Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • রোববার, ২৫ আগস্ট ২০১৯, ১০ ভাদ্র ১৪২৬
  • ||

সাইলেন্ট হিরো রিয়াদ

প্রকাশ:  ০৩ জুন ২০১৯, ১৪:০৮
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রিন্ট icon

বিশ্বকাপের তৃতীয় দিনে বাঘের গর্জন শুনল বিশ্ব। কেঁপে উঠল বিশ্বকাপের আসর। বাকী ৯ দল বুঝে গেল বাংলাদেশকে নিয়ে হেলাফেলা নয়। বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে প্রোটিয়াদের বিপক্ষে ২১ রানে জয় পায় টাইগাররা।

জয়ে দারুণ ভূমিকা ছিল ‘সাইলেন্ট কিলার’ মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের। ব্যাট হাতে ৩৩ বলে অপরাজিত ৪৬ রানের এক কার্যকরী ইনিংস খেলে দলকে নিজেদের ওয়ানডে ইতিহাসের সর্বোচ্চ রানে পৌঁছে দেন রিয়াদ। তবে ম্যাচ শেষে সবাই সাকিব মুশফিক মিরাজ সাইফদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ থাকলেও আড়ালে থেকে যান রিয়াদ।

মুশফিক-সাকিবের অনবদ্য ব্যাটিং নৈপুণ্যে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে বড় স্কোরের সম্ভাবনা জেগেছিল। কিন্তু হঠাৎ রানের গতি কমে যায় ইমরান তাহিরের জোড়া আঘাতে। টাইগারদের তিনশ’র বেশি রানের আশার প্রদীপও যেন নিভু নিভু করছিল। কিন্তু না, ভক্ত সমর্থকরা হতাশ হননি একটুও। কারণ আজও সেই আস্থার প্রতীক দলের প্রয়োজনে নিজেকে মেলে ধরেছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

দক্ষিণ আফ্রিকান বোলারদের সব চাপ সামলে শেষ মুহূর্তে দলকে উপহার দেন অন্যরকম এক ইনিংস। শুধু তাই নয়, মাহমুদউল্লাহর অপরাজিত ৪৬ রানের ওই ইনিংসের কল্যাণে ওয়ানডে ইতিহাসের সর্বোচ্চ রানের চূড়ায় পৌঁছে যায় বাংলাদেশ। একই সঙ্গে এই বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ স্কোর সংগ্রকারীর দল হিসেবে বাংলাদেশের নাম লেখানো হয় ওই মাহমুদউল্লাহর ঝড়ো ব্যাটিংয়েই। মাত্র ৩৩ বল খেলে তার এই ইনিংসে আসে তিনটি চার ও একটি বড় ছয়ের মার। যার ফলে বাংলাদেশের স্কোর গিয়ে দাঁড়ায় ৫০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ৩৩০ রানে।

ম্যাচ শেষে তার এই অসামান্য অবদানের কথা মনে রেখেছেন কমসংখ্যক মানুষই। সবাই সাকিব মুশফিক মিরাজ সাইফদের ভাসিয়ে দিয়েছেন প্রশংসার বন্যায়। উলটো মিলারের ক্যাচ মিস করায় দর্শকদের দুয়োধ্বনি শুনতে হয়েছে রিয়াদকে। পুরো ক্যারিয়ার জুড়ে সাইলেন্ট কিলারের ভূমিকা পালন করে খেলে যাওয়া রিয়াদ গতকালও থাকলেন আমাদের সাইলেন্ট হিরো হয়েই।

মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ এমনই। দলের যেকোনও পরিস্থিতিতে নিজেকে উজাড় করে খেলেন। ব্যাট হাতে নিজেকে প্রমাণ করেন তিনি বার বার। গত বছর নিদহাস ট্রফির অঘোষিত সেমিফাইনালেও তাই করে দেখিয়েছেন তিনি। শেষ ওভারের মাত্র তিন বলেই মাহমুদউল্লাহর ঝড়ো ব্যাটিং লঙ্কা বধ করতে সক্ষম হয়েছিল টাইগাররা। এখানেই শেষ নয়, রিয়াদের গল্প।

সেঞ্চুরিয়নে তার করা ১০৩ রানের অনবদ্য ইনিংসে ভর করে ২০১৫ বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো কোয়ার্টার ফাইনালে নাম লিখিয়েছিল বাংলাদেশ। ওই ম্যাচ ছাড়া যেসব ম্যাচে তিনি ব্যাট হাতে ভালো করেছিলেন সেখানে অন্য কেউ নায়ক বনে গেছে। তাকে হতে হয়েছে সাইড নায়ক।

এবার বিশ্বকাপে তিনি পারবেন কী বাংলাদেশের নায়ক হতে? বড় ম্যাচের তারকা খ্যাত সাইলেন্ট কিলার মাহমুদউল্লাহ রিয়াদকে ঘিরে ভক্ত-সমর্থকদের প্রত্যাশাও কম নয়।

পিপিবিডি/অ-ভি

apps
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত