Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০১৯, ১১ আষাঢ় ১৪২৬
  • ||

সেঞ্চুরি করে ফিরলেন বাটলার

প্রকাশ:  ০৩ জুন ২০১৯, ২৩:৩৬ | আপডেট : ০৩ জুন ২০১৯, ২৩:৪০
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রিন্ট icon

জো রুটের পর জস বাটলারের সেঞ্চুরি। বিশ্বকাপের চলমান আসরে প্রথম সেঞ্চুরি করেন জো রুট। তার দেখাদেখি সেঞ্চুরি করেন সতীর্থ জস বাটলার। সেঞ্চুরির করার পর ঠিক পরের বলেই ক্যাচ তুলে দেন বাটলার। আমিরের গতির বলে ওয়াহাব রিয়াজের হাতে ক্যাচ তুলে দেয়ার আগে ৭৬ বলে ৯টি চার ও দু’টি ছক্কায় ১০৩ রান করেন বাটলার।

এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৪৭ ওভার শেষে ৬ উইকেট হারিয়ে ৩১১ রান করেছে ইংলিশরা। মাঠে অপারিজিত আছেন মঈন আলী (১৯ রান) ও ক্রিস ওয়াকস (১২ রান)।

দলীয় ১২ রানে মাথায় জেসন রয়কে (৮) এলবিডব্লউর ফাঁদে ফেলে সাজঘরে ফেরান শাদাব খান। আরেক ওপেনার জনি বেয়ারস্টো ও জো রুট অবশ্য ৪৮ রানের জুটি গড়ে খাদ থেকে ইংলিশদের টেনে তুলতে চেষ্টা করেন। কিন্তু বেয়ারস্টোকে সরফরাজের হাতে ক্যাচ বানিয়ে আউট করেন ওয়াহাব রিয়াজ।

এরপর জো রুটকে সঙ্গ দিতে মাঠে আসেন ইংলিশ অধিনায়ক ইয়ন মরগান। কিন্তু তিনিও দলকে হতাশ করে ফিরে গেছেন। পাকিস্তানি বোলার হাফিজের বলে বোল্ড আউট হন মরগান। আউট হবার আগে করেন ১৮ বলে ৯ রান।

দলীয় ৮৬ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া ইংল্যান্ডকে টেনে তুলতে চেষ্টা করেন জো রুট ও অলরাউন্ডার বেন স্টোকস। স্টোকসকে নিয়ে বড় জুটির পথে এগিয়ে যাচ্ছিলেন রুট। কিন্তু দলীয় ১১৮ রানের মাথায় শোয়েব মালিকের বলে উইকেটের পেছনে সরফরাজের হাতে বন্দী হোন স্টোকস (১৩)।

৫ম উইকেটে মাঠে আসেন জোশ বাটলার। তাকে নিয়ে ১৩০ রানের পার্টনারশিপ গড়েন জো রুট। দলীয় ২৪৮ রানে সাদাব খানের বলে হাফিজের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হয়ে প্যাভিলিয়নে ফিরেন রুট। উপহার দেন ১০৭ রানের ঝলমলে এক ইনিংস।

এর আগে সোমবার (০৩ জুন) বিকেল ৩টায় নটিংহ্যামের ট্রেন্ট ব্রিজে টস জিতে প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেন ইংলিশ অধিনায়ক ইয়ন মরগান। ম্যাচটি শুরু হয় বাংলাদেশ সময় সাড়ে ৩টায়। সরাসরি সম্প্রচার করছে গাজী টিভি, মাছরাঙা এবং বিটিভি।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে বিস্ফোরক উদ্বোধনী জুটিতে পাকিস্তানকে ভালো সূচনা এনে দিয়েছিলেন ফখর জামান ও ইমাম-উল-হক। দুজন প্রথম ১০ ওভারেই তোলেন ৬৯ রান। ফখর ৪০ বলে ৩৬ করে স্টাম্পড হয়ে ফিরলে ভাঙে এ জুটি। এরপর ইমামও দ্রতই ফেরেন ৪৪ রান করে। দু’জনই অফ স্পিনার মঈন আলীর শিকার।

তৃতীয় উইকেটে বাবরের সঙ্গে ৮৮ রানের ভালো জুটি গড়েন হাফিজ। আক্রমণে ফিরে বাবরকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন মঈন। চতুর্থ উইকেটে সরফরাজের সঙ্গে ৮০ রানের জুটিতে সেঞ্চুরির পথেই এগোচ্ছিলেন হাফিজ। তবে সেঞ্চুরি থেকে ১৬ রান দূরে থাকতে হাফিজকে থামান দলে ফেরা মার্ক উড।

শেষ দিকে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানোয় প্রত্যাশিত ঝড় তুলতে পারেননি কেউই। সেটা পারলে পাকিস্তানের সংগ্রহটা আরো বড় হতো। দলে ফেরা আসিফ আলী ১১ বলে ১৪ ও শোয়েব মালিক ৮ বলে করেন ৮ রান।

পাকিস্তানের হয়ে সর্বোচ্চ ৮৪ রান করেন মোহাম্মদ হাফিজ। ৬২ বলে ৮ চার ও ২ ছক্কায় ইনিংসটি সাজান অভিজ্ঞ এই ব্যাটসম্যান। এ ছাড়া বাবর আজম ৬৬ বলে ৬৩ ও অধিনায়ক সরফরাজ আহমেদ ৪৪ বলে করেন ৫৫ রান।

১০ ওভারে ৫০ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ইংল্যান্ডের সেরা বোলার মঈন। উড ১০ ওভারে ৫৩ রানে নেন ২ উইকেট। ৮ ওভারে ৭১ রানে ৩ উইকেট নেন ক্রিস ওকস।

পিপিবিডি/অ-ভি

apps
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত