• বুধবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৯, ২৯ কার্তিক ১৪২৬
  • ||

টাইগারদের ঈদের নামাজে নিরাপত্তা দিবে না আইসিসি

প্রকাশ:  ০৪ জুন ২০১৯, ১৩:০২ | আপডেট : ০৪ জুন ২০১৯, ১৩:০৭
স্পোর্টস ডেস্ক

ঈদ মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। ঈদ মানে আনন্দ। ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা দু'টিই বড় ধর্মীয় উৎসব বিশ্বের মুসলিম সম্প্রদায়ের কাছে। কিন্তু এক মাস সিয়াম সাধনার পর ঈদুল ফিতর উদযাপিত হওয়ায় এই উৎসবে অনাবিল আনন্দ বেশি।

মঙ্গলবার (০৪ জুন) শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা গেলে বুধবার (০৫ জুন) দেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। অন্যথায় ঈদ পালিত হবে বৃহস্পতিবার (৬ জুন)।

নিয়ম অনুযায়ী বাংলাদেশের একদিন আগে ঈদ পালন করে সৌদি-মধ্যপ্রাচ্যসহ ইউরোপের দেশগুলো। আজ ঈদ পালন হচ্ছে বিশ্বকাপের দেশ ইংল্যান্ডেও। লন্ডনে অবস্থানরত বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটাররাও পবিত্র ঈদুল ফিতর পালন করবেন আজ।

কিন্তু টিম বাংলাদেশ বাসে করে দলবদ্ধ হয়ে কোনও মসজিদে বা খোলা মাঠে তথা আমজনতার মধ্যে নামাজ পড়তে পারবে না। ক্রিকেটের সর্বোচ্চ অভিভাবক সংস্থা (আইসিসি) ঈদের নামাজে যাওয়ার ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক নিরাপত্তা দিতে অপারগতার কথা প্রকাশ করেছে।

বিষয়টি মূলতঃ অস্বীকৃতি জানানো নয়, অপারগতা প্রকাশ। কারণ লন্ডনে প্রচুর বাঙালি এবং মুসলমানের নিবাস। এ ছাড়াও নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার কারণে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়ার পরও, কোনও ক্রিকেটার কিংবা দলকে নিয়ে ঝুঁকি নিতে চায় না ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থাটি। তাই তারা বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটারদের একসঙ্গে ঈদের নামাজ পড়তে যেতে নিষেধ করেছে এবং নিরাপত্তা প্রদানেও অপারগতা প্রকাশ করেছে।

বাংলাদেশ দলের ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ সুজন জানান, ঈদের নামাজ একসঙ্গেই পড়বেন সাকিব-তামিম-মাশরাফিরা। তবে সেটি হবে শুধুই সাধারণ মানুষদের মতো। এক্ষেত্রে কোলাহলপূর্ণ জায়গা ছেড়ে শহর থেকে দূরে কোনও মসজিদে ঈদের নামাজ পড়তে হবে টাইগারদের। যেখানে বিচ্ছিন্নভাবে ট্যাক্সি বা মাইক্রোবাস ব্যবহার করা হবে।

তিনি গণমাধ্যমকে জানান, আমাদের পক্ষে টিম বাসে করে আনুষ্ঠানিক বহর নিয়ে ঈদের নামাজ পড়তে যাওয়া সম্ভব হবে না। কারণ সেখানে আইসিসি বা লন্ডন পুলিশের নিরাপত্তা বেষ্টনী দেয়া সম্ভব নয়। লন্ডনে প্রচুর মুসলিম বাঙালি, পাকিস্তানি, ভারতীয়সহ অনেক মানুষের সমাবেশ হবে। মূলত এত ভিড়ের মধ্যে ১৫ জন ক্রিকেটার, দলের ম্যানেজারসহ ১৭-১৮ জন মানুষের নিরাপত্তা দেওয়া কঠিন।

সাবেক এই ক্রিকেটার বলেন, আমরা নামাজ পড়বো। তবে কোথায় পড়ব, কীভাবে পড়ব- সেটা কী দলবদ্ধ হয়ে যাব না বিচ্ছিন্নভাবে তিন-চারজন করে যাব সেটা এখনই বলতে পারছি না।

পিপিবিডি/অ-ভি

মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত