা লাগবে অ্যাথলেটিক ট্র্যাক স্থাপনের জন্য। প্রায় ১৫ কোটি টাকা লাগবে ফ্লাডলাইট স্থাপনে, গ্যালারিতে চেয়ার বসাতে লাগবে ১০ কোটি টাকার মতো।

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. জাহিদ আহসান রাসেল বলেছেন, আমাদের হাতে তিন বছর সময় আছে। এখন আমরা বসে কীভাবে কাজগুলো করা যায় সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবো। যে কাজগুলো করলে খেলাধুলায় কোনো ব্যাঘাত ঘটবে না সেগুলো এখন করা হবে।


পূর্বপশ্চিমবিডি/কেএম

৯৮ কোটি টাকার প্রকল্প,একনেক,বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম
মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত