Most important heading here

Less important heading here

Some additional information here

Emphasized text
  • শুক্রবার, ১৯ জুলাই ২০১৯, ৪ শ্রাবণ ১৪২৬
  • ||

টি-২০ ক্রিকেটের জন্ম পাকিস্তানে: আফ্রিদি

প্রকাশ:  ১৬ মে ২০১৯, ১৪:২৬
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রিন্ট icon

গেম-চেঞ্জার। তার আত্মজীবনী বাজারে আসার পর থেকে এটা-ওটা নিয়ে বিতর্ক জন্মাচ্ছে। শহিদ আফ্রিদির আত্মজীবনী। তাতে বিস্ফোরক কিছু থাকবে তা আগেই আশা করা হয়েছিল। তবে নেটিজেনরা আশা করেছিলেন, আফ্রিদি হয়তো নিজের ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবনের বিভিন্ন অজানা দিক তুলে ধরবেন। সেটা তিনি করেছেন। সঙ্গে পাকিস্তান ক্রিকেট নিয়েও বিস্ফোরক কিছু দাবি করেছেন। কিন্তু একইসঙ্গে তিনি ক্রিকেট ও ক্রিকেটারদের নিয়েও বিতর্কিত মন্তব্য করে বসেছেন। আত্মজীবনীর একটি অধ্যায়ে তিনি গৌতম গম্ভীরকে নজিরবিহীন আক্রমণ করেছেন। তার পর আবার নিজেই এগিয়ে এসে বলেছেন, তার মনে গম্ভীরের প্রতি কোনও অসম্মান নেই। মাঠের কথা তিনি মাঠেই ফেলে এসেছেন। ভবিষ্যতে কোথাও, কখনও গম্ভীরের সঙ্গে দেখা হলে তিনি সৌহার্দ্য বিনিময় করবেন।

এত সব কাণ্ডের পর আরও একবার একটি দাবি তুলেছেন আফ্রিদি। যা ঘিরে আলোচনা চলছে। আত্মজীবনী গেম চেঞ্জার-এ আফ্রিদি দাবি করেছেন, বিশ্বে প্রথম টি-২০ খেলা শুরু হয়েছিল পাকিস্তানের করাচিতে। আর সেটা হয়েছিল ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিল এই জনপ্রিয় ফরম্যাট চালু করার বহু বছর আগে। সরকারিভাবে টি-২০ ক্রিকেটের যাত্রা শুরু হয়েছিল ২০০৫ সালে। তবে আফ্রিদি দাবি করেছেন, তিনি ছোটবেলাতেই টি-২০ ক্রিকেট খেলে ফেলেছিলেন। ছোটবেলায় রোজার মাসে এই ফরম্যাটে খেলেছিলেন তিনি। যার অনেক সুখস্মৃতি তার নাকি এখনও মনে রয়েছে।

আটের দশক থেকেই পাকিস্তানে টি-২০ ক্রিকেট চালু ছিল। এমনই দাবি করেছেন আফ্রিদি। আফ্রিদি লিখেছেন, অনূর্ধ্ব-১৪ পর্যায়ে ৫০ ওভারের ক্রিকেট চালু ছিল। তবে রমজান মাসে পাকিস্তানের করাচিতে ২০ ওভারের ফরম্যাট চালু হয়ে গিয়েছিল অনেকদিন আগেই। তবে সেটা তখনও আইসিসির অনুমোদন পায়নি। আফ্রিদি ব্যাখ্যা দিয়ে বলেছেন, রমজান মাসে প্রখর রোদে বাড়ির বাইরে যাওয়া যেত না। রোজা রাখার কারণে দিনের বেলা মাঠে নেমে খেলাটাও কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছিল। এই কারণে করাচির প্রতিটি মহল্লাতে সন্ধ্যায় কৃত্রিম আলো জ্বালিয়ে টি-২০ ক্রিকেট ম্যাচের আয়োজন করা হত। আটের দশকে পাকিস্তানজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল টি-২০ ক্রিকেট। করাচিতে জন্ম হওয়া ক্রিকেটের এই সংস্করণ অনেক পরে আইসিসির অনুমোদন পায় এবং বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

/এস কে

apps
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত